thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০১৭, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪,  ২৬ শাবান ১৪৩৮
নাজমুল সাঈদ

দ্য রিপোর্ট

গুম বিচারে ব্যর্থ রাষ্ট্রের জন্য আন্তর্জাতিক কাঠগড়া

২০১৫ আগস্ট ২৯ ২১:২৬:৪২
গুম বিচারে ব্যর্থ রাষ্ট্রের জন্য আন্তর্জাতিক কাঠগড়া

গুম বা অপহরণে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্তরা বিচার না পেলে তাদের জন্য রয়েছে রোম সংবিধি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। রাষ্ট্রের মাধ্যমে গুমের ঘটনা ঘটলে আন্তর্জাতিক আদালতে এরও বিচার হওয়ার বিধান রয়েছে। এমন মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

বিশ্বব্যাপী গুম বাড়ায় জাতিসংঘ ২০০২ থেকে কাজ শুরু করে ২০০৬ সালের মাঝামাঝি নাগাদ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ রচনা করে। ২০১১ সাল থেকে ৩০ আগস্ট গুমের শিকার ব্যক্তিবর্গের জন্য এই দিনটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আন্তর্জাতিক আইন ‘রোম সংবিধি’ অনুসারে গুম ও অপহরণ একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। রোম সংবিধিতে বাংলাদেশ অনুস্বাক্ষরকারী একটি দেশ।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম হাসান তালুকদার দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘রোম সংবিধি অনুযায়ী গুম বা অপহরণের সঙ্গে রাষ্ট্র জড়িত থাকলে বা ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিকার না পেলে আন্তর্জাতিক আদালতে তা মানবতাবিরোধী অপরাধ আইনে বিচার হওয়ার বিধান রয়েছে।’

‘আমাদের উচ্চ আদালতে এ সব অপরাধের বিচার করতে পারে। পেনাল কোড অনুযায়ীও শাস্তির বিধান রয়েছে। তাই এখনই আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এর মাত্রা বাড়লে অবশ্যই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এর বিচার হওয়া উচিত। রাজনৈতিক কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব হয় না। তবে অপরাধের বিচার আজ হোক, কাল হোক অবশ্যই হবে,’ মন্তব্য করেন ঢাবির এই শিক্ষক।

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, যারা ক্ষমতায় রয়েছে তারাও যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করে অবশ্যই উচ্চ আদালতের উচিত হবে, তাদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো।’

হংকংভিত্তিক এশিয়ান হিউম্যান রাইটস্ কমিশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘২০১৫ সালে গুমের যে সার্বিক পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে দেখা যায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার ক্ষেত্রে নানা রকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। ভুক্তভোগীরা মামলা করতে গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শন করা হয় অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ নেওয়া হয় না।’

“বরং ‘অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা অপহরণ করেছে’ এই শর্তেই মামলা করা হয় বা মামলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ন্যায় বিচার পাওয়া কোনোক্রমেই সম্ভব হয় না। ছয় বছর আগে যিনি গুম হয়েছেন, তার ক্ষেত্রেও যেমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত বা দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বিচারিক ব্যবস্থা গৃহীত হয়নি, সবশেষ ব্যক্তিটির ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা বিরাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটেই আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের গুমের ঘটনাগুলোর জন্য বিচারের পথ প্রশস্ত করে রেখেছে,” যোগ করেন তিনি।

মানবাধিকার কর্মী নূর খান দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক গুম ও অপহরণের ঘটনা ঘটে, সেখানে রাষ্ট্র কর্তৃকই ঘটে। রাষ্ট্র যখন তার গণতান্ত্রিক চরিত্র হারিয়ে ফেলে তখন বিচার বিভাগ, প্রশাসন, সেটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। তখন গণতন্ত্র সংকুচিত হয়। সে ক্ষেত্রে গুম-খুনের বিচার হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।’

