thereport24.com
ঢাকা, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭, ১১ চৈত্র ১৪২৩,  ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
রানা হানিফ

দ্য রিপোর্ট

নিশ্চিত রাজস্ব হারাচ্ছে সিটি করপোরেশন-৩

গাড়ি পার্কিংয়ের বৈধ ব্যবস্থাপনা হতে পারে রাজস্বের বড় খাত

২০১৫ অক্টোবর ০৫ ২২:০৬:৩৭
গাড়ি পার্কিংয়ের বৈধ ব্যবস্থাপনা হতে পারে রাজস্বের বড় খাত

রাজধানীতে ব্যক্তিগত গাড়ি (প্রাইভেটকার) ও অন্যান্য পরিবহনের অপরিকল্পিত ও যত্রতত্র অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীতে সিটি করপোরেশনের গাড়ি পার্কিং একাধিক স্থানে ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় একাধিক সিন্ডিকেট এলাকাগুলোতে অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ করছে।

অবশ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত বিশ্বের মতো রাজধানীর বিশেষ বিশেষ এলাকায় রাস্তার দুই পাশে ও সুবিধা মতো স্থানে পরিকল্পিত পার্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে যানজট নিরসনের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনেরও আয়ের একটা উৎস হতে পারে। তাদের মতে, শুধুমাত্র সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই সিটি করপোরেশন এই রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ২০১৫ সালের আগস্ট মাসের হিসাব অনুযায়ী রাজধানীতে মোট নিবন্ধিত যান্ত্রিক পরিবহনের সংখ্যা ৯ লাখ ১৩ হাজার ৬২২টি। যার মধ্যে বাস ২৩ হাজার ১১৯টি ও ১০ হাজার ৭টি মিনি বাস সরাসরি গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

অন্যদিকে সরকারি এই সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী রাজধানীতে চলাচলকারী প্রাইভেটকারের সংখ্যা ২ লাখ ১৬ হাজার ৭২২টি, মাইক্রোবাসের সংখ্যা ৬১ হাজার ২৬৩টি, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার ব্যবহৃত জীপের সংখ্যা ২৭ হাজার ৯১টি। এ সব যানবাহন সরাসরি গণপরিবহন হিসেবে বিবেচিত হয় না।

২০০৪ সালে প্রাইভেটকার নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৭৩৪টি, ২০০৫ সালে ৫ হাজার ৬৩৩টি, ২০০৬ সালে ৭ হাজার ৪০৩টি, ২০০৭ সালে ১০ হাজার ২৪৪টি, ২০০৮ সালে ১৩ হাজার ৭৪৯টি, ২০০৯ সালে ১৭ হাজার ৬৫৪টি, ২০১০ সালে ১৯ হাজার ৫৫৭টি, ২০১১ সালে ১১ হাজার ৪২৩টি, ২০১২ সালে ৮ হাজার ১৮৭টি, ২০১৩ পর্যন্ত ৯ হাজার ২৩১টি, ২০১৪ সালে ১২ হাজার ৯৭২টি ও ২০১৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১১ হাজার ৯০৫টি। প্রাইভেট পরিবহন হিসেবে বিবেচিত যানবাহনের নিবন্ধনের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, প্রতি মাসে গড়ে দেড় হাজার করে ব্যক্তিগত যানবাহন রাজধানীতে যোগ হচ্ছে।

বিপুলসংখ্যক যানবাহন রাজধানীতে প্রতিনিয়ত প্রবেশ করলেও পার্কিংয়ের তেমন কোনো সুবিধা বাড়ছে না। রাজধানীর জনবহুল কয়েকটি স্থানে সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ বাণিজ্যিক ভবনেই গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা রাখা হয়নি। রাজধানীর ধানমণ্ডি আবাসিক এলাকার সাত মসজিদ রোডের দুই পাশে আবাসিক প্লটে গড়ে উঠেছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তবে অধিকাংশ ভবনেরই নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা নেই। এই রোডে বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থাকলেও এ সব ভবনের কোনো পার্কিং সুবিধা রাখা হয়নি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে, এশিয়া প্যাসেফিক ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির মতো বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ক্যাম্পাস থাকলেও তাদের নিজস্ব কোনো পার্কিং ব্যবস্থা রাখা হয়নি। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল থাকলেও সেগুলোরও নিজস্ব কোনো পার্কিং ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

