thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে 24, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১,  ১৩ জিলকদ  1445

রমজানের প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে

২০২৩ মার্চ ২৪ ১৪:৫৫:১০
রমজানের প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: শুরু হয়েছে পবিত্র রোজা। সিয়াম-সাধনার এ মাসেও দেশের অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ধূর্ততা দূরে রাখতে পারেন না যে কারণে পণ্যের মূল্য বাড়ে অযাচিতভাবে। সাধারণত রমজান মাসে খেজুর,চিনি,তেল,ছোলা ও পেঁয়াজ এই পাঁচটি পণ্যের চাহিদা তুলনামুলক বেশি। বাকি ১১ মাসে যে চাহিদা রয়েছে তার প্রায় কয়েকগুন বেশি চাহিদা রমজান মাসেই। রাজধানীর একাধিক পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এসব পণ্য নিয়ে খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ পাইকারি ব্যবসায়ীরা তাদের প্রয়োজন মোতাবেক পণ্য দিচ্ছেন না। অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এলসি খুলতে না পারার জন্য এই অবস্থা। রোজার শুরুর প্রথম দিন এই একাধিক বাজার ঘুরে পাঁচটি পণ্যের মূল্য জানার চেস্টা করেছে দ্য রিপোর্ট।

খেজুরে হাত দেয়াই কঠিন, কমেছে চাহিদা

রোজার মাসে প্রয়োজনীয় এক উপাদান খেজুর। সাধারনত মাগরীবের আজান শুনে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি্রা অনেকেই খেজুর খেয়ে রোজা ভেঙ্গে থাকেন। কিন্তু এবার ইফতারের খাদ্য তালিকায় অনেকেরই খেজুর থাকবে না,এমনটাই বলছেন খেজুর কিনতে আসা অনেক ক্রেতা। সরকারি প্রতিষ্ঠান টিসিবির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত পহেলা মার্চ সবচেয়ে নিম্নমানের খেজুর বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। এক বছর আগে যা ছিল ১০০ টাকায়। মাঝারি মানের খেজুরের কেজি ছিল গতবছর ৩৫০ টাকা যা বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়। এছাড়া রাজধানীর পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খেজুর প্রকারভেদে ১৮০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে । খুচরা বাজারে যা বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। মালিবাগ বাজারে বাজার করতে আসা ব্যাংকার ইয়াসিন রহমান বলেন,"এই বছর বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে"। তিনি আরো বলেন,"গতবছর এই খেজুর কিনেছিলাম ৩০০ টাকা কেজি দরে। একই দোকান থেকে একই খেজুর এবার কিনলাম ৪৪০ টাকা কেজি দরে"। অন্যদিকে, সতেজ বাজার নামের বনশ্রীর বাজারের এক মুদি রফিক আলমগীর জানান, খেজুরের বাড়তি দামের জন্য অনেকেই কিনছেন না। দাম শুনেই কিনছেন না অনেকে। অন্য বছরের তুলনায় চাহিদা কমে গেছে। যদিও রমজান মাসে সাধারনত রয়েছে ৫০ হাজার টন খেজুরে চাহিদা রয়েছে খেজুরের।

এবার বেড়েছে পামওয়েলের দাম

তেলের দাম গত দুই বছরে বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। সর্বশেষ, ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৩৬ টাকা নির্ধারিত ছিলো। কিন্তু,বর্তমানে রাজধানীর বাজারে বোতলজাত এক লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮৭ থেকে ১৯০ টাকায়। অন্যদিকে পাইকারি বাজারে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এক লিটার সয়াবিন তেল। রমজানে তেলের সামগ্রী খাওয়ার প্রবণতা সবসময় থাকে। পেয়াজু,ছোলা সহ ইফতারে খাওয়া সব আইটেমে তেলের বহুমুখী ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে সয়াবিন তেলের থেকে বেশি বেড়েছে পামওয়েলের দাম। টিসিবির হিসাবমতে পাম ওয়েল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। এক বছর আগে যা বিক্রি হয়েছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। এছাড়া টিসিবির তথ্য মতে, খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক বছর আগে এসব তেল বিক্রি হয়েছে ১৬৮ থেকে ১৭০ টাকা। রাজধানীর মগবাজার মোড়ে এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, রোজার মধ্যে তিন বেলার ব্যবসায় করতে হয় এক বেলায়। ইফতারে বিক্রি করা সবগুলোই পণ্যেই তেলের উপাদান আছে। রোজার মাঝে তেলের দাম বাড়তে থাকলে ব্যবসায় করা সম্ভব নয়”। মেরুল বাড্ডা বাজারে বাজার করতে আসা এক ক্রেতা বলেন,"রোজার কিছু উপাদান কিনতে এসেছি যা দেখছি সব অত্যাধিক দাম"। তিনি আফসোস করে বলেন "আগে ৫ লিটার তেল কিনতাম সবসময়। লাস্ট ৬ মাস ধরে লিটার করে কিনছি"।

