ভাষা চেতনা, মিডিয়ার বহুলতা ও সৃজনশীলতার ভবিতব্য

মহিউদ্দীন মোহাম্মদ : মানুষ এমন তয় একবার পাইবার পর/নিতান্ত মাটির মনে হয় তার সোনার মোহর'।
বায়ান্ন'র ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে সংস্কৃতির যে স্বাতন্ত্র্য অর্জিত হল বিষয়টি কি তা এমনই? আমরা একটা কঠিন সময়ের মধ্যে উপস্থিত হয়েছি। সামনে আরও কঠিন দিন। এত এত বাংলা মিডিয়া। কত লেখালেখি। তবু প্রশান্তির ঢেকুরটুকু তুলতে কি পারছে পাঠককুল তা পড়ে? যা হচ্ছে, তাতে কালিক প্রশ্নটি আরও বিষাদে- অনেকক্ষেত্রে আচ্ছন্ন করছে। কী হতে কী যে হয়, জানি না! এই শংকা নিযে বসত করে কত জনাই। মানুষ হিসেবে প্রত্যেকেরই এটা একটা সীমাবদ্ধতা। সেখান থেকে উত্তরণের জন্য সম্ভাব্য কিছু বয়ান সে সামনের জন্য রেখে দেয়। কখনও সেই বিশ্লেষণ প্রামাণ্য হয়ে ওঠে, কখনও তা ভ্রান্তিতে পর্যবসিত হয়। তবে নতুন একটা সূত্রমুখ সেখান থেকে দৃশ্যমান হয়— তা অস্বীকারের সুযোগ কই। পয়লা বলে রাখি 'সালাম রফিক উদ্দীন জব্বার কী বিষণ্ন থোকা থোকা নাম' তাদের কথা আজ যখন মনে পড়ছে, সে মুহূর্তে লজ্জায় মাথা নত হয়— আমরা বহুকাল ধরে সেই সব লেখকের সন্ধান পাচ্ছি না যারা বাংলার চেহারাটাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে। আমরা সেই 'গডো'র জন্য অপেক্ষা করছি।
লক্ষণীয়, সম্প্রতি বাংলা ভাষার বিশিষ্ট কবি আল মাহমুদের একটি আফসোস নিয়ে। সেখান থেকে সামনের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ নতুন লিখিয়েরা পোষণ করতে পারেন। তিনি ঢাকার একটি দৈনিকের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, 'একটি দেশে ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশ কখন কীভাবে ঘটে তা অনেক সময় সঠিকভাবে বোঝা যায় না। আমাদের যতই বিপদ-আপদ থাক না কেন এ দেশের মানুষের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা যদিও মাতৃভাষার গৌরব বৃদ্ধি করার দাবী করি এবং এর জন্য মাঝে মধ্যে আন্দোলনও করি, কিন্তু আমাদের মধ্যে একটা সচেতনতা আছে যে ইংরেজি জানতে হবে।
ইংরেজি ভাষা জানা দরকার। বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হলে ইংরেজি জানা প্রয়োজন। কিন্তু মাতৃভাষার উন্নতির জন্য এ দেশে যে খুব একটা কিছু হয়েছে তা আমার মনে হয় না। তবে কম-বেশী, ভালো-মন্দ মিলিয়ে শিল্প-সাহিত্য আমাদের দেশে সৃষ্টি হয়েছে। এর মূল্যায়ন করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। একটা সময় আসে যখন সাহিত্য সংস্কৃতি থিতিয়ে দানাবাঁধে, তখন এ নিয়ে গবেষণা হয়। আমার মনে হয় বাংলা ভাষার ব্যাপারেও এটাই ঘটবে।
আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অগ্রগতি হচ্ছে কিন্তু কবি-সাহিত্যিকের সংখ্যা বাড়ছে না। সৃজনশীল সাহিত্য যাকে বলে
তা আমাদের দেশে যথেষ্ট বা যথার্থ সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়নি— এটা খুবই অন্তরালবর্তী সত্য। সবচেয়ে বড় কথা হল, ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে আমাদের দেশে লেখকের সংখ্যা বাড়াতে হবে। যদিও বলা হয় কবি-সাহিত্যিকের সংখ্যা অনেক বেড়েছে, কিন্তু তা সত্য নয়। বরং কবির সংখ্যা কমেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে এমন একটা সময় আসবে যখন লেখকই পাওয়া যাবে না। এ ধরনের ঘটনা কেন ঘটছে এটা বলা মুশকিল। তবে এর জন্য একদিকে দায়ী রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্যদিকে মানুষের জীবিকার ক্ষেত্র বদলে যাচ্ছে। আগে সমাজ থেকে লেখক বেরিয়ে আসত কিন্তু এখন তেমনটি হচ্ছে না। এর একটি কারণ হচ্ছে বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে বেশ কয়েকটি প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া তৈরী হয়েছে। বুদ্ধিমান ছেলেরা লেখার বিকল্প হিসেবে এ সব মিডিয়ায় নানা রকম কাজ করছে। ফলে এখন নিবিষ্ট মনে লেখা বা সাহিত্য চর্চা কেউ করছে না।'
