thereport24.com
ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫,  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

‘বেঁচে আছি এইতো বেশ’

২০১৫ মার্চ ২৫ ২২:১৬:৪৩
‘বেঁচে আছি এইতো বেশ’

বিধান সরকার, বরিশাল : ‘বাড়িতে বৃদ্ধা মা ও আমার ছোট ছোট সন্তানেরা— তাদের সাথে ভেসে উঠল অসহায় স্ত্রী’র মুখখানিও। কতক্ষণ কাঁদলাম। দেখতে থাকলাম, চোখের সামনেই গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে ধৃত সঙ্গীদের। যেন দেহ নিথর হয়ে গেল। চারদিকে ঘোর অন্ধকার। বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়ে এক সময় ত্যাগ করলাম জগৎ-সংসারের মায়া। ডাকতে থাকলাম জগদীশ্বরকে। তারপরও সন্তানদের কচি কচি মুখগুলো যেন, বার বার ঘুরে ফিরে আসে আমার ভাবনার চারপাশে।...’

‘ঘণ্টা ধরে নারকীয় হত্যা যজ্ঞের সর্বশেষ ১১ নম্বরে, আমার পালা। তীরে পড়ে থাকা নিহত তরুণের লাশ খালে নামানোর নির্দেশ আসে। অমনি সময়ে গুলি ছুড়লে কৌশলে খালে পড়ে দেই ডুব। ওপাড়ে গিয়ে ওঠলে ফের গুলি। বাম বাহুতে লেগে মনে হয়েছিল হাত যেন ছিঁড়ে গেল। এরপর টানা ছয়টি ঘণ্টা পানিতে থেকে, নদী-খাল সাঁতরায়ে ওদিন আরও দু’বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে, তবেই পঙ্গুত্ব নিয়ে আজ আমার এই বেঁচে থাকা।’

বলছিলেন বাকেরগঞ্জের কলসকাঠী ইউনিয়নের বাগদীয়া গ্রামের শ্রী অমূল্য চন্দ্র পাল (৯০)। যিনি ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার সেনাদের দ্বারা একযোগে সাড়ে তিন শতাধিক ব্যক্তিকে, নির্মমভাবে হত্যাকালে বেঁচে যাওয়া দু’জনের একজন। সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতির গতিপথ কণ্টকাকীর্ণবলে চাহিদার স্বপ্ন ধূসর হয়ে আসা সেই অমূল্য চন্দ্র পালের আক্ষেপ— ‘বেঁচে আছি এইতো বেশ’!

ঝাঁপসা চোখে, স্মৃতিকাতর শ্রী অমূল্য চন্দ্র পাল বলতে শুরু বলে চলেন, সেদিন ছিল শুক্রবার। বৈশাখের ৩০ অর্থাৎ ১৪ মে ১৯৭১। সকাল ৮টা-সাড়ে ৮টা হবে। এর আগের দিন বলতে বৃহস্পতিবার মুসলিম লীগ সমর্থক কুখ্যাত রাজাকার প্রিন্সিপাল ইসাহাকের চ্যালা-চামুণ্ডা, বেবাজ গ্রামের বক্সপাড়ার লতিফ বক্স, কালু বক্স, বাগদীয়ার বারেক মোল্লা, মধু তালুকদাররা কলসকাঠীর হিন্দু অধ্যুষিত পালপাড়া, সাহাপাড়া, কর্মকারপাড়ায় বলে বেড়ায়— ‘রোজ রোজ পালিয়ে থেকে কী লাভ? মিলিটারি যদি আসে তো, প্রথমে বাজারে আসবে। গুলির শব্দ বা পুল পেরিয়ে আসার আগেই খবর পৌঁছে গেলে, তখন না হয় বাড়ির পেছনের জঙ্গলে গিয়ে পালাতে পারবে অনায়াসে।’ এর আগে প্রতিদিন পাড়ার হিন্দুরা ভোর রাতে উঠে সন্তান-স্বজনদের নিয়ে দূর গ্রাম ডাপরকাঠী, বাগদীয়ার মুসলিম এলাকায় পালিয়ে থাকতেন। আবার সন্ধ্যে হলে তবেই ফিরতেন। কাজ-কর্ম নেই; আয়-রোজগার নেই। মরিচ ভাত খেয়ে অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে দিয়েই দিন কেটেছে তখন। তবে ইসাহাকের চ্যালাদের কথা অনুযায়ী যারাই থেকেছেন, তারাই মারা পড়েছেন বলে জানালেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা অরুণ কুমার দাস খোকন।