চিনির বাজার এখনো অস্থিতিশীল

দেশের চিনির বাজার এখনো অস্থিতিশীল। সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বেশি দামেই চিনি কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। এমনকি ২৬ ফেব্রুয়ারি চিনি আমদানিতে যে শুল্ক প্রত্যাহার হয়, তারও কোনো সুফল মিলছে না। ওই সময় আমদানি করা অপরিশোধিত চিনির ওপর থেকে কেজি প্রতি সাত টাকা এবং পরিশোধিত চিনি থেকে ১০ টাকা শুল্ক প্রত্যাহার হয়। তারপরও বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে। খিলঁগাওয়ের রহমান স্টোর নামের এক খুচরা দোকানের মালিক বিল্লাল হোসেন বলেন, “গত কয়েক মাস ধরেই চিনি নিয়ে সার্কাস দেখছি। মাঝে তো ৭ দিন চিনি পাইনি। কিন্তু এখন দেখা গেছে ৫০ কেজি অর্ডার করলে ২০ কেজি পাচ্ছি"। তিনি জানান, গত কয়েক মাস আগে যে চিনি ৮৫ থেকে ৯০ টাকা বিক্রি করতেন তা এখন বিক্রি করছেন ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। রাজধানীর রামপুরা ও মালিবাগ বাজারে দেখা যায়, সেখানে প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হয়েছে ১১৫-১২০ টাকায়। আর প্যাকেটজাত চিনি ব্র্যান্ড ভেদে ১২০-১৪০ টাকা এবং দেশি মিলগুলোর আখের চিনি ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। ফলে গত একমাসের ব্যবধানে কমেনি চিনির দাম। এরমধ্যে আবার খুচরা বাজারে প্রায়ই থাকে চিনির সংকট। ফলে দাম বাড়িয়ে বিক্রেতারা যে যার মতো বিক্রি করেন। অন্যদিকে বেশি দামে চিনি বিক্রি করতে যেন খুচরা বিক্রেতাদের সমস্যা না হয়, সেজন্য কিছু কোম্পানি তাদের প্যাকেটের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য মুছে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু কোন পক্ষই দোষ নিতে রাজি না । চিনির বাজারে অস্থিরতার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছেন ব্যবসায়ীরা। মিল মালিকরা বাজার সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন। আর বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিলগেট থেকেই তাদের বেশি দামে চিনি কিনতে হচ্ছে। মৌলভিবাজারের এক পাইকারী দোকানদার জানান,“আমরা যেমন পাচ্ছি ঠিক তেমনই বিক্রি করছি । তবে আমাদের চাহিদা মতো ডিলাররা দিচ্ছেনা এটা সত্য”।যদিও গত ২৬ জানুয়ারি অপরিশোধিত চিনির আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য বৃদ্ধি এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রতি কেজি খোলা চিনির মূল্য ১০৭ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনির মূল্য ১১২ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স এসোসিয়েশন। এরপরে খুচরা মার্কেটে গত এক মাসেই দাম বেড়েছে ১০ টাকার বেশি।


হিলি থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ: দাম বেড়েছে পেঁয়াজের

উৎপাদন ভালো হওয়ায় এবার গত বছরের চেয়ে পেঁয়াজের দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছিলো। ফলে পেঁয়াজের বাজারে স্থিরতা বিরাজ করছিলো এক সপ্তাহ আগেও ।সপ্তাহখানেক আগেই খুচরা বাজারে পেঁয়াজ এক কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। অন্যদিকে, পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকায়। কিন্তু রোজার শুরুর প্রথম দিন আজ পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির আশংকা আগেই করেছিলেন স্বয়ং ব্যবসায়ীরাই। গত ১৬ মার্চ থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়েছে। ফলে পেঁয়াজের দাম আরো বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীয়া। বুধবার (১৫ মার্চ) হিলি স্থল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি শেষ হয়েছে। তাই রমজান মাসের জন্য পেঁয়াজ আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকরা। ধারনা করা হচ্ছে পেঁয়াজের দামের বিস্ফোরন ঘটতে পারে রমজান মাসেই।

