thereport24.com
ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫,  ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিচিতি

২০১৪ জুন ১৩ ১৫:২৫:৫৫
বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিচিতি

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : ২০তম বিশ্বকাপের ব্রাজিলের ১২টি স্টেডিয়ামে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচিত ১২টি শহর ব্রাজিলের ১২টি প্রদেশের রাজধানী। প্রায় ৩.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার স্টেডিয়াম প্রকল্পগুলোর পেছনে ব্যয় করা হয়েছে। ৫টি শহরে বিশ্বকাপের জন্য নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। রাজধানী ব্রাজিলিয়ার এস্তাদিও ন্যাসিওন্যাল মানে গারিঞ্চা ভেঙে ফেলে নতুন করে তৈরি করা হয় এবং অপর ৬টি স্টেডিয়ামের ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করা হয়।

রিও ডি জেনেরিওতে অবস্থিত এস্তাডিও দো মারাকানা ১২টি স্টেডিয়ামের মধ্যে সবচেয়ে বড়। যা একটি বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড বহন করে (১৯৯,৮৫৪) আসছে। এই স্টেডিয়ামেই এবারের প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের বিশ্বকাপের ১২ স্টেডিয়ামের খুঁটিনাটি জেনে নিই।

এস্তাডিও দো মারাকানা, রিও ডি জেনেরিও

ব্রাজিলে এই স্টেডিয়াম স্থাপিত হয় ১৯৫০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য। পুরানো নাম এস্তাডিও জার্নালিস্টা মারিও ফিলহো। তবে মারকানা নামেই বেশি পরিচিত। ভেন্যুটি সেই বছর স্মরণীয় হয়ে থাকে ব্রাজিল এবং উরুগুয়ের কাছে। বিশ্বপ্রতিযোগিতার সবচেয়ে নাটকীয় অধ্যায় রচিত হয় এখানেই। ব্রাজিল বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪ সালে এটি আবারও পাদপ্রদীপের আলোয় এসেছে। আসরের সবচেয়ে বেশি ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এ ভেন্যুতে। তার মধ্যে ফাইনালের মঞ্চও থাকছে এখানেই। এবারের বিশ্বকাপ ম্যাচে এখানে দর্শক উপস্থিত থাকবে সর্বাধিক ৭৩ হাজার ৫৩১। পূর্বের নকশাকে অপরিবর্তিত রেখেই পুনঃসংস্কার করা হয়েছে। আগের দুই স্তরবিশিষ্ট আসন বিন্যাসকে বদলে এক স্তর করা হয়েছে। নতুন আসনগুলোতে দেয়া হয়েছে হলুদ, নীল এবং সাদা রঙ। স্টেডিয়ামে আরও বসানো হয়েছে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পদ্ধতিসহ একটি ছাদ। ফিরিয়ে আনা হয়েছে ছাদের ধূসর রঙও। ঐতিহাসিক ও শৈল্পিক ঐতিহ্যের জন্য এটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটের তালিকাভুক্ত হয়েছে। স্টেডিয়ামের দর্শকরা ‘টোরে ডি ভিদরো’ (গ্লাস টাওয়ার) দেখে মুগ্ধ হবে। যা তৈরি করা হয়েছে ২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে পুরাতন স্টেডিয়ামের স্মারক হিসেবে একটি বানানো হয়েছে।

