thereport24.com
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪,  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

ইন্টারনেট ব্যবহারে এগিয়ে বাংলাদেশ

২০১৫ অক্টোবর ০৬ ১৯:১৪:৪৩
ইন্টারনেট ব্যবহারে এগিয়ে বাংলাদেশ

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : মোবাইলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্থানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। মোবাইলে ব্রডব্যান্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বের ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম। অন্যদিকে ভারত ১৫৫তম ও পাকিস্থান ১৫৬তম অবস্থানে রয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সচিব মো. সরওয়ার আলম স্বাক্ষরিত মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্রডব্যান্ড কমিশনের প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জনে তারযুক্ত ফিক্সড/ব্রডব্যন্ড ইন্টারনেট ব্যবহারে গত বছরের চেয়ে ৪ ধাপ এগিয়েছে। এতে বাংলাদেশ ১৩২ অবস্থানে উঠে এসেছে। এ সূচকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্থান (১৩৫), নেপাল (১৩৯), মিয়ানমার (১৫১), আফগানিস্থানসহ (১৮৫) মোট ৫৭টি দেশের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ।

আইটিইউ ও ইউনেসকো প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অব ব্রডব্যান্ড ২০১৫’ শীর্ষক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডিজিটাল উন্নয়নের জন্য জাতিসংগের ব্রডব্যান্ড কমিশনের সাম্প্রতিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ব্রডব্যান্ড পরিস্থিতি নিয়ে ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই প্রতিবেদন অনুসারে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাসা বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগের হিসেবে বাংলাদেশর অবস্থান ১০১তম এবং এর হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ, যা ২০০৪ সালে ছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারের হার ৯ দশমিক ৬। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬২। ১৪৪টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম। ৪৮টি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২২তম।

ব্রডব্যান্ড কমিশনের এই প্রতিবেদন মূলত ২০১৪ সালের তথ্য থেকে প্রস্তুত করা হয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার আশাব্যঞ্জক হারে বাড়ছে। বর্তমানে (আগস্ট ২০১৫) দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ২২ লাখ। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ৭ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩২%। বাংলাদেশে থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর পর মোবাইলে ব্রডব্যন্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত দ্রুত বাড়ছে। কমিশনের প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইন্টারনেট গ্রহক গত কয়েক বছরে যেমন ২০০২ সালে ৭০ হাজার, ২০০৪ সালে ১ লাখ, ২০০৯ সালে ৭০ লাখ, ২০১১ সালে ২ কোটি, ২০১৩ সালের জুলাই মাসে ৩ কোটি ৬০ লাখে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বের ৫৬টি দেশে এখনো জাতীয় ব্রডব্যন্ড নীতিমালা প্রণয়ন করা না হলেও ২০০৯ সালে বাংলাদেশে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে এটি আরও যুগোপযোগী করে নতুন ব্রডব্যন্ড নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মানুষের প্রয়োজনীয় নানা বিষয়ে ইন্টারনেটের সংযোগ থাকার কারণে মানুষ বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। সরকার ব্রডব্যান্ডের দাম কমিয়েছে। এতে ব্যক্তি পর্যায়েও দাম ধাপে ধাপে কমে আসছে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে।

(দ্য রিপোর্ট/এইচবিএস/এমডি/আরকে/অক্টোবর ০৬, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর সর্বশেষ খবর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - এর সব খবর



রে