তবে এ ব্যাপারে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।

দ্য রিপোর্টকে তিনি বলেন, ‘গুমের বিচার দেশীয় আইনেও রয়েছে। দণ্ডবিধিতেই শাস্তির কথা বলা আছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞা আলাদা। একজন গুম হলেই সেটি মানবতাবিরোধী অপরাধ বলার সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, কোনো রাষ্ট্রে শ’ শ’ মানুষকে যখন গুম করে হত্যা করা বা জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়, কেবল সেটি মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য। তখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের প্রয়োজন দেখা দেয়।

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও যদি কাউকে গুম করে তার প্রতিকার দেশের প্রচলিত আইনেই রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তবে প্রতিটা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত হওয়া দরকার। তাহলে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করা যাবে।’

সাবেক এই আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে যে সব গুমের ঘটনা ঘটছে, ভুক্তভোগীরা আদালতে আশ্রয় নিলে অবশ্যই বিচার পাবেন। ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যদের সর্বপ্রথম উচিৎ হবে থানায় মামলা করা। থানা মামলা না নিলে তারা আদালতে যেতে পারবেন। আদালতের দরজা সব সময় খোলা রয়েছে।’

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এ্যাডভোকেট দিলরুবা শারমিন দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘যে কেনো হত্যাকাণ্ডই মানবতাবিরোধী অপরাধ। সেটা জোরপূর্বক তুলে নিয়ে হোক আর আটকে রেখে হত্যা করা হোক। রোম সংবিধি অনুযায়ী রাষ্ট্র কর্তৃক গুম বা অপহরণ মানবতাবিরোধী অপরাধ। আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা গুম ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত, আমি আশা করব, সরকার তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করবে। তা করা হলে গুম অপহরণের মাত্রা অনেকাংশে কমবে।’

তবে গুম অপহরণের বিচার দেশের প্রচলিত আইনেও হওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

‘গুমের শাস্তি কী হবে, সেটি ফৌজদারি কার্যবিধি ও দণ্ডবিধিতেই উল্লেখ রয়েছে,’ যোগ করেন এই মানবাধিকার কর্মী।

রোম সংবিধি

রোম সংবিধিতে বলা হয়েছে, সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে এবং পরিকল্পিত আক্রমণের অংশ হিসেবে খুন, হত্যা, ধর্ষণ, যৌন দাসত্ব, জোরপূর্বক গুম করা মানবতাবিরোধী অপরাধ। এতে কোনো ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে অপরাধীদের সামাজিক অবস্থান, রাষ্ট্রীয়, ধর্মীয় বা সামাজিক পদমর্যাদা কোনো বাধা বলে গণ্য হবে না। তা সে কোনো রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান অথবা সংসদ সদস্য বা নির্বাচিত প্রতিনিধি বা সাধারণ নাগরিক হোক না কেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির পদমর্যাদার কারণে আদালত প্রদত্ত শাস্তির পরিমাণ কম বা বেশি করার সুযোগ নেই।

১৯৯৮ সালের ১৫ জুন থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ইতালির রোম নগরে বিশ্বের ১২০টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে কূটনীতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত সংবিধি (রোম সংবিধি) গৃহীত হয়। পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যকারিতা শুরু হয়।

এ ছাড়া ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর বিভিন্ন দেশের সাধারণ জনগণকে গুম থেকে সুরক্ষার জন্য ‘আন্তর্জাতিক গুম সনদ’ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে গৃহীত হয়। ইংরেজিতে যাকে বলা হয়- ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসন্স অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স।’ এ সনদেও গুম ও অপহরণকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রোম সংবিধি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ২০০৪ সালে প্রথম অপরাধের তদন্তে নামে। ওই বছর গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে সংস্থাটি। একই বছর মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা সংস্থাটিতে হস্তান্তর করা হয়। ২০০৭ সালে এর তদন্ত শুরু করা হয়। ২০০৫ সালে সুদান ও উগান্ডায় যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শুরু করে আইসিসি।

