thereport24.com
ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫,  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বর্ষবরণ উৎসবে মেতেছে সারাদেশ

২০১৬ এপ্রিল ১৪ ১৮:১২:৫৩
বর্ষবরণ উৎসবে মেতেছে সারাদেশ

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : পুরাতন বছরের জরাজীর্ণ ভুলে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উৎসবে মেতেছে সমগ্র দেশ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে উদযাপন করা হয়েছে পহেলা বৈশাখ। বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সূর্যদোয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা নতুন বছর ১৪২৩ বরণ করে নিতে উৎসবে মেতে ওঠেন উৎসবপ্রিয় মানুষগুলো।

বরাবরের মতো নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে গান ও কবিতার মূর্চ্ছনায় বিমোহিত হয়ে উঠে রাজধানী ঢাকার রমনা বটমূল। ছায়ানটের শিল্পীরা পরিবেশন করেন লালন, রবীন্দ্র, নজরুলসহ দেশের মরমী শিল্পীদের গান। পাশাপাশি পাঠ করা হয় কবিতা।

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রমনার বটমূলে নামতে থাকে জনতার ঢল। রমনার পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিল নতুন বছরকে বরণ করে নিতে নানা আয়োজন। বাঙালীর প্রাণের এই সার্বজনীন উৎসব উদযাপন শুধু রাজধানীতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নতুন সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র দেশজুড়ে উদযাপিত হয় পহেলা বৈশাখ।

চট্টগ্রাম : সকালে সূর্যদোয়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উৎসবে মেতে উঠে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের উৎসবপ্রিয় মানুষগুলো। হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় নগরীর সিআরবি শিরিষতলা, ডিসিহিল, ফয়েসলেক, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকাগুলো লোকে লোকারণ্য হয়ে উঠে।

সিআরবি শিরিষ তলা ও ডিসি হিলে সকাল থেকে মুখরিত হয়ে উঠে মনমাতানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। সকাল ৮ টায় শুরু হয় বৈশাখী অনুষ্ঠানমালা। নৃত্য, যন্ত্র সংগীত ও মন মাতানো গান পরিবেশন করেছে স্থানীয় বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী।

খুলনা : নতুন সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যিক নগরী খুলনা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণের আমতলায় উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর গানে গানে শুরু হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। এরপর সকাল সাড়ে ৭টায় নগরীর শিববাড়ী মোড় থেকে শুরু হয় বর্ণিল শোভাযাত্রা।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় অংশনেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ, খুলনা প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, খুলনা শিল্প ও বণিক সমিতির সহসভাপতি আইনজীবী সাইফুল ইসলামসহ সর্বস্তরের নারী পুরুষ।

রংপুর : রংপুর টাউন হল থেকে সকালে রংপুর জেলা প্রশাসন ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে অংশ নেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ, রংপুর জেলা প্রশাসক মো. রাহাত আনোয়ার, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রাজ্জাক বিপিএম, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাসহ সর্বস্তরের মানুষ। শোভাযাত্রাটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার টাউন হলে এসে শেষ হয়।

সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যানারে বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের শিল্পীরা এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

পাশাপাশি রংপুর বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন রংপুর জিলা স্কুলের বটতলায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. রাহাত আনোয়ারসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এদে অংশ নেন।

বরিশাল : বরিশালে নানা আয়োজন আর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাঙালির সার্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ। বৃহস্পতিবারের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকালে প্রভাতী অনুষ্ঠানে এসো হে বৈশাখ এসো এসো, এই গান পরিবেশনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় বর্ষ বরণের উৎসব।

সকাল ৮টায় সিটি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করে চারুকলা বরিশাল। মায়ের কোলে শিশু, মঙ্গল সড়া, বাঘ, কুমির, ষাঁড়, ঘোড়া নানা প্রতিকৃতি ছিল এই শোভাযাত্রায়। এরপরই উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ও বরিশাল নাটকের আয়োজনে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এই শোভাযাটি ব্রজমোহন বিদ্যালয় মাঠ থেকে যাত্রা শুরু করে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

বাংলা বছর ১৪২৩ বরণের জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা প্রশাসন, খেলাঘর, প্রান্তিক সংগীত বিদ্যালয়, চাঁদের হাটসহ বিভিন্ন সংগঠন নানাবিধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এছাড়া উদীচীর আয়োজনে বিএম স্কুল মাঠে ও চাঁদের হাটের আয়োজনে আমানতগঞ্জ টিবি হাসপাতাল মাঠে তিন দিনের বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও : আইনশৃংখলা বাহিনীর কড়া নজরদারি আর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যদিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে উদযাপিত হয়েছে পহেলা বৈশাখ। সূর্যদোয়ের আগেই ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন নিক্কন সঙ্গীত বিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারো আয়োজন করে প্রভাতী অনুষ্ঠান।

