মিলন হোসেন, বেনাপোল : ভালো কাজের প্রলোভনে পাচার হওয়া ১০ বাংলাদেশি নারীকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটকের তিন বছর পর বেনাপোল দিয়ে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।

 

রবিবার(৩ সেপ্টোম্বর) বিকাল ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ফেরত আসা নারীরা হলেন, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সোহাগী (২১), রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার পারুল আক্তার (১৭), যশোরের শার্শা উপজেলার র্ঝনা খাতুন (২২) ও সহিরন খাতুন (২১), ঝিকোরগাছা উপজেলার রাশেদা বেগম (২৪), যশোর যদোর এলাকার আলেয়া বেগম (২২), ঝিনেদাহের মহেশপুর উপজেলার নারগিস (১৯), বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার শ্যামলী (২০), সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মায়া দেবী মন্ডোল (২২) ও শ্যামনগর উপজেলার নবিতা নারী সরদার (২০)।

বেনাপোল চেকপেটাস্ট ইমিগ্রেশনের উপ-পরির্দশক (এসআই) ফজলুর রহমান জানান, ভালো কাজের কথা বলে দালালরা তাদের সীমান্ত পথে ভারতে নিয়ে যায়। পরে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতের মুম্বাই শহর থেকে পুলিশ তাদের আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। সেখান থেকে একটি এনজিও সংস্থা তাদেরকে ছাড়িয়ে নিজেদের আশ্রয়ে রাখে। পরে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে তারা দেশে ফেরত আসে।

পুলিশের কাছ থেকে জাস্টিস এন্ড কেয়ার নামে একটি এনজিও সংস্থা তাদেরকে গ্রহণ করেছে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

ঢাকা আহসনিয়া মিশনের স্থানীয় র্কমর্কতা ফাতেমা খাতুন জানান, এরা তাদের শেল্টার হোমের থাকবে। কয়েক দিনের মধ্যে এদেরকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এ সময় কেউ যদি পাচারকারীদের সনাক্ত করে মামলা করতে চায় আইনি সহয়তা করা হবে।

(দ্য রিপোর্ট/এনটি/সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৭)