thereport24.com
ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫,  ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

এক হাজারী ক্লাবে মুমিনুল হক

২০১৪ নভেম্বর ০৬ ১৫:০৩:৩৫
এক হাজারী ক্লাবে মুমিনুল হক

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক, খুলনা থেকে : শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ১২তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে এক হাজারী ক্লাবের সদস্য হয়েছেন মুমিনুল হক। তিনি এ দিন নাটসাই শাঙ্গাইয়ের বলে এক রান নিয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। মুমিনুল হক মাত্র ১১ টেস্টে ২১ ইনিংস খেলেই এ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। সঙ্গে দ্রুততম বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে এ রেকর্ড গড়েছেন মুমিনুল।

ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার ও ব্রায়ান লারার রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লিখিয়েছেন মুমিনুল। এই ২ কিংবদন্তি টেস্টে ১ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে ২১ ইনিংস খেলেছিলেন।

গাভাস্কার, লারা ও মুমিনুল ছাড়াও আরও ১৩ টেস্ট ক্রিকেটার ২১ ইনিংসে ১ হাজার রান তুলেছেন। এদের মধ্যে বর্তমানে খেলছেন শুধু জেসি রাইডার। এ ছাড়া রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলভিন কালিচরণ, অস্ট্রেলিয়ার বিল লাওরি ও ওয়ারেন ব্রাডসলে, ইংল্যান্ডের ফিল মেড ও এডি পেন্টার।

এ ছাড়া টেস্ট ক্যারিয়ারে এরই মধ্যে ৩টি সেঞ্চুরি ও ৭টি হাফসেঞ্চুরি রয়েছে মুমিনুলের। খুলনা টেস্ট শুরুর আগে এই মাইলফলকে পৌঁছাতে মুমিনুল হকের প্রয়োজন ছিল ৭০ রান। প্রথম ইনিংসে ৩৫ রানে সাজঘরে ফিরলেন সেবার এই মাইলফলকে পৌঁছান হয়নি তার। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে এক হাজারী ক্লাবের সদস্য হয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশে আর কোনো ব্যাটসম্যান মুমিনুলের আগে এতো দ্রুত হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি। সে হিসেবে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন কক্সবাজারের এই তরুণ। মুমিনুলের পরে দ্রুততম এক হাজার রানের রেকর্ড গড়েছেন তামিম ইকবাল। তিনি ১ হাজার পূর্ণ করতে খেলেছেন ১৬ ম্যাচের ৩০ ইনিংস। এরপর আছেন টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডধারী হাবিবুল বাশার। এক হাজার রান পূর্ণ করতে খেলেছিলেন ১৬ ম্যাচের ৩২ ইনিংস। সাকিবের লেগেছে ১৯ ম্যাচের ৩৬ ইনিংস।

এই তালিকার পাঁচ নাম্বারে রয়েছেন হারিয়ে যাওয়া রাজিন সালেহ। তিনি ১৯ ম্যাচের ৩৭ ইনিংসে হাজার রান পূর্ণ করেছিলেন। ৬ নাম্বারে শাহরিয়ার নাফীস ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ২ জনই হাজার রান পূর্ণ করতে ৩৮টি করে ইনিংস খেলেছেন। তবে শাহরিয়ার নাফীস ১৯ ম্যাচ খেলেছেন আর রিয়াদ খেলেছেন এক ম্যাচ বেশি। সাত নাম্বারে আছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ২০ ম্যাচের ৩৯ ইনিংস খেলে এক হাজার রান পূর্ণ করেছেন তিনি।

এরপরের স্থানটা আশরাফুলের। ২৩ ম্যাচের ৪৫ ইনিংসে এক হাজার রান পূর্ণ করেছেন তিনি। ৪৬ ইনিংস লেগেছে জাভেদ ওমর বেলিমের। তিনিও ম্যাচ খেলেছেন ২৩টি। মোহাম্মদ রফিক দেশের হয়ে টেস্টে এক হাজার রান করতে খেলেছেন ২৮ ম্যাচের ৫৩টি ইনিংস। তার তিন ম্যাচ বেশি খেলে ৫৯ ইনিংসে এক হাজার রান করেছেন খালেদ মাসুদ পাইলট।

উল্লেখ্য, ১৯২৫ সালে এইচ স্ট্যাকলেইফ মাত্র ১২ ইনিংস ব্যাটিং করে এক হাজারী ক্লাবের সদস্য হয়েছেন।

(দ্য রিপোর্ট/আরআই/সিজি/আরকে/নভেম্বর ০৬, ২০১৪)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

ক্রিকেট এর সর্বশেষ খবর

ক্রিকেট - এর সব খবর