সুবাতাস শুধু ছোলার দামে

ছোলার দাম গত এক সপ্তাহ ধরে ধস নেমেছে। রোজার আগে থেকেই দাম কমতে শুরু করেছে ছোলার। মৌলভিবাজার পাইকারি বাজারে গতকাল সোমবার ছোলা বিক্রি হয়েছে কেজিতে ৬৯ টাকা থেকে ৮০ টাকা। বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের অস্ট্রেলিয়ার ছোলা বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকায়। ১৫ দিন আগেও এই ছোলা বিক্রি হয়েছে কেজিতে ৯০ টাকায়। আরিফ ট্রেডার্সের মালিক কালাম মহাজন বলেন, এলসি জটিলতায় ছোলা আনতে সুযোগ পাচ্ছিল কেবল বড় শিল্প গ্রুপ বা ব্যাংকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরাই। সেই ধারণা পাল্টে এখন একসঙ্গে এত ছোলা আসায় বাজার পড়ে গেছে। ফলে প্রথমে যাঁরা বিক্রি করেছিলেন তাঁরা দাম পেয়েছেন, এখন উল্টো লস হচ্ছে। তবে আগে ছোলা কিনে রাখায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েনি এখনো। আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ছোলা। রাজধানীর কাজিপাড়ার এক মুদির দোকানদার বলেন, আমি আগে কিনেছিলাম ৮৯ টাকা করে। এখন নাকি ৭৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এরপরও আমি ৯০ টাকায় বিক্রি করছি। নতুন দামে ছোলা আনলে কম দামে বিক্রি করতে পারব"।

দ্য রিপোর্টের বিশ্লেষনে দেখা যাচ্ছে রমজানের প্রয়োজনীয় পাঁচটি পণ্যের মধ্যে দাম বেড়েছে প্রায় সবগুলোরই। সেগুনবাগিচা বাজারে রাফি হোসনাইন নামের এক ক্রেতা রমজানের আগে পণ্যের এমন দাম বৃদ্ধি নিয়ে বলেন, "বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান মাসে পণ্য ছাড়ের প্রতিযোগিতা চলে আর বাংলাদেশে রমজান মাসে পণ্য দাম বৃদ্ধি হয়ে থাকে। বাজারে সব জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা গরিব মানুষ কিভাবে সংসার চালাব বুঝিনা। এর মধ্যে প্রতিদিন নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে”। পণ্যের বাড়তি দাম নিয়ে ক্যাবের সহ সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, এটি নতুন কিছু নয়। রোজার মাসের শুরুতে সকল পন্যের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীরা কারসাজিতে মাতেন। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি"। রমজান মাসে ক্রেতারা নায্যমূল্যে কিনতে পারেন এসব পণ্য তা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

যদিও এবার খুবই কঠোর অবস্থানে সরকার। এবার জনগণকে দ্রব্যমূলের ভোগান্তি থেকে রক্ষা করতে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। তার ধারাবাহিকতায় রমজান শুরুর আগ থেকেই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও মাঠ পর্যায়ে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তারাও পুরো মাস তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। সে অনুযায়ি রোজার প্রথম দিন শুক্রবার (২৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অভিযানে নামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সকাল সাড়ে ১০টায় এ বাজারের কিচেন মার্কেটে অভিযান শুরু করেন সংস্থার সদস্যরা। অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। ভোক্তা অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, "২০২৩ সাল হবে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা ভোক্তা, ব্যবসায়ী, সরকারি বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করবো। আমরা পারস্পরিক পরিপূরক হবো। আর যারা সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবেন, যারা মজুদ করার চেষ্টা করবেন তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান হবে কঠোর। আমাদের ব্যবসায়ীরা অবশ্যই লাভ করবেন। দেশের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব তারা দেন"। তিনি বলেন, রাজস্ব প্রদানের পাশাপাশি ভোক্তাদের প্রতি তাদের যে নৈতিক দায়িত্ব, ভোক্তার অধিকারের জায়গায় ব্যবসায়ীদের আরও সচেতন হতে হবে। আজ কারওয়ানবাজারে পণ্যের অতিরিক্ত দাম সহ,নানা অপরাধে কার ওয়ান বাজারে একাধিক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। রাজধানীর কাপ্তান বাজার, মিরপুরের শাহ আলী মার্কেট, মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজারে দিনব্যাপী অবস্থান করে পর্যবেক্ষণ করবে ভোক্তা অধিকার এমনটা জানান ভোক্তা অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। এদিকে,কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, "গত বছরের তুলনায় এবার সব ধরণের পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রবণতা আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় মানুষের কষ্ট বেড়েছে"।

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

SMS Alert

অর্থ ও বাণিজ্য এর সর্বশেষ খবর

অর্থ ও বাণিজ্য - এর সব খবর