thereport24.com
ঢাকা, সোমবার, ২৬ জুন ২০১৭, ১২ আষাঢ় ১৪২৪,  0 অক্টোবর ১৪৩৮

বিপিএল : ৩১ অক্টোবর ‘প্লেয়ার বাই চয়েস’!

২০১৫ অক্টোবর ০৫ ১৯:৫৮:৪৫
বিপিএল : ৩১ অক্টোবর ‘প্লেয়ার বাই চয়েস’!

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসর আগামী নভেম্বরে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০ নভেম্বর পর্দা উঠবে ঘরোয়া ক্রিকেটের টোয়েন্টি২০ এই আসরটির। এই আসরকে কেন্দ্র করে সোমবার একমি ভবনে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে প্লেয়ার বাই চয়েসের তারিখ, ক্রিকেটারদের পেমেন্ট কাঠামোসহ আরও নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলোকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে মানা যাচ্ছে না এখনই। কেননা, আগামী বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই সোমবারের বৈঠকের বিষয়গুলো অনুমোদিত হবে। বোর্ড সভাতে বিপিএলের জন্য একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হবে। যে কমিটি বিপিএল সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এ প্রসঙ্গে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আফজালুর রহমান সিনহা সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আজকে (সোমবার) আমরা কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। চলতি মাসের ৭ তারিখের বোর্ড সভায় এগুলো অনুমোদন করা হবে। তারপর আমরা আপনাদের জানাব। আগামী ৩১ অক্টোবর খেলোয়াড়দের লটারি (প্লেয়ার বাই চয়েস) আয়োজন করার একটা সম্ভাবনা আছে।’

সভাতে দেশী-বিদেশী খেলোয়াড়দের ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ক্যাটাগরি অনুযায়ী দামও নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও দেশী এবং বিদেশী ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম জানিয়েছেন তারা। বিদেশী খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ দাম ৭০ হাজার মার্কিন ডলার, সর্বনিম্ন ৩০ হাজার ডলার। স্থানীয় খেলোয়াড়দের দাম সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ, সর্বনিম্ন ৫ লাখ টাকা। এমটাই সোমবার জানিয়েছেন বিপিএল গভির্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।

অস্ট্রেলিয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা প্রমীলা ক্রিকেট দলও সিরিজ স্থগিত করেছে নিরাপত্তার অজুহাতে। বিপিএলে এই শংঙ্কা পড়বে কিনা— এমন প্রশ্নে সরব হয়ে উঠছেন বিসিবির ডেভল্যাপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেছেন, ‘কোনো শঙ্কার কারণে নয়; শ্রীলঙ্কা নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়া ব্যস্ত থাকবে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা আছে আর ভারত তো খেলোয়াড় দেয়-ই না। এই ৪টি দেশ বাদে বেশিরভাগ দেশের খেলোয়াড়ই আমরা পাব। কোনো শঙ্কার কারণে নয়; ওদের ব্যস্ততার কারণেই ওদেরকে পাব না। তবে বিপিএলের শেষ দিকে যদি কেউ অবসরে থাকে, তাহলে হয়তো আমরা কাউকে পেতে পারি।’

এ প্রসঙ্গে বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বিপিএলে বিদেশী খেলোয়াড় না পাওয়া নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। আমরা যাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, তাদের কাছ থেকে যেভাবে সাড়া পাচ্ছি, তাতে পরিস্থিতি নরমাল।’

বিপিএলের ৬ দলে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ১ জন করে খেলোয়াড় সংযোজন করার চিন্তা ভাবনা করছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এ প্রসঙ্গে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, ‘প্রতিটি দলে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ২ জন করে খেলোয়াড় দেওয়ার কথা চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু ওদের খেলা আছে, সিরিজ আছে। তারপরও ওরা ফ্রি থাকলে প্রতিটি দলে অন্তত ১ জন করে যুব দলের খেলোয়াড়দের দিব।’

আগামী ৭ অক্টোবর বোর্ড সভাতে আলোচ্য সূচিগুলো হল— লটারির তারিখ, টিকিটের মূল্য, বিদেশী খেলোয়াড়দের মূল্য এবং গ্রেড, দেশী ক্রিকেটারদের মূল্য ও গ্রেড এবং টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সুপারিশ।

(দ্য রিপোর্ট/আরআই/জেডটি/সা/অক্টোবর ০৫, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

ক্রিকেট এর সর্বশেষ খবর

ক্রিকেট - এর সব খবর



রে