thereport24.com
ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭,  ১০ সফর 1442

দাম বেড়েছে মরিচ-শাকের, কমেছে মুরগি-মাছের

২০২০ আগস্ট ০৭ ১৭:০৩:৩৩
দাম বেড়েছে মরিচ-শাকের, কমেছে মুরগি-মাছের

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচ ও শাকের। বন্যা ও বৃষ্টির কারণে এসব জিনিসের দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে কমেছে পোল্ট্রি মুরগি এবং প্রায় সব ধরনের মাছের দাম।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বন‌্যায় শাক ও মরিচের ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় এসব পণ‌্যের সরবরাহ কম। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। প্রতি আঁটি লাউ শাক ৩৫ টাকা, পুঁই শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা এবং শাপলার আঁটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

দনিয়া বাজারের শাক বিক্রেতা মো. সোহরাব জানান, বন্যায় ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এজন্য শাকের দাম বাড়তি।

পোল্ট্রি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি দরে। পাকিস্তানি কক বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।

সরবরাহ ভালো থাকায় কিছুটা কমেছে মাছের দাম। সবচেয়ে বেশি কমেছে ইলিশ মাছের দাম। বাজারে বড়, মাঝারি ও ছোট সাইজের প্রচুর ইলিশ দেখা গেছে। এক কেজি ওজনের বড় আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায়, যা কিছু দিন আগেও ছিল ১১০০-১২০০ টাকা। ৭৫০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭৫০ টাকার মধ্যে। আধা কেজি ওজনের ইলিশের দর ৪০০-৪৫০ টাকার মধ্যে। পাবদা মাছের কেজি ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা, রুই ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, শিং মাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাশ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, তেলাপিয়া ১১০ থেকে ১৩০ টাকা, চিংড়ি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কই মাছ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, পুঁটি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা।

ঝিঙা, চিচিঙ্গা, ধুন্দল, পটল, কচুর লতির কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ঢেঁড়শ, পেঁপের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। কচুর ছড়া, করলা, কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। জালি কুমড়া প্রতি পিস ৩০ টাকা ও লাউ ৫০ টাকা। গোল বেগুনের কেজি ৫০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৬০ টাকা। শসার কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও টমেটো ৯০ থেকে ১০০ টাকা। দেশি গাজর ৫০ টাকা ও চায়না শসা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আলুর কেজি ৩২ থেকে ৩৫ টাকা। লেবুর হালি ২৫ থেকে ৪৫ টাকা। ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা প্রতি কেজি।

যাত্রাবাড়ীর দোকানি মো. আল আমিন বলেন, ‘বাজারে কিছু কিছু সবজির দাম কমেছে। মালের আমদানি বেশি, আবার কাস্টমারও তেমন নেই। তাই সবজির দাম কমেছে।’

ওয়ারী থেকে যাত্রাবাড়ীতে বাজার করতে আসা মো. মোমিন বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এখানে দাম আরো কম। এজন্য প্রতি সপ্তাহে এখন থেকে বাজার করি।’

রসুনের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও কমেছে পেঁয়াজ ও আদার দাম। রসুনের কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা। ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পেঁয়াজ। আদা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/০৭আগস্ট, ২০২০)

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

SMS Alert

অর্থ ও বাণিজ্য এর সর্বশেষ খবর

অর্থ ও বাণিজ্য - এর সব খবর