thereport24.com
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫,  ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

গাইবান্ধা হানাদার মুক্ত দিবস সোমবার

২০১৫ ডিসেম্বর ০৭ ১৬:১১:২৬
গাইবান্ধা হানাদার মুক্ত দিবস সোমবার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে ৯ মাস যুদ্ধ করে ৭ ডিসেম্বর মুক্ত হয় গাইবান্ধা জেলা। তাই এ দিনটি গাইবান্ধা হানাদার মুক্ত দিবস। এই দিনে লড়াইয়ের পর বিজয়ের আনন্দে ফেটে পড়ে গাইবান্ধার মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ।

গাইবান্ধা হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে ৭ ডিসেম্বর সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ র‌্যালি ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

’৭১-এর এই দিনে কোম্পানি কমান্ডার বীরপ্রতীক মাহবুব এলাহী রঞ্জুর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের কালাসোনার চর থেকে বালাসীঘাট হয়ে গাইবান্ধা শহরে প্রবেশ করে। এদিকে, তাদের আগমনের সংবাদ পেয়ে আগের রাতেই গাইবান্ধা শহরের স্টেডিয়ামে অবস্থিত পাক সেনা ক্যাম্পের সৈনিকরা তাদের তল্পিতল্পা গুটিয়ে রংপুর ক্যান্টনমেন্টের উদ্দেশে পালিয়ে যায়। ফলে বর্তমান স্বাধীনতা প্রাঙ্গণ ও তৎকালীন এসডিও মাঠে মুক্তিযোদ্ধা-জনতার মিলনমেলায় পরিণত হয়।

গাইবান্ধার যুদ্ধগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— বাদিয়াখালীর যুদ্ধ, হরিপুর অপারেশন, কোদালকাটির যুদ্ধ, রসুলপুর স্লুইসগেট আক্রমণ, নান্দিনার যুদ্ধ ও কালাসোনার যুদ্ধ।

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো গাইবান্ধাতেও মুক্তিযোদ্ধা এবং পাকিস্তানি সেনাদের লড়াই অব্যাহত থাকে। এক পর্যায়ে ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা খবর পান পাকিস্তানি সেনারা গাইবান্ধা ছেড়ে চলে গেছে। ৬ ডিসেম্বর সকালে ভারতীয় বিমান বাহিনীর দু’টি বিমান গাইবান্ধা রেলস্টেশনের পাশে বোমা ফেলে ও বিকেলে ট্যাংক নিয়ে মিত্রবাহিনী প্রবেশ করে শহরে। এরপর ৭ ডিসেম্বর কোম্পানি কমান্ডার বীরপ্রতীক মাহবুব এলাহী রঞ্জুর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের কালাসোনার চর থেকে বালাসীঘাট হয়ে গাইবান্ধা শহরে প্রবেশ করে। হানাদার মুক্ত হয় গাইবান্ধা।

(দ্য রিপোর্ট/এএ/আসা/সা/ডিসেম্বর ০৭, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর

জেলার খবর - এর সব খবর