thereport24.com
ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫,  ১১ মহররম ১৪৪০

মিউনিখে সন্ত্রাসী হামলা

২০১৬ জুলাই ২৪ ০০:০০:৫৩

জার্মানীর মিউনিখে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ গুলি চালিয়ে নয় জনকে খুন করেছে। সেও আত্মঘাতি হয়। তার বন্দুকের গুলিতে খুন হওয়াদের বেশিরভাগই বয়সে তরুন ও অভিবাসী জার্মান। খুনির নাম জানানো না হলেও জানা গেছে সেও একজন অভিবাসী। ইরানী বংশোদ্ভুত জার্মান।

বিশ্বের অন্যত্রসহ ফ্রান্সের কয়েকটি সন্ত্রাসী ঘটনার দায় স্বীকারের পর মিউনিখ হামলায় আইএস দায় স্বীকার করে কিনা সেটা জানার অপেক্ষায় ছিল বিশ্ববাসী। কিন্তু জার্মান পুলিশ প্রাপ্ত দলিল দস্তাবেজ দেখে প্রমান পেয়েছে, না, ঐ খুনির সাথে জঙ্গী বা আইএসের কোন সম্পর্ক নেই। সে একজন মানসিক রোগী। বরং ২০১১ সালে নরওয়েতে যে ব্রেভিক গুলি করে ৭৭ জনকে খুন করেছিল সেই গনহত্যাকারীর সাথে তার সম্পর্কের সুত্র পেয়েছে পুলিশ। পুলিশ এও প্রমান পেয়েছে জীবনে একবার সে কম বয়সী তরুণদের হাতে মারপিটের শিকার হয়েছিল। গুলি করে গনহত্যার দিকে অন্ধ ঝোকও ছিল তার। মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ থাকায় ঐ তরুণের চিকিৎসাও চলছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

মিউনিখের সপিং মলে ঘটা এই বর্বরোচিত হামলার পর পশ্চিম দুনিয়া যে ভাবে কেপে উঠেছিল জার্মান পুলিশের তদন্ত তাদেরকে অনেকটাই আশ্বস্ত করেছে। তবে চূড়ান্ত তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত পুরোপুরি আশ্বস্ত হবে না কেউই।

প্রাথমিক তদন্ত থেকে দেখা যাচ্ছে ঐ খুনি তরুণ একজন মহিলার ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে কম বয়সী বেশ কয়েকজন তরুণকে এই সপিং মলে ডেকে আনে। এরপর সে গুলি চালাতে থাকে। এতে অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়,যাদের মধ্যে নয়জন মারা যায়। মারাত্মক জখম অনেকে। আহত অনেকেই পালিয়ে গেছে বলে পুলিশ বলেছে।

হামলাকারী মুসলমান হওয়ায় যে আশংকা দেখা দিয়েছিল তা হলো বর্তমান দুনিয়ায় যারা মুসলিম ফোবিয়াকে হাতিয়ার করেছেন তারা আরো একটি মওকা পেয়ে গেলে মুসলমানদের আর এক হাত নেবে। পাশাপাশি সম্প্রদায় হিসেবে মুসলমানরা ইউরোপ তথা পশ্চিম দুনিয়ায় নতুন করে চাপের মধ্যে পড়বে। সে আশংকা আপাততঃ কমলেও কেটে গেছে এখনও তা বলা যাবে না।

পাঠকের মতামত:

SMS Alert


রে