অন্যদিকে রাজধানীর ব্যস্ততম দিলকুশা-মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকাকে ‘ব্যাংকপাড়া’ বলা হয়। অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও বীমার প্রধান কার্যালয় রয়েছে এই এলাকায়। রয়েছে একাধিক ব্যবসায়িক চেম্বার ও ফেডারেশনের কার্যালয়। তবে অধিকাংশ ভবনেরই নেই নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা। এমনকি সরকারি ব্যাংকগুলো প্রধান কার্যালয়ের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংকের নিজস্ব ভবনের বেজমেন্টে কোনো পার্কিং সুবিধা রাখা হয়নি। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের, দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই), মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এমসিসিআই)-সহ অন্যান্য বেসরকারি ভবনের নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা নেই।

রাজউকের দেওয়া তথ্যানুয়ায়ী ঢাকা মহানগর ইমারত(নির্মাণ, উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও অপসারণ)বিধিমালা- ২০০৮ প্রণয়নের পূর্বে যে সব বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে সেগুলোর বেসমেন্টে পার্কিং ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক ছিল না। যে কারণে মতিঝিল-দিলকুশা এলাকার প্রায় ৯০ ভাগ ভবনেরই পার্কিং সুবিধা নেই। ফলে এ সব ভবনের অবস্থিত সরকারি-বেসরকারি অফিসের প্রাইভেটকারগুলোকে রাস্তার দু’পাশে অবৈধভাবে পার্কিং করতে হচ্ছে। এই সুযোগে ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকাটিতে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ কার পার্কিংয়ের ব্যবসা। অবশ্য মতিঝিলের সিটি সেন্টার ও ৩৭ দিলকুশার সানমুন স্টার টাওয়ার, গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কার পার্কিং সুবিধা থাকলেও তা জনপ্রিয়তা পায়নি। অন্যদিকে দিলকুশা-মতিঝিলের সড়কগুলোর দুই পাশে অবৈধভাবে পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। আর এই অবৈধ পার্কিংকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার ব্যবসা করছে রাজনৈতিক একটি সিন্ডিকেট।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) উন্নয়ন বিভাগের সদস্য নাঈম আহমেদ খান দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘শুধুমাত্র মতিঝিল-দিলকুশা নয়, রাজধানীর যে সব ভবন ১৯৮৪ সালের আগে নির্মিত হয়েছে সেগুলোর কোনোটিতে বেজমেন্টে পার্কিং সুবিধা নেই। পরবর্তীকালে কিছু ভবনে পার্কিং ব্যবস্থা থাকলেও তা বাধ্যতামূলক ছিল না। ২০০৮ সালে ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা প্রণয়নের পর সকল আবাসিক ও বাণিজ্যিক বহুতল ভবন নির্মাণের সময় বেজমেন্টে পার্কিং ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু মতিঝিল-দিলকুশা বা ধানমণ্ডি, কারওয়ান বাজারের মতো এলাকায় যত ভবন হয়েছে তার অধিকাংশই হয়েছে এই বিধিমালা প্রণয়নের আগে। তাই এখন এ সব ভবনে নতুন করে পার্কিং সুবিধার ব্যবস্থা করা সম্ভব না।’

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘সরকার দলের রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় ও স্থানীয় কয়েকজন কাউন্সিলরের নেতৃত্বে মতিঝিল-দিলকুশা এলাকার অবৈধ কার পার্কিংয়ের ব্যবসা গড়ে উঠেছে। আর এ সব অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদের ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশও আমাদের যথাযথ সহায়তা করছে না।’

রাজধানীর সড়কগুলোতে অপরিকল্পিত ও অবৈধ পার্কিং ব্যবস্থাকে সিটি করপোরেশন নিজেদের তত্ত্বাধায়নে নিয়ে এলে যানজট সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা সম্ভব বলে মত দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদেরা। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন এ্যালাইনমেন্টে রাস্তার দুই পাশে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করলে যানজট সমস্যা দূর হবে। পাশাপাশি পার্কিং চার্জ বাবদ রাজস্বও সিটি করপোরেশনের তহবিলে জমা পড়বে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও নগর পরিবহন পরিকল্পনাবিদ মোসলেহ উদ্দিন হাসান দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে বিশেষ করে— আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্সের মতো দেশেও সব ভবনে পার্কিং সুবিধা নেই। কিন্তু তারপরও তারা পরিবহন ও পার্কিং ব্যবস্থাটাকে পরিকল্পনার মাধ্যমে সুশৃঙ্খল করেছে। সেখানেও রাস্তার দুই পাশে কার পার্কিং করা হয়। কিন্তু সেটা যত্রতত্রভাবে না। স্থানীয় প্রশাসন বিশেষ করে সিটি গভর্মেন্টের অধীনে ট্রাফিক বিভাগ সেটা পরিচালনা করে থাকে। রাস্তার দুই পাশে বিভিন্ন এ্যালাইনমেন্টে এ সব পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। নির্ধারিত ফিসের মাধ্যমে সেখানে গাড়ি পার্ক করা হয়।’

মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘রাজধানীতে যত্রতত্র কার পার্কিংটা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। পার্কিংয়ের অন্যকোনো ব্যবস্থা নেয় এমন অজুহাতে এ সব অবৈধ পার্কিংকে নেগলেট করা হচ্ছে। এই সুযোগে একটি বিশেষ মহল এখন থেকে এক প্রকার চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিশাল বাণিজ্য তৈরী করেছে। কোনো প্রাইভেটকারের মালিক বলতে পারবে না, বিনা টাকায় কেউ রাজধানীর কোথাও তার গাড়ি পার্ক করতে পেরেছেন। ঘণ্টায় সর্বনিম্ন ৫ টাকা থেকে শুরু করে এলাকাভিত্তিক এ সব রাজনৈতিক সিন্ডিকেট ৫০ টাকা পর্যন্ত পার্কিং চার্জ আদায় করছে। অথচ সিটি করপোরেশন চাইলেই এ সব অবৈধ পার্কিং ব্যবস্থাকে পরিকল্পনার মাধ্যমে নিজেদের তত্ত্বাবধায়নে আনতে পারে। তারা যদি এ সব পার্কিং ব্যবস্থা পরিচালনা করতে এই মুহূর্তে সক্ষম না থাকে তাহলে পার্কিংয়ের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দিয়ে ইজারাও দিতে পারে। আমার জানা মতে, রাজধানীতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠার সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে ইজারার মাধ্যমে রাস্তায় পার্কিং করার অনুমতি নিয়েছে।’

ওয়ার্ল্ড ফর বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের এ্যাডভোকেসি কর্মকর্তা ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ মাহরুফ রহমান দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘বিআরটিএ’র হিসাব অনুযায়ী রাজধানীতে নিবন্ধিত প্রাইভেটেকার, জীপ, মাইক্রোবাস মিলে যদি ৩ লাখ। প্রতিদিন যদি এর অর্ধেক দেড় লাখ গাড়িও যদি রাস্তায় বের হয় এবং দিনে সর্বোচ্চ তিন ঘণ্টা করেও অবৈধভাবে রাস্তার পাশে পার্কিংয়ে থাকে তাহলে ঘণ্টায় সর্বনিম্ন ৫ টাকা করে হলেও দিনে ২০ লাখ টাকার অধিক রাজস্ব আদায় সম্ভব। ওই হিসাবে বছরে ৮০ কোটি টাকার অধিক এই খাত থেকে রাজস্ব আদায় করা সম্ভব। শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত নিলেই এটা সম্ভব হবে। মজার বিষয় হল, সিটি করপোরেশন বলছে— এগুলো অবৈধ। তারা অবৈধ বললেও আবার এ সব অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ করতেও ব্যর্থ। তাহলে অবৈধকে বৈধতা দিয়ে পরিকল্পনার মধ্যে আনলেও তো তাদের আয় বাড়বে। আমি বলতে পারি সিটি করপোরেশন সিদ্ধান্ত নিলে এই খাতটি রাজস্ব আদায়ের অন্যতম প্রধান খাত হতে পারে।’

তবে আপাতত অবৈধ পার্কিংকে বৈধতা দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা সিটি করপোরেশনের নেই বলে জানিয়েছে দুই করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগ। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগের প্রধান মো. মমতাজ উদ্দিন দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘রাস্তার দুই পাশে পার্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের ব্যাপারে সিটি করপোরেশন এখনো কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি। এটা নীতি-নির্ধারণীর বিষয়। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে এ ধরনেরও কোনো আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।’

একই কথা বলেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগের প্রধান মো. মোস্তফা কামাল। তিনি দ্য রিপোর্টকে বলেছেন, ‘বিষয়টা নিয়ে বেশ কয়েকজন নগর পরিকল্পনাবিদ আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এ সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সিটি করপোরেশনের আইনে কী আছে তা-ও দেখতে হবে। তা ছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থাটা সিটি করপোরেশন দেখে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ বিষয়গুলো দেখভাল করে। আবার ভবনের অনুমোদন দেয় রাজউক, তাদের সঙ্গেও বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে আপাতত এ ধরনের কোনো উদ্যোগ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি।’

(দ্য রিপোর্ট/আরএইচ/আইজেকে/সা/অক্টোবর ০৫, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

বিশেষ সংবাদ এর সর্বশেষ খবর

বিশেষ সংবাদ - এর সব খবর



রে