thereport24.com
ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬,  ১৪ শাবান ১৪৪১

দিপু হত্যায় নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

২০২০ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৫:০৪:২৭
দিপু হত্যায় নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: ২৪ বছর আগে রাজধানীর মিরপুরের মাজার রোডে দেওয়ান কামাল পাশা ওরফে দিপু (২৩) হত্যার মামলায় নয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মো. মনির কামাল এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. নাছিম, আব্দুল মালেক ওরফে কানা মালেক, জয়নাল আবেদীন, ইকবাল হোসেন ওরফে সেন্টু, জোহরা হক, ইয়াছিন, আবুল হাসেম, দুলাল ড্রাইভার ও মো. সেলিম।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিতদের মধ্যে মো. নাছিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর নাছিমকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। অর্থ অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ১৩ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর মিরপুরস্থ দ্বিতীয় কলোনি মাজার রোডের মজিবর রহমানের দোকানের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। দোকানের সামনে বন্ধু আলী হোসেন ও শুভর সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে আলাপ করছিলেন দিপু। রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি বেবিট‌্যাক্সিতে তিনজন অজ্ঞাত যুবক আসে। তাদের মধ্যে একজন কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছুরি দিয়ে দিপুর বুকের নিচে বাম পাশে আঘাত করে। এরপর তারা বেবিট‌্যাক্সিতে করে চলে যায়। দিপুকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহতের বাবা দেওয়ান আব্দুর রহমান মিরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের পর সিআইডির পরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন পাইক ২০০৩ সালের ২ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলাটি ২০০৫ সালের মার্চ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওই বছরের ১৫ মে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল মামলাটির বিচারকালে নয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণরত অবস্থায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী নির্ধারিত কার্যদিবস শেষ হওয়ায় পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে। সেখানে আরো ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরপর আবার মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হলে ট্রাইব্যুনাল অবশিষ্ট বিচার শেষে রায় ঘোষণা করলেন।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/ফেব্রুয়ারি ১৬,২০২০)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

অপরাধ ও আইন এর সর্বশেষ খবর

অপরাধ ও আইন - এর সব খবর