অ্যারিনা অ্যামাজোনিয়া, ম্যানাউস

ব্রাজিলীয় ফুটবলের ঐতিহ্য নয়, ম্যানাউস জনপ্রিয় হবে ২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য তৈরি হওয়া নতুন ভেন্যু অ্যারিনা অ্যামাজোনিয়ার জন্য। যার পূর্বে নাম ছিল এস্তাডিও ভিভালদাও। আমাজান রেইন ফরেস্ট ঘেঁষে তৈরি করা হয়েছে স্টেডিয়ামটি। অনেকে মানাউসকে আমাজানের দরজা বলে থাকেন। অ্যামাজান রেইনফরেস্টের হৃদয়জুড়ে শহরটির অবস্থান। বিশ্বের বৃহত্তম ট্রপিক্যাল রেইনফরেস্ট একটি। পরিমার্জিত স্টেডিয়ামের অনুপ্রেরণা এটি। একটি খড় ঝুড়ির ন্যায় ধাতু কাঠামো দ্বারা তৈরি হওয়া পরিমার্জিত স্টেডিয়ামের অনুপ্রেরণা এটি। ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত তিন বছর ধরে স্টেডিয়ামের কাজ সম্পন্ন হয়। ৪২,৩৭৭ দর্শক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যারিনা অ্যামাজোনিয়ায় রয়েছে রেস্টুরেন্ট এবং ভূগর্ভস্থ পাকিং যার মধ্যে থাকছে ডেডিকেটেড বাস এবং একটিমাত্র লাইনের রেলপথ পরিসেবা।

ভেন্যুটিতে ২০১৪ বিশ্বকাপের ৪টি ভিন্ন গ্রুপের চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অ্যারিনা দ্য বেইক্সাডা, কিউরিটিব

ব্রাজিলের সবচেয়ে সুন্দর শহরগুলোর একটি কুরিতিবা। বসবাসের জন্য একেবারে আদর্শ জায়গা। থরে থরে সাজানো পাইন গাছ, সুন্দর স্থাপত্য নিদর্শন ও চোখ জুড়ানো বিল্ডিংয়ে ছবির মতো সাজানো এই শহরটি। ১৯৯৯ সালের জুন মাসেই ঐতিহাসিক এস্তাডিও জোয়াকিম আমেরিকো সংস্কার করা হয়। অ্যারিনা দ্য বেইক্সাডা নামে পরিচিত স্টেডিয়ামটি ব্রাজিলের অন্যতম সেরা নিযুক্ত ও আধুনিক স্টেডিয়াম।

এটি কোনো বিস্ময় নয়, এটি অ্যাটলিকো প্যারান্যান্স ক্লাবের হোম ভেন্যু। মূলত ১৯১৪ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। স্বাগতিক দলের বিশ্বকাপ ম্যাচের জন্য নির্বাচিত ভেন্যুগুলোর মধ্যে অন্যতম এটি। এটির ধারণ ক্ষমতা ৪০ হাজার। এখানে বিশ্বকাপের ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অ্যারিনা ডি সাও পাওলো, সাও পাওলো

ছোট ছোট নাইট ক্লাব ও রেস্তোরাঁর জন্য বিখ্যাত সাও পাওলো। আমাজানের বুকে এ শহরটি যেন এক জনঅরণ্য। সাও পাওলোর ৩টি ক্লাবের একটি যেটি শহরের সবচেয়ে বেশি সমর্থিত ক্লাব কোরিন্থিয়ান্স পাওলিস্তা। ২০১৪ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তারা পেল নতুন স্টেডিয়াম। ইটাকুয়েরার আশপাশের নির্মাণাধীন, যেটি শহরের পূর্ব জোন এবং কোরিন্থিয়ান্সের ঐতিহ্যগত কেল্লা। ২০১৪ সালের খেলা শুরুর পূর্বেই স্টেডিয়ামের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যাওয়া কথা রয়েছে। ৪৮ হাজার ৭৪৭ দর্শক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যারিনা ডি সাও পাওলোকে বেছে নেয়া হয়েছে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য। সঙ্গে থাকছে আরও ৫টি ম্যাচ। যার মধ্যে রয়েছে সেমিফাইনালের একটি ম্যাচও।

