thereport24.com
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭,  ১৬ জিলহজ ১৪৪১

যুক্তরাষ্ট্রের হোটেলে আইসোলেশনে সাকিব

২০২০ মার্চ ২২ ১১:১৫:৫০
যুক্তরাষ্ট্রের হোটেলে আইসোলেশনে সাকিব

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক: বিশ্বে এখন পর্যন্ত ১৬৬টি দেশে করোনাভাইরাসের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে। এই করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে, সেখানে গিয়ে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা না করে একটি হোটেলে নিজেকে আইসোলেশনে রেখেছেন।

শনিবার ফেসবুকে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় সাকিব নিজেই কথাগুলো বলেছেন। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সবাইকে সর্বদা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সাকিব।

ভিডিওতে সাকিব আল হাসান বলেছেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। আশা করি, সবাই ভালো আছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসকে মহামারী রোগ বলে আখ্যায়িত করেছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। আপনারা ইতোমধ্যে জেনে গেছেন বাংলাদেশেও বেশ কিছু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। আমাদের এখনই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আমাদের সতর্কতাই পারে দেশকে সুস্থ রাখতে, আমাদেরকে সুস্থ রাখতে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সহজ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে আমরা এ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারব এবং আমাদের দেশকেও মুক্ত রাখতে পারব। যেমন- সাবান দিয়ে হাত ধোঁয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় সঠিক শিষ্টাচার মেনে চলা। আর যদি কেউ বিদেশফেরত থাকেন, তাহলে অবশ্যই তার নিজেকে ঘরে রাখা এবং ঘর থেকে যেন বাইরে না যান, সেটা খেয়াল রাখা। একই সময়ে আরও একটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আত্মীয়-স্বজন বা পাড়া-প্রতিবেশী এসে যেন আপনার সঙ্গে দেখা না করে। ১৪ দিন আপনাকে ঘরে থাকতে হবে (কোয়ারেন্টিন), যা খুবই জরুরি।’

সাকিব বলেন, ‘আমি মাত্রই যুক্তরাষ্ট্রে এসে পৌঁছেছি। যাত্রাপথে একটু হলেও ভয় কাজ করেছে, তবে চেষ্টা করেছি নিজেকে জীবাণুমুক্ত রাখার। যেহেতু আমি বিমানে ভ্রমণ করে এখানে এসেছি, তাই একটু হলেও ঝুঁকি আছে আমার। সে কারণে আমি নিজেকে আলাদা করে রেখেছি। আমি আমার বাচ্চার সঙ্গেও দেখা করিনি।’

টাইগার অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করব যে, সবাই যেন এ নিয়মগুলো মেনে চলেন। কারণ আমাদের এই সামান্য ত্যাগটুকুই পারে আমাদের পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখতে, সুস্থ রাখতে এবং আমাদেরকে সুস্থ রাখতে। আশা করি, আপনারা আমার কথাগুলো শুনবেন ও কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন। এছাড়াও বাংলাদেশ সরকার, স্থানীয় স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে ধরনের নির্দেশনা দিয়েছে, সে সম্পর্কে অবগত হবেন। আমি গণমাধ্যমে দেখেছি, অনেকেই তিন-চার-পাঁচ এমনকি ছয় মাসের জন্য খাবার সংগ্রহ করছেন। আমার ধারণা, খাবারের ঘাটতি হবে না। আমরা কেউ না খেয়ে মারা যাব না। আমরা আতঙ্কিত না হই। সঠিক সিদ্ধান্তই পারে আমাদেরকে এই বিপদ থেকে মুক্ত করতে এবং সেটা আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা, আশা করছি, খুব প্রয়োজন ছাড়া এই সময় আপনারা ভ্রমণ করবেন না কিংবা ঘরের বাইরে যাবেন না। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, নিজের যত্ন নেবেন, পরিবারের যত্ন নেবেন এবং নিজের ও পরিবারের সম্পর্কে খেয়াল রাখবেন।’

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/২২মার্চ,২০২০)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

খেলা এর সর্বশেষ খবর

খেলা - এর সব খবর