দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : উন্মুক্ত মাঠে, মিলনায়তনে কিংবা স্টেডিয়ামেই সাধারণত কনসার্ট হয়ে থাকে। গারুদা ইন্দোনেশিয়া সেই চেনা ছক বদলে দিলো। তাদের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে এখন অন্যরকম চিত্র। ৩৫ হাজার ফুট ওপরে আকাশপথে ইন্দোনেশিয়ার এই পতাকাবাহী বিমান সংস্থার উড়োজাহাজে লাইভ অ্যাকুস্টিক কনসার্ট হচ্ছে। এই আয়োজনে মাইক্রোফোন হাতে শিল্পীরা গাইছেন, একইসঙ্গে গিটারবাদক ছড়ান সুরের মূর্ছনা।

বুধবার (৯ জানুয়ারি) গারুদায় প্রথম ইন-ফ্লাইট কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ফ্লাইটটি পর্যটকদের প্রিয় গন্তব্য বালি দ্বীপে যাচ্ছিল। এ সময় বিমানের কেবিনে দু’জন শিল্পী সংগীত পরিবেশন করেন।

নির্বাচিত ফ্লাইটে ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাইভ কনসার্ট থাকবে বলে জানিয়েছে গারুদা। এসব কনসার্টে মূলত উঠতি প্রতিভাবান শিল্পীদের সুযোগ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে কনসার্টের কারণে বিমানের নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয় সেদিকে সতর্কতা অবলম্বনে করা হচ্ছে।

ইন-ফ্লাইট কনসার্ট কারও কাছে দারুণ ব্যাপার। তবে এই আয়োজন অনেকের বিরক্তিও ঘটাতে পারে। ২০১৭ সালে মার্কিন বিমান সংস্থা সাউথওয়েস্ট ফ্লাইটে লাইভ কনসার্ট আয়োজনের পর এ নিয়ে যাত্রীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। কারও মতে, গান-বাজনার কারণে ঘুম কিংবা পড়ায় ব্যাঘাত ঘটে। তাছাড়া আকাশপথে যাতায়াতের সময় একে অপরের সঙ্গে আলাপচারিতায় সময় কাটানোকে প্রাধান্য দেন অনেকে।

ইন-ফ্লাইট কনসার্ট মোবাইল ফোনে ধারণ করছেন যাত্রীরা
গারুদা ইন্দোনেশিয়া অবশ্য ইন-ফ্লাইট কনসার্টকে ইতিবাচকভাবেই দেখছে। তাদের আশা, ফ্লাইটে ভিন্ন অভিজ্ঞতা প্রত্যাশী যাত্রীদের আকৃষ্ট করবে এই আয়োজন।

বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠা এভিয়েশন বাজারে ইন্দোনেশিয়া অন্যতম। তবে গত বছরের অক্টোবরে লায়ন এয়ার বিধ্বস্ত হয়ে ১৮৯ জনের প্রাণহানির ঘটনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির ওপর।

(দ্য রিপোর্ট/একেএমএম/জানুয়ারি ১১, ২০১৯)