দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : সোমবার ছিল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার ৩২তম জন্ম বার্ষিকী। সেই সঙ্গে তার একমাত্র ছেলে সাহেলেরও। এটা ছিল মাশরাশি আত্মজের প্রথম জন্মবার্ষিকী। ২০১৪ সালের মাশরাফির স্ত্রী সুমনা হকের কোলজুড়ে এসেছিল ফুটফুটে এক ছেলে সন্তান। তবে বাবা-ছেলের প্রথম জন্মবার্ষিকী এক সঙ্গে হোম অব ক্রিকেটে পালন করা না হলেও বাবা মাশরাফির জন্মদিনটা ঘটা করেই উদযাপিত হয়েছে।

বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন বার্থডে বয় মাশরাফিকে সঙ্গে নিয়ে কেক কেটেছেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন মিডিয়াকর্মীও। মূলত তাদের উদ্যোগেই মিরপুরে মাশরাফির ৩২তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

১৯৮৩ সালের আজকের দিনে নড়াইলে জন্মেছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। ছোটবেলাটা কেটেছে দস্যিপনায়, স্কুল পালিয়ে চিত্রা নদীতে সাঁতরে, ফুটবল আর ব্যাডমিন্টন খেলে। কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পাওয়ার পর সব পাল্টে গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং কোচ অ্যান্ডি রবার্টস তাকে করেছেন আরও ক্ষুরধার। তৈরি করেছেন ক্রিকেটের জন্য। অমিত প্রতিভার মাশরাফি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ না খেলেই টেস্টে অভিষেক হয়েছিল। বৃষ্টিস্নাত সেই ম্যাচে এক ইনিংস বল করেই ৪ উইকেট নিয়ে মাশরাফি জানিয়েছিলেন তার জামকালো আবির্ভাবের কথা। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ‘নড়াইল এক্সপ্রেসকে। চট্টগ্রামে কিংবা পোর্ট অব স্পেনে, ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম দুটি জয়েই ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। ৩৬ টেস্টে ৭৮ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ৩ ফিফটিসহ ৭৯৭ রানও করেছেন তিনি। আর ১৫৭ ওয়ানডেতে উইকেট পেয়েছেন ২০০টি, রান করেছেন ১,৩৯৯।

গত বছর জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে ওয়ানডের জন্য অধিনায়ক মনোনীত করা হয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে। এরপর তার নেতৃত্বে অনেক সাফল্যের পালক যোগ হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে। বার বার ইনজুরড মাশরাফি নিজেকে মাঠে ফিরতে হয়েছে অস্ত্রোপচারের পর কঠিন লড়াই শেষে। বাংলাদেশে তার মতো আত্মনিবেদিত ক্রিকেটার খুঁজে পাওয়া ভার। দ্য রিপোর্টে পক্ষ থেকে আসুন আমরা উদযাপন করি মাশরাফি জন্মদিনে তার প্রতি লালগোলাপ শুভেচ্ছা জানিয়ে।

(দ্য রিপোর্ট/আরআই/এনআই/অক্টোবর ০৫, ২০১৫)