২০১০ সালে কেনিয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধ ও ২০১১ সালে আইভরিকোস্টে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শুরু করে আইসিসি। ২০১১ সালেই লিবিয়ায় যুদ্ধপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে সংস্থাটি।

আইসিসি এ পর্যন্ত ৩৬ জনকে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত করেছে। এদের মধ্যে রয়েছে উগান্ডার বিদ্রোহী নেতা জোশেফ কোনি, সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তা, লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফি ও আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট লরেন্ট জিবাগবো।

সম্প্রতি ফিলিস্তিন সংস্থাটির সদস্য হওয়ার পর ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক নথি জমা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক এ আদালতকে স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন রোম সংবিধিতে স্বাক্ষর করলেও পরবর্তী সময়ে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ তা প্রত্যাহার করে নেন।

এ আদালতে বিচারের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। তবে এর নিজস্ব কোনো বাহিনী না থাকায় অভিযুক্তদের ধরতে বা দণ্ড কার্যকর করতে পারে না। এ জন্য তারা সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র ও অপরাপর অন্যান্য রাষ্ট্রকে অভিযুক্তকে ধরতে আহ্বান জানায়।

২০১৪-১৫ সালের গুম

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুসারে ২০১৪ সালে ৮৮ জন এবং চলতি বছর ৩৬ জনকে গুম ও অপহরণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে এ তথ্য দেয় আসক।

২০১৪ সালে অপহরণ হওয়াদের মধ্যে পরে লাশ পাওয়া গেছে ২৩ জনের। ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ১২ জনকে। ডিবি কার্যালয়ে পাওয়া গেছে একজনকে। কারাগারে পাঠানো হয়েছে দু’জনকে এবং গ্রেফতার দেখানো হয়েছে একজনকে। বাকিদের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

আসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সালে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রদলের পাঁচজন করে অপহরণ ও গুম হয়েছেন। এ ছাড়া একজন করে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র, আইনজীবী, ইমাম, ইউপি মেম্বার, জামায়াত, যুবদলকর্মী, টোল আদায়কারী ও অটোরিকশাচালকের হদিস মেলেনি।

একই বছর গুম হয়েছেন ১৪ জন ব্যবসায়ী ও বিএনপির ১২ জন কর্মী। এ ছাড়া দু’জন করে ছাত্রশিবির ও আওয়ামী লীগ এবং শিক্ষক ও কৃষকও গুম হয়েছেন। গুম হয়েছেন ৯ জন চাকরিজীবী ও চারজন ছাত্র। এ ছাড়া গুম হওয়া ১৯ জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ৩৬ জন গুম হয়েছেন। পরবর্তীতে এদের মধ্যে লাশ পাওয়া গেছে দু’জনের এবং গ্রেফতার দেখানো হয়েছে তিনজনকে। গুম হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন— ব্যবসায়ী ৭, ছাত্র ১০, মুদি দোকানি ১, নারী ২, জামায়াতকর্মী ৪, চাকরিজীবী ২, যুবদলের ২, বিএনপির ১, পোশাকশ্রমিক ১ ও যুবলীগের ১ জন। এ ছাড়া পরিচয় জানা যায়নি পাঁচজনের।

গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদী লুনা দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘আমার স্বামী তিন বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সরকার তিন বছরেও তাকে খুঁজে বের করতে পারেননি। সরকার চাইলে তাকে খুঁজে বের করতে পারত।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার দুই-তিন মাস সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু এখন তারা কোনো ধরনের যোগাযোগ কিংবা সহযোগিতাও করে না।’

২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাতে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক আনসার আলী ঢাকার বনানী এলাকা থেকে ‘রহস্যজনকভাবে’ নিখোঁজ হন।

(দ্য ‍রিপোর্ট/এনএস/এএসটি/এইচএসএম/আরকে/আগস্ট ২৯, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

বিশেষ সংবাদ এর সর্বশেষ খবর

বিশেষ সংবাদ - এর সব খবর



রে