দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : পুঁজিবাজারে নতুন  প্রোডাক্ট চালু করার আগে সচেতনতার জন্য অন্তত ছয় মাস প্রচারণা চালানো হবে। নতুন প্রোডাক্ট চালু হলে আগামীতে বাজার আরও স্থিতিশীল হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন।

রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে সোমবার বিকেলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডারদের নিয়ে আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজার উন্নয়নে পাঁচটি জিনিসের উপস্থিতি থাকতে হবে। এগুলো হলো- শক্তিশালী আইন কানুনের উপস্থিতি, দক্ষ জনবল, স্টেকহোল্ডার, তথ্য-প্রযুক্তি ও আস্থা। বিএসইসি এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে পরিবর্তন সাধনের চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের এখন ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। তারা এখন এই বাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে। বিএসইসি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যে বিদেশীরা বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ে আরও আস্থাশীল হোক।

বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী বলেন, ‘পুঁজিবাজারে আস্থার সংকট আছে বলে মনে হয় না। তবে যে টুকু সংকট রয়েছে তা বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব সৃষ্টি বলে মনে করেন তিনি।’

তিনি বলেন, এই বাজারে কার ভূমিকা কতটুকু তা পরিষ্কার থাকা উচিত। বিশেষ করে ট্রেকহোল্ডারদের দায়িত্ব পরিষ্কার থাকতে হবে। সেটা না থাকলে আস্থার সংকট বেড়ে যাবে। বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী বলেন, পুঁজিবাজারে আস্থার সংকট আছে বলে মনে হয় না। তবে যেটুকু সংকট রয়েছে তা বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব সৃষ্টি বলে মনে করেন তিনি।

নিজামী বলেন, এক সময় গুজবকে কাজে লাগিয়ে পুঁজিবাজারে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা হত। তবে বিএসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগ শক্তিশালী।

ডিএসই চেয়ারম্যান ও সাবেক বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিম্পোজিয়ামে বিএসইসির মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

(দ্য রিপোর্ট/এএইচ/আর/এনআই/সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৫)