চাটখিল থানার ওসির প্রত্যাহার চেয়ে হাইকোর্টে রিট
দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : নোয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন চাটখিল থানার ওসির প্রত্যাহারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ব্যারিস্টার খোকনের পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
আগামী রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী বলেন, গতকাল চাটখিল থানার ওসির প্রত্যাহার চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে এখনও ওসির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ কারণে আমরা রিট আবেদন করেছি।
এর আগে গতকাল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নোয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) প্রত্যাহার চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেন। ওসির বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্রে মদদ দেওয়া ও গ্রেপ্তার বাণিজ্যের অভিযোগ এনেছেন খোকন।
বুধবার বিকেলে আবেদনটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার কাছে অভিযোগ করেন খোকন।
গত ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে সোনাইমুড়ি বাজারে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষের সময় ছররা গুলিতে আহত হন বিএনপির এ নেতা। সেজন্য সোনাইমুড়ি থানার ওসিকে অভিযুক্ত করে তার প্রত্যাহারে ১৬ ডিসেম্বর আবেদন করেন খোকন।
নতুন করে চাটখিল থানার প্রত্যাহার চেয়ে দেওয়া আবেদনে খোকন বলেন, হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. কামরুজ্জামান শাহীনের বাড়ি গত ১৭ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পুলিশের কাছে কারণ জানতে চাইলে আক্রান্তদের বলা হয় ওসির নির্দেশ আছে।
‘এছাড়া পোস্টার লাগাতে গেলে পুলিশ বিএনপি কর্মীদের গ্রেপ্তার করে। বিএনপি নেতা বিপুল ইসলাম পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তার করলেও ৭০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন ওসি শামসু্দ্দীন। নির্বাচনী এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি হলেও তা উদ্ধারে ওসির অনীহা রয়েছে। এসব অভিযোগ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি। শামসুদ্দিন নিজের অবৈধ অস্ত্রের মদদ দিচ্ছেন। তাই চাটখিল থানার ওসি হিসেবে তিনি দায়িত্বে থাকলে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’
এজন্য তাকে প্রত্যাহার করে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিইসির কাছে আবেদন জানান খোকন।
উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার খোকনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই সোনাইমুড়ি থানার ওসিকে প্রত্যাহার করেছে ইসি।
(দ্য রিপোর্ট/এনটি/ডিসেম্বর ২০, ২০১৮)