thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৭, ১২ বৈশাখ ১৪২৪,  ২৭ রজব ১৪৩৮

জাতিসংঘ সদর দফতরে ফিলিস্তিনী পতাকা

২০১৫ অক্টোবর ০৩ ০০:০১:৪১

ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানো হয়েছে জাতিসংঘের সদর দফতরে। নিউইয়র্কে গত বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর একটার দিকে এই পতাকা উত্তোলনের সময় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন উপস্থিত ছিলেন। বিপুলসংখ্যক কূটনীতিকের উপস্থিতিতে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের সময় আব্বাস এ ঘটনাকে শহীদ, জেলবন্দী, আহত ও পতাকা উত্তোলনের জন্য জীবন দেওয়া ফিলিস্তিনীদের উৎসর্গ করেন।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর নিজ সদর দফতরে ফিলিস্তিনী পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ। জাতিসংঘ সদর দফতরে ফিলিস্তিনী পতাকা উত্তোলনের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ১১৯টি ভোট পড়লেও এর বিপক্ষে ইসরাইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ৮টি দেশ ভোট দেয়।

জাতিসংঘের সদর দফতরে ফিলিস্তিনী পতাকা উত্তোলনকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য এক ধাপ অগ্রগতি হিসেবে দেখা যায়, এই পতাকা উত্তোলনের পক্ষে ভোটাভুটির ফলাফল দেখে। কারণ প্রস্তাবের পক্ষে ১১৯টি রাষ্ট্রের ভোট প্রমাণ করে বিশ্ব জনমতের বৃহৎ অংশই মনে করে ফিলিস্তিনীদের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র থাকা দরকার। আর তার বিপরীতে যে রাষ্ট্রগুলো ভোট দিয়েছে সংখ্যায় কম হলেও এটাও প্রমাণ হয় ফিলিস্তিনীদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এখনো অনেক দূরে।

তবে হ্যাঁ, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইসরাইলী সেনাবাহিনী যেভাবে ফিলিস্তিনী শিশু এবং মায়েদের খুন করেছে তাতে প্রথম বিশ্বের বিশেষ করে ইউরোপের অনেক দেশে যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে তা ইউরোপীয়দের কাছে ফিলিস্তিনী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিকে অনেক জোরালো করে তুলেছে। তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ইসরাইলীদের বর্ণবাদী চরিত্র। আর সে কারণেই তারা ইসরাইলী পণ্য বর্জনের মতো একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, ফিলিস্তিনীদের স্বাধীনতার আন্দোলন নিয়ে পৃথিবীব্যাপী এক নতুন সমীকরণ তৈরি হতে চলেছে। এগুলোকে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনী রাষ্ট্রের জন্মের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা যায়।

পাঠকের মতামত:

SMS Alert


রে