thereport24.com
ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫,  ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

২০১৫ ফেব্রুয়ারি ২০ ২১:৪৬:০৭
শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এ কে এম শামসুজ্জোহার ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে।

কোরানখানি, শোক র‌্যালি, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত, দুস্থদের মাছে খাবার বিতরণ, দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।

১৯৮৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এ কে এম শামসুজ্জোহা মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে ভাষা সৈনিক, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, গণপরিষদের সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সংসদ সদস্য। মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তিনি ২০১২ সালে স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর) লাভ করেন।

শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকীতে শহরের মাসদাইর পৌর কবরস্থানে জেলা পরিষদের প্রশাসক আবদুল হাই, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এহসানুল হাসান নিপু, মাসুদুর রহমান খসরু প্রমুখ উপস্থিত হয়ে দোয়া করেন। তারা এ সময় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

বিকেলে চাষাঢ়ায় মরহুমের ঐতিহাসিক বাসভবন ‘হীরা মহলে’ অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। বিভিন্ন উপজেলা, ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং মহাজোটের শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া কামনা করেন। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ এ সহচরের জীবদ্দশার বিভিন্ন দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- এ কে এম সামসুজ্জোহার বড় ছেলে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সেলিম ওসমান, ছোট ছেলে এমপি এ কে এম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক আবদুল হাই, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নাজিমউদ্দিন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবের সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন আকসির, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি চন্দনশীল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট খোকন সাহা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর হোসেন, শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহমেদ পলাশ, জাসদ নেতা মোহর আলী চৌধুরী, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত বাদল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, শহর সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল আলম সজল প্রমুখ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এ কে এম শামসুজ্জোহা পাকিস্তান আমলে সর্বপ্রথম গাড়িতে বাংলা নম্বর লেখা প্রচলন করেন। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য জনগণের উদ্দেশে ঢাকা বেতার থেকে সরকারের পক্ষে প্রথম ভাষণ দেন। ওই সময় তিনি বেগম মুজিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

স্বাধীন বাংলাদেশে তিনিই প্রথম হাইকোর্টে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। প্রয়াত এ কে এম শামসুজ্জোহার বাবা মরহুম খান সাহেব ওসমান আলী ছিলেন এমএলএ ও কারা নির্যাতিত ভাষা সৈনিক। সহধর্মিনী নাগিনা জোহা একাধারে কবি ও ভাষা সৈনিক ছিলেন।

(দ্য রিপোর্ট/এমএম/এমএআর/ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর

জেলার খবর - এর সব খবর