thereport24.com
ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫,  ১১ মহররম ১৪৪০

শিরোপায় জাগরণ উৎসব চায় বাংলাদেশ

২০১৫ ফেব্রুয়ারি ০৭ ২০:৫৬:৫১
শিরোপায় জাগরণ উৎসব চায় বাংলাদেশ

খাদেমুল ইসলাম, দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : পূর্ব দিগন্তে রবিবারের সূর্য নতুন এক বার্তা নিয়ে উদিত হবে। সন্ধ্যায় পশ্চিমাকাশে তা মিলিয়ে যাওয়ার পর জানা যাবে সেই বার্তা। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের শিরোপা দিয়ে জাগরণ উৎসব নাকি আফসোসে সমাপ্ত তা নির্ধারণের আগেই গভীর অন্ধকারে মিলিয়ে যাবে সেই সূর্য। তাতে কি প্রতিযোগিতার ফাইনালে মালয়েশিয়াকে হারিয়ে শিরোপা জিতলে কৃত্রিম আলোতেও রঙ ছড়াবে উৎসবের আমেজ। দীর্ঘদিন পর এমন একটি সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঝিমিয়ে পড়া ফুটবলে জাগরণের অপেক্ষায় খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সংগঠন, ভক্ত-সমর্থক সবাই।

দেড় দশক পর আয়োজন করা হয়েছে এই টুর্নামেন্ট। লক্ষ্য ফুটবলে হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার। ফাইনালে ওঠে সেই জাগরণের একটা বার্তা দেওয়া হয়ে গেছে। এখন উৎসবে মেতে ওঠার পালা। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের তৃতীয় আসর এটি। সিলেটে এই টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডেই হেরেছে বাংলাদেশ। আর ১৯৯৯ সালে শেষবার দলটিকে হারিয়েছিল লাল-সবুজের দল। ফাইনালে এবার কোনো পথে হাঁটবে বাংলাদেশ? সদ্য হারের প্রতিশোধের দাবানলে মালয়েশিয়াকে পুড়ে অঙ্গার করে দেওয়ার চেষ্টা করবে। তাতে দেড় দশকের ইতিহাসেরও পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

বাংলাদেশ অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম অবশ্য প্রতিশোধ কথাটার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। বলেছেন, ‘প্রতিশোধ বলতে কোনো শব্দ নেই। ফাইনাল ম্যাচ ১৭ কোটি মানুষ মনে রাখবে। আমাদের জন্যও হয়ে থাকবে ইতিহাস।’

পরিসংখ্যান মাঠের হিসেবে যতই নগণ্য হোক প্রেরণা অতীতই জোগায়। মালয়েশিয়া কোচ রাজিব ইসমাইলও সেভাবেই ব্যাখ্যা করছেন ইতিহাসকে। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ থেকে ফাইনালকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে বিবেচনা করছেন তিনি। তবে দুই যুগ আগের স্মৃতিকে ভুলে যেতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মালয়েশিয়া লাল দল। সেই ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে ইসমাইল বলেছেন, ‘আমরা টুর্নামেন্টের সাবেক চ্যাম্পিয়ন। ১৯৯৬ সালে শিরোপা জিতেছি। আগামীকালও সে রকম কিছুই প্রত্যাশা করছি।’

চলতি আসরে ঢাকার মাঠ যেন বাংলাদেশের জন্য পয়মন্ত হয়ে আছে। পর পর দু’টি ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে স্বাগতিকরা। দলে নেই কোনো ইনজুরি আতঙ্ক। তবে কিছুটা ক্লান্তি আছে। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মাঝে বাংলাদেশ সময় পেয়েছে মাত্র একদিন। মালয়েশিয়ার চেয়ে যা একদিন কম। তবে ম্যাচটা ফাইনাল হওয়ায় এ নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নন বাংলাদেশের ডাচ কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ। বলেছেন, ‘সেমিফাইনালের পর আমরা একদিন মাত্র সময় পেয়েছি। রিকভারির জন্য এটা খুব কম সময়। তবে মানসিক শক্তিটাই সবচেয়ে বড়। ফাইনাল খেলার আবেগটা ভিন্ন রকম। শিরোপা নির্ধারণ হবে এর মাধ্যমে। তাই প্রতিপক্ষও চাইবে সেভাবেই খেলতে। জয়টাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

ইনজুরির কারণে মালয়েশিয়া দলের ফরোয়ার্ড সাখাওয়াত হোসেন খেলতে পারছেন না ফাইনাল ম্যাচে। তা ছাড়া অপরিবর্তিত দল নিয়েই শিরোপার লড়াইয়ে নামবে অতিথিরা।

হাজার হাজার দর্শকের সমর্থন, অতীত পরিসংখ্যান সবই থাকবে পেছনে। আর সামনে থাকবে দলের পারফরম্যান্স। মাঠেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে শিরোপা উৎসব করতে হবে। সেই উৎসবের জন্যই এখন দেশবাসীর অপেক্ষা।

(দ্য রিপোর্ট/কেআই/সিজি/সা/ফেব্রয়ারি ০৭, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

ফুটবল এর সর্বশেষ খবর

ফুটবল - এর সব খবর



রে