দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রদের প্রার্থী হওয়ার পথ সহজ করতে ২৫০ জন ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ১০ গুণ বাড়ানো ও প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচারসহ একগুচ্ছ সংশোধনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় ইসি।

 

মঙ্গলবার কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। আগামী ৪ মে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এবার মোট চারধাপে অনুষ্ঠিত হবে ভোট।

ইসি জানিয়েছে, আগামী ১১ মে দ্বিতীয় ধাপ, ১৮ মে তৃতীয় ধাপ এবং ২৫ মে হবে চতুর্থ ধাপের নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা ও আচরণ বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবারের সভায় বেশকিছু প্রস্তাব অনুমোদন পায়। সভায় প্রস্তাব করা হয়, উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ২৫০ জন ভোটারের যে স্বাক্ষরের বিধান ছিল, তা আর লাগবে না। অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উপজেলা ভোটে চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বৃদ্ধি করে ১ লাখ টাকা এবং ভাইস চেয়ারম্যানের ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসি সচিব মো জাহাংগীর আলম বলেন, ‘স্বতন্ত্র পদপ্রার্থীদের যে ২৫০ জন ভোটারের পূর্ব সম্মতি প্রয়োজন হতো সেটাকে বিলুপ্ত করার জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তার পরিবর্তে আমাদের জামানতের অর্থ বাড়ানো হয়েছে। চেয়ারম্যান পদের জন্য ১ লাখ টাকা আর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা এবং পুরুষ তাদের জন্য ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এটি একটি সিদ্ধান্ত।’