অ্যারিনা ফন্টে নোভা, সালভাদর

ব্রাজিলের ইতিহাসের প্রথম রাজধানী শহর সালভাদর। ২০১৪ বিশ্বকাপ উপলক্ষে ৫২ হাজার ৪৮ দর্শক ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে এখানে। নতুন এ মাঠে টুর্নামেন্টের ৬টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারিভাবে এস্তাডিও অক্টাভিও মাঙ্গাবেইরা নামে পরিচিতি, ফন্টে নোভার সূচনা ঘটে ১৯৫১ সালের ২৮ জানুয়ারি। ২০০৭ সালের নভেম্বরে যা বন্ধ করা হয় এবং ৩ বছর পর তা একেবারে ধ্বংস করে দেয়া হয়। অ্যারিনা ফন্টে নোভা তার পূর্বের জায়গাতেই স্থাপিত হয়েছে এবং ধাতু ছাদ দ্বারা হালকাভাবে এটাকে আবৃত করা হয়েছে। এটির রেস্টুরেন্ট, ফুটবলের জাদুঘর, গাড়ি পার্কিং, দোকানপাট, হোটেল এবং সঙ্গীতানুষ্ঠানের রুম সামগ্রিকভাবে এর দৃশ্যকে জটিল করে তুলেছে। নতুন স্টেডিয়ামে গ্রুপের ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে ৩টিই হচ্ছে শিরোপা প্রত্যাশীদের লড়াই। এর সাথে থাকছে একটি দ্বিতীয় রাউন্ড ও একটি কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচও।

অ্যারিনা প্যান্তানাল, কুইয়াবা

সোনার শহর কিংবা গরু প্রতিপালনের শহর কুইয়াবা। ১৭২৭ সালে এই অঞ্চলে সোনা আবিষ্কারের পর শহরটির গোড়াপত্তন হয়, যেটি ভৌগোলিকভাবে একেবারে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের কেন্দ্রে অবস্থিত। এখানকার সবচেয়ে পরিচিত ও প্রসিদ্ধ ফ্যাশন কাউবয় হ্যাটসের সমাহার। এখানেই ২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের হোস্ট ভেন্যু হিসেবে তৈরি করা হয় অ্যারিনা প্যান্তানাল স্টেডিয়ামটি। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের জন্য বিশেষভাবে এ স্টেডিয়ামটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে বিশ্বকাপের ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অ্যারিনা প্যান্তানালের দর্শক ধারণক্ষমতা থাকছে ৪২ হাজার ৯৬৮ জনের। এস্তাডিও জোসে ফ্রাগেল্লি ব্যাপৃত এ সাইট ব্যবহার করা হবে। এই মাল্টি উদ্দেশ্যে স্টেডিয়ামটি অনুকূল গঠন করা হয়। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ শেষে তার হ্রাস করা হবে। বিভিন্ন শো, প্রদর্শনী ও বাণিজ্য মেলার মতো আদর্শ করে মাঠ তৈরি করা হয়েছে, পাশাপাশি স্থানীয় ক্লাব মিক্সটো এবং ওপেরারিও নতুন ভেন্যুর জন্য সুবিধা ভোগ করবে।

অ্যারিনা পারনাম্বুকো, রেসিফি

অনেক নদী আর খাল-বিলের কারণে ‘ব্রাজিলের ভেনিস’ বলা হয় দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শহর রেসিফেকে। শহরটির অন্যতম আকর্ষণ বোয়া ভিয়াজেম সমুদ্র সৈকত। ৮ কিলোমিটার সুদীর্ঘ এই সৈকতটি লাতিন আমেরিকার দেশটির অন্যতম আকর্ষণীয় একটি পর্যটন কেন্দ্র। সমুদ্র তীরে সারা বছর বিকিনি সুন্দরীদের মেলা লেগে থাকলেও এবার সেই জায়গা দখল করে নিতে চলেছে ‘ফুটবল ডিভা’রা।

রেসিফি শহরটি কোনো প্রশ্ন ছাড়াই সুন্দর খেলার জন্য আবেগিক। ৩টি ঐতিহাসিক ব্রাজিলিয়ান ক্লাব নাওটিকো, সান্তা ক্রজ এবং স্পোর্ট’র হোম এটি। ইতোমধ্যে ১৯৫০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এখানে। রেসিফি মহানগর অঞ্চলে সাও লরেঙ্কো দ্য মাতায় নির্মাণ করা হয়েছে অ্যারিনা পারনাম্বুকো স্টেডিয়ামটি। আনুমানিকভাবে এলাকার প্রায় ৫০০০ ঘরবাড়িসহ আশপাশ প্রসারিত হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের মাধ্যমে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নির্মিত স্টেডিয়ামে দর্শক ধারণক্ষমতা রয়েছে ৪২ হাজার ৮৪৯ জনের।

এস্তাডিও ন্যাসিওনাল ডি ব্রাসিলিয়া, ব্রাসিলিয়া

ব্রাজিলের রাজধানী শহরে এটি অবস্থিত। এস্তাডিও ন্যাসিওনাল মানে গারিঞ্চায় ৬৮ হাজার ৯ দর্শন ধারণক্ষমতা রয়েছে। ২০১৪ বিশ্বকাপের ১২টি ভেন্যুর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহৎ স্টেডিয়াম এটি। শহরের এস্তাডিও ন্যাসিওনাল স্টেডিয়ামটির সবকিছু ধবংস করে নতুনত্ব আনা হয়েছে এতে। এস্তাডিও ন্যাসিওনাল স্টেডিয়ামেই ২০১৩ সালের ফিফা কনফেডারেশন কাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর ২০১৪ বিশ্বকাপের ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এখানে। যার মধ্যে ১টি করে রাউন্ড অব ১৬ এবং কোয়ার্টার ফাইনাল ছাড়াও থাকছে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। এখানেই শেষ নয়, আগামী গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে রিও ডি জেনিরিও ছাড়া এখানেও অলিম্পিকের কিছু ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

এস্তাডিও বেইরা-রিও, পোর্তো আলেগ্রে

গুয়াইবা নদীর তীরে উদ্ধারকৃত জমির ওপর গড়ে উঠেছে এস্তাডিও বেইরা-রিও স্টেডিয়াম। ঘরোয়াভাবে প্রধান ভেন্যু হলেও পোর্তো আলেগ্রে প্রতিবেশী গ্রেমিও এটির ঘোর বিরোধী। ভেন্যুটি ডার্বি শহরের লোমহর্ষক এবং কমপক্ষে ৪টির কোপা লিবারটাডোরাস ফাইনাল হয়েছে এখানে। বর্তমানে একটি প্রস্তুত হয়েছে ২০১৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৫টি ম্যাচের জন্য। যার মধ্যে ১টি রাউন্ড অব ১৬’র ম্যাচও রয়েছে। স্টেডিয়ামটি জোড়াতালি দেয়ার জন্য ‘জায়ান্টে প্যারা সেমপ্রে’ (সব সময়ের দৈত্য) প্রোগামের সময় ক্লাবের নিজস্ব অর্থ প্রদান করে। প্রকল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল উদ্ভাবনী ধাতু ঘেরা ছাদ, ওঠা-নাম এবং ঘূর্ণায়মান দরজা। নির্মাণ প্রকল্পটি বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ করা হয়। এই ধারণাটি এসেছিল পুনরায় পলিশ করার জন্য। সংস্কার শেষে এটির ধারণ ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ২৮৭ জনে।

এস্তাডিও ক্যাসটেলাও, ফোর্তলেজা

ফোর্তলেজা শহরের বড় দুটি ক্লাব সিয়েরা এবং ফোর্তলেজার ম্যাচকে ঘিরে এখানের মানুষের রয়েছে ব্যাপক আবেগ। এটিকে একীভূত করে শহরের প্রধান ফুটবল মাঠ ক্যাসটেলাওকে নতুনায়ন করা হয়েছে। ১৯৭৩ সালে নির্মিত ভেন্যুটি অফিসিয়ালি এস্তাডিও গভর্নাডোর প্লাসিডো ক্যাসটেলো নামে পরিচিত। ২০১৩ ফিফা কনফেডারেশন কাপ এবং ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য সংস্কার করা হয়েছে। স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা ৫৮ হাজার ৭০৪ দর্শকের। জোড়াতালি দিলেও এটির ১৯০০ স্পেস সমৃদ্ধ ভূগর্ভস্থ গাড়ি পার্কিং, নির্বাহী বক্স, ভিআইপি এলাকা, মিডিয়া সেন্টার, মিশ্র অঞ্চল এবং সম্পূর্ণ পুনঃপলিশ করা রুম অহংকার করার মতোই। ক্যাসটেলাওর প্রবেশ পথ করা হয়েছে উন্নত। এতে রয়েছে চারটি একচেটিয়া বাসের রাস্তা, একটি এলআরভি (হালকা রেল গাড়ি) লাইন, দুটি মেট্রো স্টেশন যা আগতদেরকে সহজেই প্রবেশের পথ করে দেবে। সেলেকাও (ব্রাজিল) দের গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এখানে। সর্বমোট এই ভেন্যুতে ৬টি ম্যাচ হবে। যার মধ্যে থাকবে একটি করে রাউন্ড অব ১৬ এবং কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ।

