thereport24.com
ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬,  ১ রজব ১৪৪১

বইমেলায় বসন্তের ছোঁয়া

২০২০ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১০:২৩:২০
বইমেলায় বসন্তের ছোঁয়া

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: বসন্তের আগমনী বাতাসে আন্দোলিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা। লেখক-পাঠকের পদচারণায় বইমেলা এখন প্রাণবন্ত। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মেলাপ্রাঙ্গণ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাসন্তি সাজে ও ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে বইমেলা। এই বাসন্তী সাজের আমেজ দোলা লেগেছে বইমেলাতেও। মেলায় সঞ্চারিত হয়েছে নতুন প্রাণ।

মেলা ঘুরে দেখা যায়, শিশু থেকে প্রবীণদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বইমেলা। কেউ পরিবার, কেউ প্রিয়জন এমনকি বন্ধুদের সঙ্গে দলবেঁধে মেলায় আসছেন। কেউ স্টলে স্টলে ঘুরছেন, কেউ বই কিনছেন আবার কেউবা প্রিয়জনের সঙ্গে কিছু সময় কাটানোর জন্য এসেছেন বইমেলায়। আবার অনেক লেখক পাঠকের তুমুল আড্ডাও দেখা গেছে মেলার বিভিন্ন প্রান্তে।

বিক্রেতা ও প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এখনও বইমেলায় চাহিদার শীর্ষে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বই। হিমু আর মিসির আলীর ভক্তদের আনাগোনা সারাবেলাই থাকছে। মেলায় কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রকাশনীতে হুমায়ূন আহমেদের বই পাওয়া যাচ্ছে। এসব স্টলে সারাদিন ভিড় লেগেই থাকছে। অন্যপ্রকাশের স্টল প্রতিবারই হুমায়ূনভক্তদের কথা মাথায় রেখেই তার বই বিক্রির ব্যবস্থা করে। স্টলের সামনের দিকে সাজিয়ে রাখা বেশিরভাগ বই হুমায়ূন আহমেদের লেখা। হুমায়ূনভক্তরা আসছেন, বই হাতে নিয়ে খুলে দেখছেন। কেউ কেউ বই কিনেও নিয়ে যাচ্ছেন।

মেলায় রাফিদ নামক এক হুমায়ূনভক্ত বলেন, হুমায়ূন আহমেদের লেখা অন্যরকম। তার লেখার ধাঁচ এমন যে পাঠক এক লাইন পড়ার পর পরের লাইন খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বে এবং তা পুরাটা পড়ে শেষ করবেই। আমরা হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা তাকে সত্যি খুব মিস করি। অন্যপ্রকাশ স্টলের এক বিক্রেতা জানান, বইমেলায় প্রতিবছরই হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রচুর চাহিদা থাকে। সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে থাকি।

একইচিত্র দেখা গেল কাকলী প্রকাশনীর সামনেও। হুমায়ূন আহমেদের বই হাতে নিয়ে পড়ছেন পাঠক। আবার কেউ কেউ বই বেছে নিচ্ছেন। এই স্টলের ম্যানেজার রেজাউল জানান, হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের মধ্যে হিমু-মিসির আলীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

মেলার তাম্রলিপি প্রকাশনী থেকে হুমায়ূন আহমেদের ৮টি সংকলন বের করা হয়েছে। তাম্রলিপির স্বত্বাধিকারী এ কে এম তারিকুল ইসলাম রনি বলেন, হুমায়ূন স্যারের চাহিদা সবসময় বেশি ছিল, আছে এবং থাকবে। আমরা তার গল্প, উপন্যাস, কিশোর উপন্যাস, সেরা ৫ হিমু, সেরা ৫ ভৌতিক উপন্যাস, সেরা ৫ মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস সংকলন করে ৮টি বই তৈরি প্রকাশ করেছি।

বাংলা একাডেমি জানায়, বুধবার মেলায় নতুন বই এসেছে ১৫৪টি। আর বুধবার পর্যন্ত জমা বইয়ের সংখ্যা ১ হাজার ৪৪২টি। এর মধ্যে গল্প ১৯০টি, উপন্যাস ২৪৮টি, প্রবন্ধ ৯০টি, কবিতা ৪২২টি, গবেষণা ৩০টি ছড়া ২১টি, শিশুতোষ ৫৬টি,জীবনী ৪৭টি, রচনাবলী ৩টি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই ৫৫টি এবং ২৯টি সায়েন্স ফিকশন রয়েছে।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/ফেব্রুয়ারি ১৩,২০২০)

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

SMS Alert

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর