thereport24.com
ঢাকা, সোমবার, ২০ মে 24, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১,  ১২ জিলকদ  1445

ডেঙ্গুর ব্যাপকতা রোধে ২০ লক্ষ পিস আইভি ফ্লুয়েট কিনছে সরকার

২০২৩ সেপ্টেম্বর ১৯ ২০:২৪:৫০
ডেঙ্গুর ব্যাপকতা রোধে ২০ লক্ষ পিস আইভি ফ্লুয়েট কিনছে সরকার

আমির হামজা,দ্য রিপোর্ট:বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির ব্যাপকতায় ডেঙ্গু মশার বিস্তার বেড়ে যাওয়া সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যভাগে এ রোগ না কমে বরং বেড়ে যাওয়া ৪ কোটি ৪৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০ লক্ষ পিস আইভি ফ্লুয়েট কিনছে সরকার।

চলতি মাসের ১৮ তারিখ পর্ষন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসেবে দেশে ডেঙ্গু রোগে মোট ৮৩৯ জন মারা গেছে। তবে বেসরকারী হিসেবে ডেঙ্গু রোগে মৃত্যুর সংখ্যা কয়েক গুণ বাড়বে।ডেঙ্গু রোগের পরিস্থিতি মারাত্বক আকার ধারণ করায় স্বাস্থ্য বিভাগ সরাসরি ক্রয় পদ্বতির মাধ্যমে ২০ লক্ষ পিস আইভি ফ্লুইড ক্রয়ের প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রি সভা কমিটি আগামীকাল উঠার কথা রয়েছে। ভার্চুয়্যাল এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

স্বাস্থ্য বিভাগের সিনিয়ার সচিব ড. মু.আনোয়ার হোসেন হাওলাদার স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কিছু ধারণা করা হয়েছিল সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যভাগে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব হ্রাস পাবে কিন্তু, সাম্প্রতিক সময়ে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির ব্যাপকতায় ডেঙ্গু মশার বিস্তার আরো বেড়ে যাওযার সারা দেশের ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্বি পেয়েছে। এর কারণে সারা দেশে আইভি ফ্লুইডের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে । এ পর্যায়ে দূর্যোগ মোকাবেলায় সারা দেশের সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার স্বার্থে জরুরি প্রয়োজনে আরও ২০ লাখ পিস আইভি ফ্লুইড সরাসরি ক্রয় পদ্বতি অনুসরণ করে সরাসরি ক্রয় করার প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ হতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে , ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্বক আকার ধারণ করায় ডেঙ্গু রোগ মোকাবেলায় জরুরি পরিস্থিতিতে ১২ লক্ষ পিস নরমাল স্যালাইন ১০০০ এমএল এবং ৮ লাখ পিস গুলুকোস স্যালাইন। মোট ২০ লক্ষ পিস আইভি ফ্লুইড ক্রয়ের নিমিত্তে সরাসরি ক্রয় পদ্বতি অনুসরণ করে ক্রয়ের জন্য পিপিআর ২০০৮ এর বিধি ৭৬( ২) এ উল্লিখিত মূল্যসীমার উর্ধ্বে ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটির সানুগ্রহ বিবেচনা এবং নীতিগত অনুমোদনের জন্য সার- সংক্ষেপ মন্ত্রী সভা কমিটিতে উপস্থাপন করা হলো।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই ছয় কোম্পানি মাসে সাড়ে ৪৬ লাখ ব্যাগ স্যালাইন উৎপাদন করে। এর মধ্যে আছে সাধারণ স্যালাইন, গ্লুকোজ মিশ্রিত সাধারণ স্যালাইন ও কলেরার স্যালাইন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একমাত্র ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আগস্টে আমরা সাড়ে আট লাখ ব্যাগ স্যালাইন সরকারি হাসপাতালে সরবরাহ করেছি। সেপ্টেম্বরের ১৪ দিনে সরবরাহ করেছি সাড়ে তিন লাখ ব্যাগ।বাজারে কেন স্যালাইন সংকট চলছে । এমন প্রশ্নের উত্তরে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ডেঙ্গু রোগীর কারণে স্যালাইনের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। ওষুধ কোম্পানিগুলো ২৪ ঘণ্টা উৎপাদনে আছে। তারপরও চাহিদার পুরোটা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যার কথা শোনা যাচ্ছে। আমদানি করা স্যালাইন দেশে পৌঁছালে সমস্যা আর থাকবে না।

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

SMS Alert

স্বাস্থ্য এর সর্বশেষ খবর

স্বাস্থ্য - এর সব খবর