কারো কারো মতে, পাকিস্তানী সেনা আক্রমণের একদিন আগে কলসকাঠী সাবপোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার রোজারিও ডি গোমেজ নির্ভরযোগ্য জনাকয়েক ব্যক্তির কাছে সে খবর জানায়েছিলেন। সে তথ্য অবশ্য কেউ কেউ খণ্ডন করে বললেন, পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা এত বোকা ছিল না যে, তাদের অপারেশনের খবর আগাম পাওয়া যাবে। তবে হ্যাঁ, গোমেজ খবর দিয়েছিলেন বটে, তা পাকিস্তানী সেনাদের আক্রমণের খানিকটা আগে। তখন আর কেউ নিরাপদ স্থানে যাবার সময় পাননি। প্রত্যেক বাড়ির পেছনেই ছোট বড় জঙ্গল ছিল। আশ্রয় বলতে সেখানেই স্ত্রী, পুত্র, পরিবার নিয়ে পালিয়ে থাকলেন। বাগদীয়ার অমূল্য চন্দ্র পালও তাই করলেন। তাদের হিসেব ছিল, প্রথমে আক্রমণ হবে বাজারে। গুলির শব্দ শুনতে পেলেই তারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটবেন পূর্বদিকের মুসলমান অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে। তা আর হল কই। অসহায় মানুষগুলোর এই হিসেব পাল্টে দেয় পাকিস্তানী সেনাদের দোসর ইসাহাক রাজাকারের সমর্থকরা।

আউলিয়াপুরের গোলাম মোস্তফা জানালেন, ১৪ মে সকালে তুলাতলী নদী পথে সাহেবগঞ্জ লঞ্চঘাট পেরিয়ে ৩ খানা গানবোট, কলসকাঠীর পাড়ে বলতে পশ্চিম সীমানায় নোঙ্গর করে। আর পাণ্ডব নদী হয়ে কলসকাঠীর পূব সীমানা আঙ্গারীয়া নামক স্থানে ভিড়ে ২টি গান বোট। তার বর্ণনা মতে দু’শতাধিক পাকিস্তানী সেনা অংশ নিয়েছিল কলসকাঠীর অবর্ণনীয় হত্যাকাণ্ডে। এখানে আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুছ ছালাম মাস্টার তখন শিক্ষকতা করতেন কলসকাঠীর বরদাকান্ত-মুক্তাকেশী (বিএম) একাডেমীতে। তিনি জানালেন, পাকিস্তানী সেনারা গ্রামে ঢুকেই হত্যা করে খিরোদ চন্দকে। খিরোদ চন্দ পাকিস্তানী সেনা দেখে খেই হারিয়ে লাফিয়ে ওঠে চিৎকার করে, বর্বরদের আগমনের খবর জানান দিচ্ছিলেন এলাকাবাসীকে। অমনি সময়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা। এরপর একযোগে তুলাতলী নদীর খেয়াঘাটে, জমিদার বাড়ির সম্মুখে বর্তমানে যেখানে করা হয়েছে শহীদের উদ্দেশ্য স্মৃতিফলক সেখানে এবং বাজারের খালের পাড়, এই তিন স্থানে পাকিস্তানী সেনারা চালায় মানুষ নিধনযজ্ঞ। সকালে শুরু হওয়া হত্যাকাণ্ড চলে বিকেল ৫টা অবধি। রক্তে-রক্তে রক্তিম হয়ে ওঠে এলাকাগুলো। তখন পাকিস্তানী সেনারা কলসকাঠী ছেড়ে বরিশালের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয়। আব্দুছ ছালামের মতে এই বর্বর ঘটনায় সাড়ে তিন থেকে চার শ’ পাকিস্তানী সেনা অংশ নিয়েছিল।