শহরের জজকোর্ট বটমুল চত্বরে প্রভাতী অনুষ্ঠানে নিক্কন সঙ্গীত বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা পরিবেশন করে। এছাড়াও নিয়মিত ব্যায়াম, পরিমিত আহার এই শ্লোগান নিয়ে ভোরের সাথী নামে একটি সংগঠন প্রভাতী র‌্যালি বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শেরপুর : শহরের শহীদ দারোগালি পৌর পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় শেরপুরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। জাতীয় সংসদের হুইপ ও সদর আসনের সাংসদ মো. আতিউর রহমান আতিকের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় দেশীর ঐতিহ্যবাহী পালকি ও বিভিন্ন মুখোশ পরে শিক্ষার্থীরা নেচে-গেয়ে পহেলা বৈশাখকে বরণ করে নেয়। পরে র‌্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা প্রশাসক ডা. এএম পাভেজ রহিমের সৌজন্যে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারী সকলকে দই-চিড়া দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। শোভাযাত্রার পাশপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রাম পর্যায় দেশী বিভিন্ন খেলা, ঘুড়ি উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পাবনা : বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা ১ মিনিটে পাবনা প্রেসক্লাব আয়োজন করা হয় বৈশাখ বরণ উৎসব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো। বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আল নকীব চৌধুরী।

এরপর সকাল আটটায় বাদ্য-বাজনাসহ গ্রামীণ সাজে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করে জেলা প্রশাসন, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নাট্য সংগঠন পাবনা ড্রামা সার্কেলসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এছাড়া স্কয়ারের ব্যবস্থাপনায় শহরে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। পরে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ‘রুচী বৈশাখী উৎসব’ শীর্ষক কনসার্ট। এছাড়াও জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।

নওগাঁ : সকাল ৯টায় শহরের পুরাতন কালেক্টরেট ভবন হতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। জেলা প্রশাসক ড. আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এ সময় পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বিপিএম, পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ.ত.ম আব্দুল্লাহ হিল বাকী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাজেদা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিরুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার হারুন অর রশিদ, সদর উপজেলা কমান্ড মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সামাদানি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান আলীসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি পুরাতন কালেক্টরেট ভবনে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় গরুর গাড়ি, পালকিসহ বিভিন্ন ধরনের গ্রামীণ ঐতিহ্যের তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়াও শহরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিক-সাংস্কৃতি সংগঠনগুলো পৃথক পৃথক র‌্যালি বের করে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়।

মাগুরা : মাগুরায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভযাত্রা বের হয়। শহরের নোমানী ময়দানে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী মেলা শুরু হয়েছে। দুপুরে মাগুরা প্রেসক্লাবে জেলার সকল সাংবাদিকদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া থিয়েটার ইউনিট, উদীচী, রবীন্দ্র সম্মিলন পরিষদ, জাসদ, পাঠশালাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক র‌্যালি, পান্তা ইলিশসহ নানা আয়োজনে নববর্ষ পালন করছে।

মাদারীপুর : জেলার শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ভোর ৬টায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এরপর সেখান থেকে জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক শিল্পগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। জাতি বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই এই র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া মাদারীপুরে লেকেরপাড়ে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। যেখানে থাকছে পুতুল নাচ ও নাগর দোলা। থাকছে নৌকা বাইচ ও ষাঁড়ের লড়াই।

কুষ্টিয়া : সকালে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে দিনটির শুচনা করেন জেলা প্রশাসন। শহরের সিঙ্গার মোড় থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রায় ঢোল, ডগর আর ব্যান্ড পার্টির তালে তালে নানা ধরনের গ্রামীণ সংস্কৃতি হাতে নিয়ে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ও সাংস্কৃতিক পেশাজীবী সংগঠনের মানুষসহ নানা স্তরের মানুষ অংশ নেয়। জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন ও পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম’ নেতৃত্বে বণ্যাঢ্য শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে কালেক্টরেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

এছাড়া আবহমান গ্রামবাংলার প্রাচীণ ঐতিহ্যকে জানান দিয়ে নানা কৃষ্টি কালচারে কুষ্টিয়া পৌরসভা, কালেক্টরেট চত্বরে বৈশাখী উৎসবে মেতে ওঠে উৎসব প্রিয়রা।

খাগড়াছড়ি : আনন্দ শোভাযাত্রা, পান্তা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বাংলা নববর্ষ বরণ উৎসব পালিত হয়েছে। সকালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে টাউন হল প্রাঙ্গণে শেষ হয়।

জয়পুরহাট : সকাল সাড়ে ৮টায় কেন্দ্রীয় আবুল কাশেম ময়দান থেকে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালি শেষে জেলা প্রশাসন চত্বরে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। ছিল শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পান্তা ইলিশ ও শিশু মেলার আয়োজন।

ঝিনাইদহ : সকাল ৮টায় স্থানীয় ওয়াজের আলী হাই স্কুল মাঠ থেকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বের করা হয় একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় সকলে রংবেরঙের পোশাক, বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতিসহ ঢোল ডগর বাজিয়ে অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। এতে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

ফরিদপুর : ভোর সাড়ে ৬টা থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করে ফরিদপুরবাসী। সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনে আয়োজনে বণার্ঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়। বিকাল ৫টায় রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় বাংলার ঐতিহ্য হা ডু ডু, কাবাডি ও লাঠি খেলা।

চুয়াডাঙ্গা : বর্ণিল আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় বাংলা নতুনবর্ষ ১৪২৩ কে বরণ করা হয়েছে। সকাল ছয়টায় চুয়াডাঙ্গা ঝিনুক মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে মুকুল ফৌজের পরিবেশনার মধ্যদিয়ে শুরু হয় নববর্ষের কর্মসূচি। সকাল সাড়ে সাতটায় জেলা প্রশাসকের কার্যলয় চত্বর থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। শহর প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

(দ্য রিপোর্ট/এসএস/এসবি/এনআই/এপ্রিল ১৪, ২০১৬)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর