thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪,  ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

ঘুমিয়ে যেতে নেই মানা

২০১৫ অক্টোবর ০৩ ১৬:৪২:০৫
ঘুমিয়ে যেতে নেই মানা

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : দৌড়ঝাঁপ, লাফালাফি আর ঝাঁপাঝাঁপিতে পটু শিশুরা। তবে সবসময় তো এনার্জি সমান থাকে না। তাই ক্লান্ত হলে একটু জিরিয়ে বা ঘুমিয়ে নিতে কোনো দ্বিধা নেই তাদের। শিশুরা অনেকটা ব্যাটারির মতো; চার্জ থাকলে পাঙ্খা আর শেষ হলে অবসন্ন। নিচে শিশুদের এমন কিছু দেওয়া হল—

ঘুমের জন্য এটা কোনোভাবে আরামদায়ক অবস্থান হতে পারে না। এটা আপনার মনে হতে পারে। তা নিয়ে গবেষণার সময় নেই এই শিশুর। তাই পা উপরে আর মাথা নিচে দিয়ে ঘুমাতে কোনো কষ্ট হচ্ছে না তার।

ছবি দেখে মনে হতে পারে দুটি শিশু পাহাড়ে উঠার জন্য প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। কিন্তু পথে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে তারা। তাই সোফাতেই গভীর ঘুমে ব্যস্ত শিশু দু’টি।

হয়তো ‍এক রুম থেকে অন্য রুমে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সে। কিন্তু যাওয়ার সময় ঘুম এসে ভর করেছে তার চোখে। তাই সোফার পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই ঘুমাচ্ছে শিশুটি।

প্রিয় কুকুরের সঙ্গে খেলা করছিল শিশুটি। ঘুম আসায় খেলা বন্ধ। তাই কখন যে কুকুরটিকে নিজের শোয়ার বিছানা বানিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে তা শিশুটিরও জানা নেই!

কীভাবে সম্ভব তা এই শিশুই বলতে পারে। নইলে কমোডে এত আরামদায়ক ঘুম। তাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা বা বিরক্তিও নেই তার!

ঘুমের মধ্যে কখন যে নিজের পা বাবার কাঁধে এসে পড়েছে তা জানা নেই শিশুটির। তাতে আপত্তিও নেই তার। আর এ জন্য ঘুমে ব্যাঘাত হচ্ছে না এই শিশুটির।

সুখী পরিবার কাকে বলে? সোফায় শুয়ে থাকা শিশুদের দেখলেই তা স্পষ্ট বুঝা যায়।

হয়তো বসে বসে প্রিয় চকটেল খাচ্ছিল শিশুটি। কতক্ষণ আর তা করা যায় পরে শুয়ে শুয়ে খাচ্ছিল চকলেট। হঠাৎ ক্লান্ত হয়ে পড়ায় ঘুমিয়ে নিচ্ছে সে।

বাবা-মা হয়তো খুঁজে খুঁজে হয়রান। কিন্তু তা নিয়ে মোটেই ভাবছে না এই শিশু। তাই খাটের নিচে কার্পেটেই ঘুমিয়ে পড়েছে মহানন্দে!

খুবই স্মার্ট গার্ল। বিমানবন্দরে হাঁটতে হাঁটতে হয়তো ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তাই ব্যাগের উপরই ঘুমিয়ে একটু জিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিশুটি!

(দ্য রিপোর্ট/সিজি/এইচএসএম/সা/অক্টোবর ০৩, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

ফিচার এর সর্বশেষ খবর

ফিচার - এর সব খবর



রে