thereport24.com
ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫,  ১০ মহররম ১৪৪০

‘শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’

২০১৫ এপ্রিল ৩০ ১১:৫১:৪০
‘শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’

মুহম্মদ আকবর, দ্য রিপোর্ট : শিল্পী ফকির আলমগীর দেশের গণসংগীতের ইতিহাসে অনন্য এক নাম। জীবনের প্রায় বেশিরভাগ সময় তিনি গণসংগীত পরিবেশন করেই অতিক্রম করেছেন। দেশের প্রায় সকল আন্দোলন-সংগ্রামে তার শারীরিক উপস্থিতি রয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গণসংগীত পরিবেশন করতেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। শ্রমিক অধিকার আদায়ের জন্য ১৯৭২ সাল থেকে মে দিবসকে তিনি পালন করে আসছেন।

মে দিবস উপলক্ষে মেহনতি মানুষের এ দিনটি পালনের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের শ্রমিকদের যাপিত জীবনের নানাবিধ বিষয়ে কথা বলেছেন।

এবারের মে দিবসে কী কী করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ফকির আলমগীর বলেন, ‘আপনারা জানেন আমরা প্রায় ৭২ সাল থেকে মে দিবস পালন করে আসছি। এই দিন আলোচনা ও গণসংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরি। এবার বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে আলোচনা ও গণসংগীত পরিবেশিত হবে। পরিবেশ ও পরিস্থিতির কারণে এবারের মে দিবসের আয়োজন এক দিন আগে ৩০ এপ্রিল করা হচ্ছে। এখানে বিকেল ৪টায় আলোচনা শেষে দেশের বিশিষ্ট গণসংগীত শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। এ ছাড়াও ১ মে ৭টি চ্যানেলে আমি মে দিবস নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি গান পরিবেশন করব।

‘এতদিন ধরে আপনারা মে দিবস পালন করে আসছেন। আপনার কী মনে হয় এতে শ্রমিকদের জীবনমানের কোনো উন্নতি হয়েছে?’ এমন প্রশ্নের জবাবে এই গণসঙ্গীতশিল্পী বলেন, সেভাবে হয়নি। যদি হতো তাহলে দারিদ্র্যের কশাঘাতে শ্রমিকদের জর্জরিত হতে হতো না। এখনো রানা প্লাজা ও তাজরীন গার্মেন্টসের মতো ঘটনা ঘটে। সুতরাং আমরা বলতেই পারি শোষক ও শোষিতের পথ দুদিকে প্রতিদিনই প্রশস্ত হচ্ছে। যতদিন তাদের জীবনমান পরিবর্তন না হবে ততদিন আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।

শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি বলব বিভিন্ন স্তরের শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে পুঁজিপতি ও বুর্জোয়াদের বিরুদ্ধে লড়ার প্রস্তুতি নিতে হবে। সে লড়াই যে স্বশরীরে হবে তা নয়, মানসিকভাবেও হতে পারে।’

সাধারণ মানুষের উদ্দেশে খ্যাতিমান এই শিল্পী বলেন, ‘সাধারণ মানুষের বিষয়ে আমার একটাই বক্তব্য যে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের ভূত-ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করে শ্রমিকদের শ্রমের ওপর। কিন্তু তাদের জীবনের কোনো উন্নতি নাই। আমি বলব তাদের সামাজিক মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি জীবনের নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন।’

(দ্য রিপোর্ট/এমএ/এইচএসএম/শাহ/এপ্রিল ৩০, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

শিল্প ও সংস্কৃতি এর সর্বশেষ খবর

শিল্প ও সংস্কৃতি - এর সব খবর



রে