thereport24.com
ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫,  ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

সমস্যায় জর্জরিত নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়াম

২০১৪ জুন ০৬ ০৯:৩১:০৭
সমস্যায় জর্জরিত নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়াম

সীমান্ত খোকন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়াম। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরতলির কাউতলী এলাকায় অবস্থিত। এ মাঠটি বাংলাদেশ ক্রীড়া সংস্থা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার অধীন। ১৯৩৬ সালে তৈরি হওয়া এ মাঠের পূর্ব ও পশ্চিম দিকে গ্যালারি ও প্যাভিলিয়ন রয়েছে।

এক সময় এ মাঠে নিয়মিত খেলাধুলা হলেও এখন সে সব অতীত। গত দেড় বছরে এ মাঠটিতে মাত্র দুটি খেলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি জেলা ক্রিকেট লিগ ও একটি স্কুল টুর্নামেন্ট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু বলেন, মাঠটি ১৯৩৬ সালে তৈরি হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন খেলাধুলায় মুখর থাকত। আশির দশকে বিভিন্ন ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বিশ্বখ্যাত ও আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দেরও আনা হতো। কিন্তু ১৯৯১ সালের পর থেকে নীতিনির্ধারকদের দুর্নীতি ও অবহেলার কারণে আস্তে আস্তে মাঠটির যৌবন হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ২০০০ সালের পর থেকে মাঠটিতে খেলা একেবারে শূন্য বললেই চলে।

তিনি আরও বলেন, সাবেক খেলোয়াড়দের দলাদলি, মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতা ও খেলাকে কেন্দ্র করে দুই দলের দাঙ্গা-হাঙ্গামাও খেলা আংশিকভাবে কমে যাওয়ার আরেকটি কারণ। খেলোয়াড়দের সুবিধার্থে নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের পূর্বদিকে অর্থাৎ বর্তমান গ্যালারির বাইরে একটি পুকুর ছিল। কিন্তু ১৯৮৮ সালে অনিয়ম করে সেই পুকুরটি ভরাট করে ফেলেন মাঠের তৎকালীন নীতিনির্ধারকরা এবং একই পাশে প্রকৃত মাঠের কিছু ভেতরের অংশে গ্যালারি তৈরি করা হয়। ফলে মাঠের প্রকৃত আয়তন থেকে মাঠটি ছোট হয়ে যায়। বর্তমানে মাঠটির যতটুকু আয়তন থাকার কথা তাও নেই। যখনই যারা এই মাঠের দায়িত্বে থাকেন তাদের দূরদর্শিতার অভাবের কারণেও মাঠের আজ করুণ দশা। মাঠের উন্নয়নে কেউ কাজ করেন না। এ কারণে বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় খেলোয়াড়ের সংখ্যাও কমে গেছে। যারা আছেন তারাও এখানে খেলার কোনো আগ্রহ দেখান না।

তবে বর্তমানে মাঠের উন্নয়ন ও হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

(দ্য রিপোর্ট/এসকে/এএস/এজেড/জুন ০৬, ২০১৪)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর

জেলার খবর - এর সব খবর