দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : ১১ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়াকে বেশি বড় লিড নিতে দেয়নি বাংলাদেশ। ৭২ রানে পিছিয়ে ছিল তারা। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে নাথান লিওনকে নিয়ে ভয়টা সত্যি হলো। অসি স্পিনারের বোলিংয়ে ৪৩ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, যার তিনটিই লিওনের। তবে সাব্বির রহমান ও মুশফিকুর রহিমের জুটিতে লিড নিয়েছে স্বাগতিকরা।

সাব্বিরের বাউন্ডারিতে লিড আসে। ৫ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৩ রান। ১১ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে তারা। মুশফিক ১৬ ও সাব্বির ২০ রানে অপরাজিত আছেন।

অস্ট্রেলিয়াকে আর কোনও রান করতে না দিয়েই চতুর্থ দিন সকালে ৩৭৭ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। ৭২ রানের লিড পায় সফরকারীরা। অল্প ব্যবধানের লিডের পেছনে ছুটতে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দুই ওপেনারের ব্যাট তো হাসেইনি। সাকিব আল হাসান ও নাসির হোসেনও ডুবেছেন হতাশায়।

বাংলাদেশের বিপর্যয়ের শুরু সৌম্য সরকারের বিদায়ে। পুরো সিরিজে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি এ ওপেনার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র ৯ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ম্যাট রেনশর ক্যাচ হন সৌম্য। ১১ রানে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে অসিরা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে তার সর্বোচ্চ রান ৩৩, চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে। ঢাকা টেস্টে ৮ ও ১৫ রান করেছিলেন সৌম্য।

এরপর তামিম ৩৮ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। লিওনের স্টাম্পিংয়ের শিকার হন তিনি। দুটি চার রয়েছে এ ওপেনারের ইনিংসে। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯ রান করেছিলেন তামিম। কিছুক্ষণ পর ইমরুলকে ১৫ রানে শিকার বানান লিওন। এক্সট্রা কভারে সরাসরি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ক্যাচ দেন ইমরুল। আগের তিন ইনিংসে তার স্কোর ছিল ০, ২ ও ৪। সাকিবও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রানে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেয় লিওনের শিকার তিনি। পরের ওভারে ও’কিফের বলে মাত্র ৫ রানে ফার্স্ট স্লিপে স্টিভেন স্মিথকে ক্যাচ দেন নাসির।

৯ উইকেটে ৩৭৭ রানে বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেছিল অসিরা। লিওন ও স্টিভ ও’কিফের শেষ জুটি আর কোনও রান করতে পারেননি। রানের খাতা না খুলেই উইকেট হারায় তারা।

প্রথম ওভার সাকিব রান করতে দেননি ও’কিফকে। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান বল হাতে নেন। লিওন তার চারটি বল সামলে নিলেও পঞ্চম বলে ইমরুলকে ক্যাচ দেন। ৩৭৭ রানেই অলআউট অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশের ৩০৫ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া ডেভিড ওয়ার্নারের ১২৩ রান ও পিটার হ্যান্ডসকম্বের ৮২ রানে তারা সাড়ে তিনশ’র উপর রান করে।

মোস্তাফিজ সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। ৩টি পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

(দ্য রিপোর্ট/এনটি/সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৭)