thereport24.com
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৮ আশ্বিন ১৪২৭,  ৬ সফর 1442

লোকসান কাটিয়ে উঠছে মিউচুয়াল ফান্ড খাত

২০১৪ ফেব্রুয়ারি ০৮ ১১:০৩:৫৭
লোকসান কাটিয়ে উঠছে মিউচুয়াল ফান্ড খাত

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : সার্বিক পুঁজিবাজার পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় মিউচুয়াল ফান্ড খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিগত ছয় মাসে অধিকাংশ ফান্ড পূর্বের লোকসান অনেকটা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। আর বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ফান্ডগুলো মুনাফায় ফিরতে পারবে বলে জানিয়েছেন সম্পদ ব্যবস্থাপকরা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত ৪১টি ফান্ডের মধ্যে জুনে আর্থিক বছর শেষ হওয়া ২৭টির অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি বাদে বাকিগুলো আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আর্থিক উন্নতি করেছে।

২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জুলাই’১৩-ডিসেম্বর’১৩) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এনএলআই ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৪৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ০.৫১ টাকা।

অর্ধবার্ষিকে সাউথইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৪৪ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার টাকা ০.৩৬ টাকা।

অর্ধবার্ষিকে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৩৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ০.২৪ টাকা।

গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ০.২৯ টাকা।

রিলায়েন্স ওয়ানের মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় ০.৯৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ১৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ০.৩৬ টাকা।

গ্রামীণ ওয়ান স্কিম টুয়ের মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় ০.৮৫ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ০.৫২ টাকা।

গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় ১.৭০ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা এবং ১.০৫ টাকা।

এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় ২.৫০ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ২.২৬ টাকা।

ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৩০ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ০.১১ টাকা।

আইএফআইএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড-১ এর মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৪৪ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৬ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ০.০৭ টাকা।

ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৯৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ০.২৩ টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ০.২৯ টাকা।

ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.১৯ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ০.২৯ টাকা।

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৩৫ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ০.১৯ টাকা।

পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৩৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৩১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ০.২৪ টাকা।

পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২০ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ০.১৯ টাকা।

ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ১৫ কোটি ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২০ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ০.৩৮ টাকা।

এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ০.২৮ টাকা।

ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২২ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ০.২৪ টাকা।

ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৩০ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৮৩ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ০.১৯ টাকা।

আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৮০ টাকা।

আইসিবি এএমসিএল তৃতীয় এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ০.১১ টাকা।

আইসিবি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড স্কিম ওয়ানের মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.২৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯০ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ০.১২ টাকা।

আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৪৪ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ০.১৬ টাকা।

আইসিবি এএমসিএল প্রথম এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ২.৩৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা এবং ১.৬৭ টাকা।

আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ০.৭৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ০.৬২ টাকা।

আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ১.২৮ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ০.৬৬ টাকা।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে এইমস এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইওয়ার সাঈদ দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘ফান্ডগুলো ঠিক মুনাফা ফেরেনি, বরং পূর্বের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠছে। বাজার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকায় ফান্ডগুলোর উন্নতি হচ্ছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ফান্ডগুলো মুনাফায় ফিরতে পারবে এবং বছর শেষে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিতে পারবে।’

(দ্য রিপোর্ট/ডব্লিউএন/শাহ/ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৪)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর