রাজধানীর অন্যতম শপিং মল বসুন্ধরা সিটিতে আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রবিবার বেলা ১১টায় সূত্রপাত ঘটা এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে রাত ৮টার দিকে।

সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো প্রাণহারির খবর পাওয়া যায়নি। প্রথম নয় এর আগেও ঢাকা শহরের অভিজাত শপিং কমপ্লেক্স বসুন্ধরায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

বসুন্ধরা কমপ্লেক্স কেন বিভিন্ন সময়ে অনেক ভয়াবহ মর্মান্তিক আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়। তা ছাড়া বস্তিতে আগুন লাগা বা গুদামে আগুন লাগার মতো ঘটনা তো আছেই। কিন্তু বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্স-এর মতো আধুনিক একটি শপিং মলে বারবার আগুন লাগার বিষয়টি মানুষ মেনে দিতে নারাজ। আমাদের ধারণা বহু অর্থে নির্মিত এই শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণে সর্বোচ্চ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো কারণে আগুন লাগলে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য রাখা হয়েছে সব রকমের ব্যবস্থা। পাশাপাশি আগুন যাতে না লাগে বা লাগলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা যায় তার জন্য রয়েছে সার্বক্ষণিক নজরদারি। কিন্তু তারপরও কেন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় একাধিকবার আগুন লাগে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না তা সাধারণের বোধগম্য নয়।

রবিবারের আগুনে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কারা কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা স্পষ্ট হতে নিশ্চয় সময় লাগবে। কিন্তু এটা ঠিক যে প্রতিটি বিপর্যয়পূর্ণ ঘটনা অনেক মানুষের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী বিপর্যয়ের কারণ হয়ে থাকে। কিছু মানুষের অসাবধানতার কারণে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তারজন্য অনেক মানুষকে খেসারত দিতে হয়। বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের আগুন লাগার ঘটনাও হয়তো অনেককে নিঃস্ব করে ছেড়েছে।