thereport24.com
ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫,  ১০ মহররম ১৪৪০

পরিবহন ও যোগাযোগে ২৮,৭৩৪ কোটি টাকার প্রস্তাব

২০১৫ জুন ০৪ ১৯:৩১:৪৫
পরিবহন ও যোগাযোগে ২৮,৭৩৪ কোটি টাকার প্রস্তাব

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ২৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বরাদ্দ মোট বাজেটের ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২৪ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৫-১৬ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন। এবার উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন মিলে বাজেটের আকার দুই লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সড়ক বিভাগে সাত হাজার ৯১১ কোটি টাকা, সেতু বিভাগে আট হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা, রেলপথ খাতে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন মিলিয়ে সাত হাজার ৭১৭ কোটি টাকা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে এক হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ৩৭২ কোটি টাকা এবং ডাক টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে এক হাজার ৭৭১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ৬১টি সেতু পুনর্নিমাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ অবস্থানে ভবিষ্যতে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণেরও পরিকল্পনা আছে।’

বাস ট্রানজিট, সড়ক পরিবহন ও ট্রাফিক বিষয়ক বেশ কয়েকটি আইন প্রণয়নের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মহাসড়ক মেরামত, সংস্কার, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য ১০ জেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সড়ক পথে যাত্রী সেবার মানোন্নয়নের জন্য আমরা বিআরটিসির অধীনে ৩০০টি দ্বিতল ও ১০০টি আর্টিকুলেটেড বাস সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন পরিবহনের সমন্বয়ে নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে আমরা ই-টিকেটিং ক্লিয়ারিং হাউস প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছি।’

‘রেলপথের পুনর্জাগরণে ২০ বছর মেয়াদি একটি রেলওয়ে মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে ২৩৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নে দুই লাখ ৩৩ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।’

‘২০১৮ সালের মধ্যে পদ্মাসেতু যানবাহন চালাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে পারবেন’ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মেট্রোরেলের কাজ ২০১৯ সালের মধ্যে শেষ করতে পারবো। আমার ব্যক্তিগত মত হলো, রাজধানীর যানবাহন ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্বতন্ত্র সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আছে।’

‘কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে’ জানিয়ে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘খান জাহান আলী বিমানবন্দর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। বিমানের যাত্রী পরিবহনে সক্ষমতা ও সেবার মান বাড়াতে বিমানের বহরে নতুন প্রজন্মের বেশ কয়েকটি বিমান সংযোজনের প্রক্রিয়া চলমান আছে।’

(দ্য রিপোর্ট/আরএমএম/এমএআর/এইচ/জুন ০৪, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

অর্থ ও বাণিজ্য এর সর্বশেষ খবর

অর্থ ও বাণিজ্য - এর সব খবর



রে