সামনে থেকে আক্রমণ চালালে পিছন বলতে পূব দিক দিয়ে, নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারবেন। এই হিসেব করে অন্যদের ন্যায় বাড়ির পিছনের জঙ্গলে, পরিবার সমেত পালিয়ে ছিলেন অমূল্য পাল। দেশীয় রাজাকারদের সহায়তায় স্কুলের উত্তর পাশের ব্রীজ পেরিয়ে পাকিস্তানী সেনারা দু’ভাগে ভাগ হয়। সামনে পিছনে উভয় দিক থেকে তাদেরকে ঘিরে ফেলে। পালাবার কোনো পথ ছিল না। তাদের পালপাড়া থেকে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ৫০ থেকে ৬০ জনকে ধরে নিয়ে আসে। নারী ও শিশুদের রাখা হয় বিএম একাডেমী ভবনের একটি রুমে। আর পুরুষদের রাখা হয়েছিল চাউলের হাটখোলায়। অমূল্য পাল সমেত ১১জন বসেছিলেন ওখানে। রাজ্যের চিন্তা এসে জড়ো হয় যখন তাঁর চোখের সামনে থেকে একজন একজন করে উঠায়ে নিয়ে খালের পাড়ে গুলি করার সময়ে। কীভাবে মারছেন, কে কেমন করে মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করে খালে পড়ে যাচ্ছেন তা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলেন তিনি। হাত পা অবশ হয়ে আসছিল তাঁর। মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন তিনি। অমনি সময়ে তাঁর খুব করে মনে পড়ে বৃদ্ধা মায়ের কথা। যে মা তাকে মাত্র ৫ বছর বয়সে, বাবা দারিকানাথ পাল মারা যাবার পর থেকে মানুষ করেছেন। একে একে মনে পড়ে পরিবারের সবার কথা। অবশেষে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ‘মৃত্যু-যাত্রা’ দেখতে দেখতে সবকিছু ভুলে গিয়ে ঈশ্বরের কথাই স্মরণ করতে থাকলেন।

এমনি করে হত্যার ধারাবাহিকতায় অমূল্য পালের আগের জন ছিলেন— দশাসই এক তরুণ নাম বাবুল সাহা। খালে নামার আগেই পাকিস্তানী সেনারা গুলি করলে, ধর খালের পানে আর দেহ পড়ে থাকে পাড়ে। অমূল্য পালকে ইঙ্গিত করে বাবুল সাহার লাশ খালে ফেলে দিতে। খালে নেমে দুই বাহু ধরে নামানোর চেষ্টাও চালিয়েছিলেন তিনি। আগাম সতর্ক থাকায় গুলি ছোড়া মাত্রই শরীর বাঁকায়ে এক ডুবে খালের ওপাড়ে গিয়ে ওঠেন। মাথা তুলতে দেখা মাত্রই ফের গুলি চালায়। লাগে বাম হাতের বাহুতে। এরপর ফের ডুব দিয়ে খাদ্যগুদামের জেটির নীচে লুকান তিনি। প্রায় ঘণ্টাখানেক ছিলেন পানির নীচে কেবল নাক উঁচিয়ে। ওই সময় গুলি লাগা ক্ষত স্থানে চেলা-পুঁটি মাছ এসে ঠোকরায়ে মাংস ছিঁড়ে খাচ্ছিল। কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলে রেহাই মেলে। তবে অসম্ভব ঘুম পেয়ে যায়। ঘুমের ঘোরে যেন পানির নীচে তলিয়ে যায়। যেই না নাকের ভিতরে পানি ঢোকে অমনি জেগে ওঠেন ফের। জোয়ার শুরু হলে ছোট্ট একটু কচুরীপানা ভেসে এলে তাতে কোনো মতে, নাক ঢেকে পথ চলতে থাকেন। তখন পাকিস্তানী সেনারা তার দিকে পেছন দিয়ে পশ্চিম দিকে মুখ করে বসেছিল। প্রায় শত গজ দূরে যাওয়া মাত্র স্রোতের তীব্রতা বাড়ায় পরনের ধুতি খুলে ফেলতে বাধ্য হন। কুণ্ডু বাড়ির মোড় ঘুরে কালাচাঁন মিস্ত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে দেখেন দুই যুবক ঝোঁপের মধ্য থেকে পাকিস্তানী সেনাদের কার্যক্রম দেখছিল। ওদের কাছে মিনতি করলে অমূল্য পালকে যেইনা তোলতে যায় খাল থেকে, অমনি সময়ে কুণ্ডু বাড়ির সামনে থাকা দুই পাকিস্তানী সেনা অস্ত্র তাক করে ছেলে দু’টির পানে। ও সময় ফের তাকে খালে ছেড়ে দিয়ে যুবকদ্বয় ঝেঁপে লুকায়।

