thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪,  ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

রাজন হত্যা : মাসহ ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

২০১৫ অক্টোবর ০৪ ১৮:৩০:২৩
রাজন হত্যা : মাসহ ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

সিলেট অফিস : সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন (১৩) হত্যা মামলায় আরও ৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সিলেট মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে রবিবার সকাল ১১টায় রাজনের মা লুবনা বেগমের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার বাদী এসএমপি’র জালালাবাদ থানার সাময়িক বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম ও রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান প্রথম দিন সাক্ষ্য দেন।

সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এ্যাডভোকেট মফুর আলী দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এদিন শিশু রাজনের মা লুবনা বেগম ছাড়াও জিয়াউল হক, মাসুক মিয়া ও আল আমিন সাক্ষ্য দেন। এ সময় আদালতে মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৩ আসামির মধ্যে ১০ জন উপস্থিত ছিলেন। সৌদি আরবে আটক মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলামসহ ৩ জন পলাতক রয়েছেন।

গত ২২ সেপ্টেম্বর একই আদালতে চাঞ্চল্যকর এ মামলায় সৌদি আরবে আটক কামরুলসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় চার্জ গঠন হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১, ৪, ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর টানা ৯টি তারিখ ধার্য করেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় রবিবার দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জুলাই চোর অপবাদ দিয়ে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনকে (১৩) নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয় নির্যাতনকারীরা। প্রায় ২৮ মিনিটের ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। নিহত রাজন সদর উপজেলার কান্দিরগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে।

গত ১৬ আগস্ট ১৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট মহানগর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার। এ মামলার অভিযুক্তরা হলেন— সিলেট সদর উপজেলার কুমারগাঁও শেখপাড়ার মৃত আবদুল মালেকের ছেলে সৌদি আরবে আটক কামরুল ইসলাম, তার সহোদর মুহিত আলম ওরফে মুহিত আলম, আলী হায়দার ওরফে আলী ও শামীম আলম, দিরাইয়ের বাসিন্দা পাভেল ইসলাম, চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়না, জালালাবাদ থানার টুকেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব জাঙ্গাইল গ্রামের মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের ছেলে ভিডিওচিত্র ধারণকারী নূর আহমদ ওরফে নূর মিয়া, দুলাল আহমদ, আয়াজ আলী, তাজ উদ্দিন বাদল, ফিরোজ মিয়া, আছমত আলী ওরফে আছমত উল্লাহ ও রুহুল আমিন ওরফে রুহেল।

তাদের মধ্যে সৌদি আরবে আটক কামরুল ইসলাম, শামীম আলম ও পাভেল ইসলামকে চার্জশিটে পলাতক দেখানো হয়েছে। এর আগে মুহিত আলমসহ ৮ জন এ ঘটনায় আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।

গত ২৪ আগস্ট এ মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। গত ২৫ আগস্ট এসএমপি’র জালালাবাদ থানা পুলিশ ৩ পলাতক আসামির মালামাল ক্রোক করে। আলোচিত এ মামলায় গাফিলতির অভিযোগে এসএমপি’র জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আলমগীর হোসেন, মামলার বাদী উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

(দ্য রিপোর্ট/এসবি/সা/অক্টোবর ০৪, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর

জেলার খবর - এর সব খবর



রে