দ্য রিপোর্ট ডেস্ক: ২০১৯ বিশ্বকাপ নাকি পাকিস্তানই জিতবে। হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা দলটি চতুর্থ ও পঞ্চম ম্যাচে হেরেছে। দ্বিতীয় ম্যাচ জেতার পর বৃষ্টিতে ভেসে গেছে তৃতীয় ম্যাচ। এসবই ১৯৯২ বিশ্বকাপের সঙ্গে খাপে খাপে মিলে যাচ্ছে। সরফরাজ আহমেদ হয়তো বাকিটাও মিলিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন।

দলের খারাপ সময়ে উদ্দীপ্ত করতে পারার ক্ষমতাই একজন অধিনায়ককে আলাদা করে দেয়। পাকিস্তানের কিংবদন্তি অধিনায়ক ইমরান খানের সে ক্ষমতা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো শুরু হওয়া বিশ্বকাপে ৯২ বিশ্বকাপে দলকে চাঙা করতে নাকি অসাধারণ এক বক্তৃতা দিয়েছিলেন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ সৃষ্টি করা ইমরানের পথে হাটতে চাচ্ছেন সরফরাজ। দলকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য ড্রেসিংরুমে বক্তৃতা দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক।

ইমরানের সঙ্গে একটু পার্থক্য অবশ্য রেখেছেন সরফরাজ। ইমরানের সে বক্তৃতায় ছিল জেগে ওঠার ডাক, অনুপ্রেরণাদায়ী সাহসের গল্প। আর সরফরাজ ওসবে যাননি। সবাইকে সরাসরি ভয় দেখিয়েছেন। নিউজ ডট কম ডট পিকে জানিয়েছে হারের পর সবার সমালোচনা করে হুমকি দিয়েছেন সরফরাজ। ভারতের বিপক্ষে ৩০ বলে ১২ রান করা সরফরাজ বলেছেন, ‘যদি কেউ মনে করে আমি একা ঘরে (দেশে) যাচ্ছি, তবে সেটা ওদের বোকামি। আল্লাহ না করুক, যদি উলটাপালটা কিছু হয় তবে আমি একা দেশে যাব না (সবাইকে পাকিস্তানে ফিরতে হবে)।’

দলের বাজে পারফরম্যান্সের দায় নিয়ে ক্রিকেটারদের কুশপুত্তলিকা পোরানো কিংবা ক্রিকেটারদের হুমকি দেওয়া খুব স্বাভাবিক ঘটনা পাকিস্তান ও তার প্রতিবেশী ভারতে। এমনকি ক্রিকেটারদের বাসায় হামলাও নতুন কিছু নয়। সরফরাজ তাই সতীর্থদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলে কী হবে সেটা আগেই জানিয়ে দিলেন। সরফরাজের এমন ঝাঁজাল বক্তব্যের সময় কোচ মিকি আর্থার পাশে চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

সরফরাজ অবশ্য একটু ইতিবাচকভাবে শেষ করেছেন বক্তব্য, ‘খারাপ পারফরম্যান্সের কথা ভুলে যাও এবং বাকি চার ম্যাচে দলের পারফরম্যান্স ওপরে তুলে আন।’

(দ্য রিপোর্ট/এমএসআর/জুন ১৮,২০১৯)