thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০, ২২ আষাঢ় ১৪২৭,  ১৬ জিলকদ  ১৪৪১

করাচিতে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৯৭, উদ্ধার ২

২০২০ মে ২৩ ১৩:০৬:৩০
করাচিতে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৯৭, উদ্ধার ২

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক: ৯১ যাত্রী ও ৮ ক্রু নিয়ে শুক্রবার করাচির মডেল কলোনি নামে পরিচিত একটি আবাসিক এলাকায় পাকিস্তানি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) একটি যাত্রীবাহী বিমান আছড়ে পড়ে। এ দুর্ঘটনায় দুইজন বাদে বিমানের সব আরোহী নিহত হওয়ার খবর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

সিন্ধু স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ৯৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন এবং দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে জানান। করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে থাকতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

পিআইএ মুখপাত্র আব্দুল্লাহ হাফিজ বলেছেন, এ৩২০ এয়ারবাসটি ৯৯ আরোহী নিয়ে লাহোর থেকে করাচি যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পিকে ৮৩০৩ ফ্লাইটটি দুই থেকে তিনবার ল্যান্ডিংয়ের ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর বিমানবন্দরের কাছে ওই আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।

দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই থাকা শাকিল আহমেদ ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘উড়োজাহাজটি প্রথমে একটি মোবাইল টাওয়ারে আঘাত করে এবং বাড়ির ওপর বিধ্বস্ত হয়।’ সিন্ধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম সমন্বয়ক মিরান ইউসুফ দুই যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। দুই আরোহীর নাম জুবায়ের ও জাফর মাসুদ। মিরান জানান, শরীরের ৩৫ শতাংশ ‍পুড়ে গেছে জুবায়েরের। আর পেশায় ব্যাংক অব পাঞ্জাবের প্রেসিডেন্ট জাফরের চারটি হাড় ভেঙে গেছে। দুজনকে ভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে বললেন মিরান।

প্রাথমিকভাবে আরেকজনকে উড়োজাহাজ থেকে জীবিত উদ্ধারের খবর জানা গেলেও পরে নিশ্চিত করা হয়েছে তিনি দুর্ঘটনাস্থলের এলাকার বাসিন্দা। বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় আবাসিক এলাকার ওই নারীসহ ১১ জন আহত হয়েছেন, তাদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল। আহতদের অধিকাংশই নারী, কারণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছিল জুমার নামাজের সময়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আসা বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে দুর্ঘটনার পরপরই আবাসিক এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। হতাহতদের উদ্ধারে অ্যাম্বুলেন্স ও উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের সহায়তা করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে আকাশেই বিমানে আগুন ধরে যায়।

আরেক ভিডিওতে ইধি কর্মী ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের ধ্বংস হওয়া বিমানের যন্ত্রাংশ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ করতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার পরপরই সিন্ধু স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ মন্ত্রণালয় করাচির সব বড় হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/২৩মে, ২০২০)

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

SMS Alert

বিশ্ব এর সর্বশেষ খবর

বিশ্ব - এর সব খবর