দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: আসন্ন ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় রাজনৈতিক সমাবেশের কারণে চলাচল, যোগাযোগ ও যানবাহনের গতিবিধি বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে যুক্তরাজ্য। সেই সঙ্গে সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কায় বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে দেশটি।

 

ব্রিটিশ সরকারের ফরেন ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ঢাকায় সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের অনুরোধ করা হয়েছে।

এই সতর্ক বার্তায় ১০ ডিসেম্বর ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সংঘাতেরও আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করে বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের রাজনৈতিক র‌্যালি, সমাবেশ ও বড় ধরনের জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ। ওই দিন রাজধানী ঢাকায় কী হচ্ছে, এরই মধ্যে নানা মহলে এমন আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ যেভাবে এই সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে পাল্টা কর্মসূচিসহ সতর্ক পাহারা বসানোর পরিকল্পনা করছে, তাতে আলোচনা আরও ভিন্ন মাত্রা পাচ্ছে। ফলে ১০ ডিসেম্বর আসলেই ঢাকায় কী হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে রাজনীতিতে নতুন একটা পরিস্থিতির আভাস দিচ্ছে।

যদিও বিএনপির নেতারা বলছেন, তারা সারাদেশে বিভাগীয় পর্যায়ে যে গণসমাবেশ করেছেন, তারই ধারাবাহিকতায় ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় গণসমাবেশ হবে। ৯টি বিভাগে সমাবেশের পর ঢাকায় তাদের শেষ গণসমাবেশ। এই সমাবেশ ঘিরে ঢাকা দখল বা অবরুদ্ধ করে সরকার পতনের ডাক দেয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। শুধু বড় জনসমাবেশ করাই তাদের লক্ষ্য। বরং সরকারি দলের নেতা ও মন্ত্রীরা এই কর্মসূচিকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছেন যে তাতে মনে হচ্ছে সে দিনই ঢাকা দখলে নিয়ে সরকারের পতন ঘটাবে বিএনপি। আদতে সে রকম কিছু নয়।