thereport24.com
ঢাকা, সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭,  ৭ রবিউস সানি ১৪৪২

কেউ কথা রাখেনি`র কবির প্রয়াণ দিবস

২০২০ অক্টোবর ২৩ ১১:৩৬:২২
কেউ কথা রাখেনি`র কবির প্রয়াণ দিবস

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক: কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম বাংলাদেশের ফরিদপুরে। বড় হয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। পড়াশুনা করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলকাতায় থেকেও জন্মভূমির প্রতি তার গভীর টান ছিল।

কতটা টান ছিল তা কবি রুবি রহমানের একটি স্মৃতিচারণেই জ্বলজ্বলে। ১৯৮৫ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভারতের ‘আবৃত্তিলোকের’ আয়োজিত কবিতা উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান। এ উৎসবে ছিলেন কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও। তিনি শামসুর রাহমানকে জড়িয়ে ধরে জানতে চাইলেন, তার জন্য বাংলার মাটি নিয়ে গিয়েছেন কিনা!

‘কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনি’র কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর কলকাতায় নিজ বাসভবনে তিনি প্রয়াত হন। ঘটনাক্রমে এই দিনটি কবি শামসুর রাহমানেরও জন্মদিন। তাই এইদিনে দুই কবিকেই স্মরণ করছেন বাংলা ভাষাভাষি মানুষ।

সাহিত্যে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন সুনীল। একদিকে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার আবার অন্যদিকে সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। তার প্রথম ভালবাসাই ছিল কবিতা। ‘হঠাৎ নীরার জন্য’ থেকে তিনি এক রহস্যময়ীর সঙ্গে পরিচয় করালেন বাঙালি কবিতার পাঠকদের। গল্প, কবিতা, উপন্যাস নিয়ে তার বইয়ের সংখ্যা দুশো ছাড়িয়ে।

১৯৬৫ সালে দেশ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে শুরু করে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ‘আত্মপ্রকাশ’। বাংলা আধুনিক কবিতার পত্রিকা ‘কৃত্তিবাস’ এরও অন্যতম জনক সুনীল। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একা এবং কয়েকজন’, প্রকাশিত হয় ১৯৫৮ সালে। তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই ‘আমি কী রকম ভাবে বেঁচে আছি’, ‘যুগলবন্দী’ , ‘হঠাৎ নীরার জন্য’, ‘রাত্রির রঁদেভূ’, ‘শ্যামবাজারের মোড়ের আড্ডা’, ‘অর্ধেক জীবন’, ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’, ‘অর্জুন’, ‘প্রথম আলো’, ‘সেই সময়’, ‘পূর্ব পশ্চিম’, ‘ভানু ও রাণু’, ‘মনের মানুষ’ ইত্যাদি। শিশুসাহিত্যে তিনি ‘কাকাবাবু-সন্তু’ নামে এক জনপ্রিয় গোয়েন্দা সিরিজের রচয়িতা।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/২৩ অক্টোবর, ২০২০)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

সাহিত্য এর সর্বশেষ খবর

সাহিত্য - এর সব খবর