টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু সেতু গাইড বাঁধে ৪র্থ দফায় ধসে ১০০ মিটার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে ৪র্থ দফা এ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।

এর আগে ৩য় দফা ভাঙ্গানে প্রায় ৪০০ মিটার এলাকা নদী গর্ভে চলে গেছে। এতে করে আতংকে দিন কাটাচ্ছে এলাকাবাসী।

গাইড বাঁধে কয়েক দফা ভাঙ্গনে যমুনা নদীর প্রবাহ পরিবর্তিত হয়েছে। এতে করে কালিহাতী উপজেলার গড়িলাবাড়ী এলাকায় অন্তত ১৫টি বসত ভিটা নতুন করে নদী গর্ভে চলে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত এক দশক যাবৎ গোহালিয়া বাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার বাঁধের কূল ঘেষে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে করে বাঁধের নীচের অংশের মাটি সরে যাওয়ায় এ ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে।

সেতু কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তাও এ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত বলেও তাদের অভিযোগ।

বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় পানির প্রবাহ ব্যহত হচ্ছে। এতে করে বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকিতে পড়েছে। এছাড়াও বাঁধের পাশের ৭টি গ্রাম গরিলা বাড়ি, বেলটিয়া, আলীপুর, বুরুপ বাড়ি, পৌলির চর, দৌগাতি, বেঁড়িপটল বিলীন হয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর দাত্বিপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ওয়াসিম আলী দ্য রিপোর্টকে জানান, বিষয়টি মনিটরিং করা হচ্ছে। ভাঙ্গন রোধে সাময়িকভাবে তীর রক্ষায় ব্যবহৃত জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পানি কমে গেলে তখন স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(দ্য রিপোর্ট/এনটি/সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৭)