এস্তাডিও দাস ডুনাস, নাটাল

আকাশ ছোঁয়া সব গাছ ঘিরে আছে স্টেডিয়াম নাটালকে। এর মধ্য থেকে সবচেয়ে বিখ্যাত হিজলি বা ক্যাশি ট্রি। ১৯৯৪ সালে এই গাছটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রসারিত গাছ হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লেখায়। আট হাজার চার শত বর্গমিটার জায়গাজুড়ে এই গাছটি অবস্থান করছে। ১৯৭২ সালের উদ্বোধন ঘটে এস্তাডিও জোয়াও ক্লাউডিও ডি ভাসকনসেলস ম্যাকাডো। এটি ম্যাকাডাও নামেই বেশি পরিচিত। লাগোয়া নোভার আশপাশ থেকে নাটাল ফুটবলের সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের মধ্যে স্বাগত জানায়। তবে ২০১৪ বিশ্বকাপের স্বাগতিক শহরের মধ্যে নাটাল সবচেয়ে বড় এবং অতি আধুনিক ভেন্যু। এস্তাডিও দাস ডুনাস স্টেডিয়াম প্রকল্পে নাটাল অঞ্চলের চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ উপলক্ষে ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। স্টেডিয়ামটির দর্শক ধারণক্ষমতা রয়েছে ৪৫ হাজার। স্টেডিয়ামের চারপাশে রয়েছে শপিং সেন্টার এবং বাণিজ্যিক বিল্ডিং, আন্তর্জাতিক মানের হোটেল এবং একটি কৃত্রিম হৃদ।

এস্তাডিও মিনেইরাও, বেলো হরিজন্তে

ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক ভেন্যু এটি। সাবেক ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন অ্যাটলেটিকো মিনেইরো এবং ক্রজেইরো উভয়ই একটি হোম হিসেবে বলে থাকে। এস্তাডিও মিনেইরাও’র দর্শক ধারণক্ষমতা ৫৭ হাজার ৪৮৩। ২০১৪ বিশ্বকাপের একটি সেমিফাইনালসহ মোট ৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এখানে। আধুনিকীকরণ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত পিচের পৃষ্ঠ কমিয়ে এবং স্টেডিয়ামের প্রবেশযোগ্যতা উন্নতি করা হয়। বেলো হরিজন্তের পামপুলহা আশেপাশে এটি অবস্থিত। যার উদ্বোধন করা হয় ১৯৬৫ সালের ৫ ডিসেম্বর। স্টেডিয়ামটি মিনাস গিরাইস রাজ্য সরকারের অধিভুক্ত। এটির অফিসিয়াল নাম হচ্ছে এস্তাডিও গভর্নাডর মাগালহেইস পিন্টো। ফুটবলীয়ভাবে এটিকে মিনেইরাও বলেই ডাকা হয়ে থাকে। ২০০৪ ও ২০০৮ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে এ মাঠেই আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করেছিল সেলেকাওরা। তথ্য সূত্র : ক্রীড়াজগত

(দ্য রিপোর্ট/এএস/সিজি/জুন ১৩, ২০১৪)

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

SMS Alert

তথ্য কণিকা এর সর্বশেষ খবর

তথ্য কণিকা - এর সব খবর