এরপর কচুরীরপানায় মাথা ঢেকে দুর্গাপুরের খাল ধরে ৩ ঘণ্টা পথ চলা শেষে নিকটবর্তী চরায় ওঠেন। হোগলা ক্ষেতের ভিতরে থেকে দেখতে পান এই পাড়ায়ও মিলিটারির উপস্থিতি। সন্তর্পণে উত্তর দিকে একটি বাড়িতে গিয়ে দেখেন কোনো লোক নেই সেখানে। দুর্গাপুরের রাধাকান্তের বাড়িতে গেলে অমূল্য পালকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখে পুরানো একখানা লুঙ্গি দেন তারা। নিরাপদ নয় দেখে ওই খান থেকে আধা কিলোমিটার দূরত্বের অতুল শীলের বাড়িতে আশ্রয় নেন। তখনো তার গুলিবিদ্ধ হাত দিয়ে রক্ত ঝড়ছিল। সেদিকে কখনোই তাকাননি, পাছে যদি রক্ত দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এখানেও বিপদের শঙ্কায় অবশেষে দেড় কিলোমিটার কাদাময় মাঠ পেরিয়ে মালেক মোল্লার বাড়িতে আশ্রয় নেন অমূল্য পাল। শরীরের সব শক্তি ফুরিয়ে এসেছে তখন। একখানা ছেঁড়া হোগলা পেতে দিলে সেখানে শুয়ে পড়েন ক্লান্ত হয়ে। ঘণ্টা খানেক পরে মুসলিম পাড়াতেও পাকিস্তানী সেনাদের উপস্থিতি টের পান। নিকটবর্তী বাড়ির ঘরদোর ভাঙ্গার শব্দ শোনা যায়। অমনি সময়ে আশ্রয়দাতা মালেক মোল্লা বিপদের কথা মনে করে অমূল্য পালকে অন্য কোথায়ও চলে যেতে বলেন। জবাবে তার শরীরে আদৌ নড়ার শক্তি পর্যন্ত নেই, এ কথা জানালে পুকুর ধারের খড়ের গাদার মধ্যে লুকিয়ে রাখেন। দুই ঘণ্টা ছিল সেখানে অমনিভাবে। পাকিস্তানী মিলিটারির চলে যাওয়া নিশ্চিত হলে অমূল্য পালকে সেখান থেকে বের করে এনে বাড়িতে খবর দেন।

অবশেষে পালপাড়ার লোক গিয়ে তক্তার উপর শোয়ায়ে অসুস্থ অমূল্য পালকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন। পরদিন শনিবার ফের খবর আসে আজও মিলিটারি আসবে। আবার অসুস্থ শরীর নিয়ে এবারে একটানা ৮ দিন পালিয়ে ছিলেন দুর্গাপুরের মুসলিমপাড়াতে। বাড়ি ফিরে এসে এখন হাতের কোথায় চিকিৎসা করাবেন? অবশেষে হেলেঞ্চা গাঁয়ের কোদা শীল নামক এক হাঁতুড়ে ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নেন। জীবন নিয়ে এত কষ্ট বলে একদা অনেক লোকের বহরে শামিল হন। বাঁচার তাগিদে প্রিয় জন্মস্থান ছেড়ে রওয়ানা দেন ভারতের উদ্দেশ্যে। কখনো পায়ে হেঁটে কখনোবা নৌকা যোগে। ভেন্নাবাড়ী নামক স্থানে পৌঁছা মাত্র নৌকা আর চলে না। পাকিস্তানী সেনাদের ভয় এড়াতে পাঁচ মাইল হাঁটলে, ফের দশ মাইল পেছনে ফিরেছেন। এই করে দীর্ঘ এক মাস পথ চলার পর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার বাগদা শরণার্থী ক্যাম্পে পৌঁছান। ভগ্নিপতির সহায়তায় কলকাতার নীলরতন হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ হাতের চিকিৎসা করায়েছিলেন। হাতের রগ ছিঁড়ে যাওয়ায় কোনো দিন আর ভাল হবে না বলে চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন।

সেই থেকে আজও অমূল্য চন্দ্র পাল পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে আছেন। গুলিদ্ধি বাম হাত দিয়ে কোনো কাজই করতে পারেন না তিনি। দেশ স্বাধীনের পর ফিরে এসে দেখেন বিরাণ ভিটা। সবকিছু লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এক হাত নিয়ে ফের জীবন সংগ্রামে নামা। কোনো সহায়তা পাননি তিনি এযাবৎ পর্যন্ত, আর কামনাও করেননি। তাই মুক্তিযুদ্ধের সফলতা, বর্তমান রাজনৈতিক জটিলতা ছাপিয়ে উঠে তিনি যে বেঁচে আছেন, এটাই তার কাছে বড় কথা।

(দ্য রিপোর্ট/বিএস/আইজেকেজ/সা/মার্চ ২৫, ২০১৫)

পাঠকের মতামত:

SMS Alert

ফিচার এর সর্বশেষ খবর

ফিচার - এর সব খবর