thereport24.com
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২, ৭ মাঘ ১৪২৮,  ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

২০২১ নভেম্বর ৩০ ১১:৫২:৫০
রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন নিহতের প্রতিবাদে রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে ওই এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া বিক্ষোভের জেরে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আমার বাবা কাঁদছে নিরাপদ সড়কের দাবিতে, অ্যাম আই নেক্সট, গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ পাস নিশ্চিত করতে হবে, উই ওয়ান্ট জাস্টিস, গণপরিবহনে শিক্ষার্থী হয়রানি বন্ধ করো- শীর্ষক বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।

ট্রাফিক গুলশান বিভাগের বাড্ডা জোনের সহকারী কমিশনার জানান, বাড্ডা থেকে যানবাহন ছেড়ে গেলেও রামপুরায় অবরোধের কারণে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। সেখানে শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করেছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বাসচাপায় রামপুরা বাজারের সামনে এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থীরা রামপুরা সড়ক অবরোধ করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছে। আপাতত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সোমবার রাতে রামপুরায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে নিহত হয় মাঈনুদ্দিন। এ ঘটনার জেরে রাতেই বেশ কয়েকটি বাসে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

স্কুলের খাতায় মাঈনুদ্দিনের নাম মঈন ইসলাম। রামপুরার একরামুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাণিজ্য শাখা থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সে। পড়াশোনা শেষ করে হতে চেয়েছিল প্রশাসনের বড় কর্মকর্তা।

তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। প্রায় ১৫ বছর রামপুরা এলাকায় বসবাস করছে তার পরিবার। স্কুলজীবন ও বাবার চায়ের দোকানে সহযোগিতা করার কারণে ওই এলাকায় বেশ পরিচিত ছিল মাঈনুদ্দিন। ছিল মেধাবী ছাত্রও।

এদিকে মাঈনুদ্দিন নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে রামপুরা বাজার এলাকায় বেশ কয়েকটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। মধ্যরাত পর্যন্ত এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এ ঘটনায় ঘাতক বাসের চালককে আটক করা হয়েছে বলে তাৎক্ষণিক জানায় পুলিশ।

বাসে আগুন দেওয়া ও ভাঙচুরের বিষয়ে মাঈনুদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, সহিংস কোনো ঘটনার জন্য পরিবারের কেউ দায়ী নয়। খবর পেয়ে যখন পরিবারের লোকজন মরদেহের কাছে পৌঁছায়, তার আগেই ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনগণ।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/৩০ নভেম্বর, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর