thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৩ আশ্বিন ১৪২৫,  ৭ মহররম ১৪৪০

পায়রা বন্দর

২০১৬ আগস্ট ১৩ ২২:৩২:৪০

পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পদ্মা সেতুর জন্য আমদানি করা পাথর খালাসের মাধ্যমে বন্দরটি অপারেশন শুরু করল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শনিবার বন্দরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অপর প্রান্তে ছিলেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান।

২০১৩ সালের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালী কলাপাতার পায়রা পয়েন্টে বন্দরটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর। প্রায় ছয় হাজার একর জমির ওপর বন্দরটি তৈরি করা হচ্ছে। ২০১৮ সাল নাগাদ বন্দরের কাজ শেষ হবে। প্রাথমিকভাবে এর জন্য ১ হাজার ১২৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এই বন্দরকে কেন্দ্র করে শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠবে। পাশাপাশি রফতানি প্রক্রিয়া ও শিপবিল্ডিং খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

কোনো দেশের উন্নয়নে সমুদ্র বন্দর অতীত কাল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক সময় বৈদেশিক জনযাতায়াতে নৌবন্দর ছিল প্রধান মাধ্যম। বলা যায় মানব সভ্যতার ইতিহাসে নৌবন্দরের অবস্থানও ঐতিহাসিক।

বাংলাদেশ অংশে চট্টগ্রাম নৌবন্দরের গুরুত্ব ঐতিহাসিক হলেও আধুনিক সময়ে তা যথেষ্ট নয়। বাগেরহাটের মংলায় আরও একটি সমুদ্র বন্দর স্থাপন হলেও আজকের বাংলাদেশের চাহিদা পূরণে তা পর্যাপ্ত নয়। অনেক দিন যাবত আধুনিক সুযোগসুবিধা সম্বলিত আরও সামুদ্রিক বন্দরের প্রয়োজন অনুভব হলেও বাংলাদেশ তা স্থাপন করে উঠতে পারেনি। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার সে রকমেরই একটি সাহসী কাজে হাত দিয়ে এবং নিজেদের ক্ষমতায় থাকাকালীন তার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করল। এটা একটি সরকারের জন্য প্রকৃত অর্থেই আত্ম সন্তুষ্টির দাবি রাখে। তবে তার চেয়ে বড় কথা হলো একটি জাতির ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজনও বটে।

আমরা আশা করি পায়রা বন্দর তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছানোর পাশাপাশি নতুন বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পাঠকের মতামত:

SMS Alert


রে