দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক :  জাতিসংঘের গৃহীত নতুন বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সফল বাস্তবায়নে প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অর্থের যোগান দেওয়া। এসডিজি বাস্তবায়নে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্বে প্রতিবছর ৫ থেকে ৭ ট্রিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে প্রতিবছর ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ঘাটতি থেকে যাবে। এই ঘাটতি কোথা থেকে আসবে তার কোনো দিকনির্দেশনা পরিকল্পনায় দেওয়া হয়নি। বলা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থায়নের বেশিরভাগ আসবে। এর বাইরে আরও চারটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে।

সোমবার ব্র্যাক ইন সেন্টারে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবায়ন সম্পর্কিত আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এ সব চ্যালেঞ্জের কথা বলেন।

তিনি বলেন, এসডিজি’র সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন জাতীয় নীতিকাঠামোর ভেতরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়গুলোর যথাযথ অন্তর্ভুক্তিকরণ। একই সঙ্গে এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে বৈশ্বিক শাসনকাঠামোকে আরও সমন্বিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্তি গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, গবেষণা পরিচালক তৌফিক ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

চ্যালেঞ্জগুলো হলো- চলমান অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নীতির সঙ্গে এসপিজি কীভাবে যুক্ত হবে, কোন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার অধীনে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে, কী ধরনের আর্থিক ও সম্পদের প্রবাহ থাকবে এবং জবাবদিহিতার কাঠামো ও সবার অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত করা হবে?

সংবাদ সম্মেলনে দেবপ্রিয় বলেন, ১৭টি অভীষ্ট ও ১৬৯টি লক্ষ্য নিয়ে এসডিজির গাইড লাইন তৈরি করা হয়েছে। এতে একটি আন্তর্জাতিক ঐকমত্যের প্রকাশ ঘটেছে। এই ঐকমত্যে পৃথিবীর সব মানুষের উন্নত জীবন-যাপনের আকাঙ্খার বর্হিপ্রকাশ ঘটেছে। একই সঙ্গে সব দেশের সব মানুষের উন্নত জীবন-যাপনের বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।

(দ্য রিপোর্ট/এআই/এপি/অক্টোবর ০৫, ২০১৫)