দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: আসছে জানুয়ারিতে পাকিস্তানের মাটিতে পূর্ণঙ্গ সিরিজ খেলতে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। যেখানে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুই ম্যাচে টেস্ট সিরিজ রয়েছে। এই সফরকে নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে বাক্যবিনিময় চলছে। এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট নামজুল হাসান পাপন জানিয়ে দিলেন, এই সফরে দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফরা যেতে চান না।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের পাপন বলেন, ‘পাকিস্তান সফরে কোচিং স্টাফ ও অনেক ক্রিকেটার যেতে চান না। এই সফরে নিয়ে তাদের পরিবারও উদ্বিগ্ন। এমনকি বিসিবিও শঙ্কিত।’

এর আগে বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন জানান, পাকিস্তান সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজের পরই টেস্ট সিরিজের সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ। আর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সভাপতি এহসান মানি এক প্রকার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, পাকিস্তানের সব ম্যাচ পাকিস্তানেই হবে। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে চাইলেও পাকিস্তানে টেস্ট সিরিজ খেলতে অনীহা প্রকাশ করায় পাকিস্তান কোচ মিসবাহ উল হক ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।

পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে গত মঙ্গলবার নিজামউদ্দিন জানান, বিসিবি পিসিবির ব্যাপারটি বুঝেছে। তবে বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টের বিষয়টিও দেখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান অবশ্যই তাদের দেশে পূর্ণ সিরিজটি আয়োজন করতে চাইবে। তবে আমাদের খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টের দিকও বিবেচনা করতে হবে। ম্যাচের পরিবেশও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানে লম্বা সফর সূচিতে অনান্যদের মতাতমও দেখা দরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক প্রস্তাবনা হচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে ক্রিকেটার ও টিম ম্যানেজমেন্ট পরিস্থিতিটা মূল্যায়ন করুক।’

সম্প্রতি ১০ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে অক্টোবর ও ডিসেম্বরে দুই ভাগে লঙ্কানরা পাকিস্তান সফরে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ খেলেছে। ওয়ানডে সিরিজে তো দেশটির প্রথমসারির কোনো ক্রিকেটারই সফর করেনি। তবে দুই সিরিজেই কোনো আপত্তিকর ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে ২০০৯ সালে এই শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের টিম বাসেই সন্ত্রাসী হামলা হয়। পরবর্তীতে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনে একপ্রকার নির্বাসিতই ছিল পাকিস্তান।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/ডিসেম্বর ২৬,২০১৯)