এই আফসোস আমাদেরকেও ভাবিযে তোলে। আসলেই এটি ভাবনার বিষয়। যেহেতু এখন মিডিয়ার বহুলতা, তার ভেতর দিয়ে বহু লেখালেখির সাথে সাক্ষাৎ ঘটছে। কিন্তু সৃজনশীল লেখার আসলেই আকাল। পন্থে পন্থে ঘুরে যেন চাকা। একই রকম চক্রের কাছে মিডিয়া প্রতিদিন ধর্ণা দিচ্ছে। কাড়ি-কাড়ি অর্থ ব্যয়েও শৈল্পিক কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এ থেকে অবশ্যই উত্তরণ দরকার। সাহিত্য, সংস্কৃতির একটা বড় বাহন। সংস্কৃতির সৌষ্ঠব তৈরীতে তার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এটাকে যদি অনিন্দ্য সুন্দরের দিকে না নেওয়া যায়—সংস্কৃতির শরীরটাও পুষ্ট হতে পারে না। ফলে মানুষের রুচিটাও বদলে যাবে। তার আকর্ষণটা অরক্ষিত স্বাধীনতার জৌলুসে জেকে বসবে 'পরাধীনতা'।
এ থেকে উত্তরণের পথ হিসেবে আল মাহমুদ বলছেন, 'বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের উচিত লেখকদের পৃষ্ঠপোষকতা করা। কিন্তু এটা আমাদের দেশে আমি দেখতে পাচ্ছি না। সরকার কোনো সময়ই সাহিত্যিকদের জন্য কিছু করে না— এটা আমার বিশ্বাস। ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে ইনস্টিটিউট যেটা আছে তা হল বাংলা একাডেমী। সরকারের উচিত এ ধরনের আরও প্রতিষ্ঠান তৈরী করা।'
এ সব জারিত ভাবনার দরোজায় আরও চিন্তাও শামিল হয় স্বাভাবিক বাস্তবতায়। আমাদের সম্ভ্রান্ত শ্রেণীর সমাজ-নিয়ামকরা চাইছেন তাঁদের সন্তানসন্ততি কম্পিউটার-বিজ্ঞানেও সমান দক্ষ হোক, কম্পিউটারের ভাষা শিখুক, নইলে প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীতে ঠাঁই পাবে না! একসঙ্গে তিনটি ভাষার মাতৃভাষা, ইংরেজি, কম্পিউটার-ভাষা পরস্পরকে গুঁতোগুঁতি, তবে ইংরেজি ভাষার মধ্যে কম্পিউটারের ভাষাকে সহজেই ঠাঁই দেওয়া যায় উপভাষা হিসেবে। সেই কাজ মোটামুটি হয়েও গেছে। সুতরাং, দ্বন্দ্বটি দাঁড়াচ্ছে মাতৃভাষা ও কম্পিউটার-ভাষা-আত্মস্থ-করা ইংরেজি ভাষার মধ্যে। সমস্যাটি শুধু শিক্ষাক্রমেই নয়, সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রেও, খবরের কাগজে ব্যবহৃত ভাষা, টেলিভিশনে সঞ্চালক-সঞ্চালিকাদের বক্তব্যের ভাষা, সরকারি দফতরে ফাইল চালাচালির ভাষা, বিচারালয়ের ভাষা, বিজ্ঞাপনের ভাষা, সর্বত্রই সংকট। অথচ এই দ্বন্দ্ব থেকে উত্তীর্ণ হতে না পারলে গোটা সামাজিক-আর্থিক ব্যবস্থাই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা। এই মুহূর্তে সমাজের যাঁরা কর্ণধার, তাঁদের বিশেষ শুচিবায়ু নেই, রবীন্দ্রনাথের ভাষার শুদ্ধতা চিরকাল অক্ষুণ্ণ রইল কি না, সে বিষয়ে তাঁদের স্পষ্টতই মাথাব্যথা নেই, তাঁরা ‘কেজো’ সমাধানের অন্বেষী, তাঁদের নিজেদের ঘরের ছেলেমেয়েরা চমৎকার ইংরেজি বোঝে, কম্পিউটারের ভাষা বোঝে, মাতৃভাষায় আড়ষ্ট। অন্য পক্ষে গরীব ছাপোষাদের সন্তানসন্ততি যা-ও একটু-আধটু মাতৃভাষায় নিজেদের প্রকাশ করতে পারে, ইংরেজি ও কম্পিউটারের ভাষার উল্লেখে তারা ফ্যালফ্যাল তাকিয়ে থাকে। সমাজের মাথায় যাঁরা অবস্থান করছেন, প্রশাসন পরিচালনার ব্যাপারেও অনুরূপ অনুশাসন জারি হবে, কাছারি-আদালতেও তাই, সরকার সম্ভবত আশা পোষণ করবেন, সংবাদপত্রাদি, টেলিভিশন চ্যানেলসমূহ, সেই সঙ্গে সমগ্র সাহিত্যিক সম্প্রদায়, এই নীতি অনুসরণ করে সামাজিক সুস্থিতি সমাজে ফিরিয়ে আনবেন।
এটা ঠিক যে, একুশ শতকের এই তথ্য-প্রযুক্তির পৃথিবীতে বিশ্বায়নের ফলে একদিকে যেমন ভৌগোলিক সীমানার বাধা অতিক্রম করে দেশ-জাতিগুলো পরস্পরের কাছে চলে এসেছে, তেমনি মুক্তবাজার আর অবাধ বাণিজ্যের নামে একের পণ্য সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে অন্যের দরজায়। শুধুমাত্র পণ্য নয়, বিশ্বায়নের ঝাঁপটায় আমাদের যে দুর্বল জানালাগুলো খুলে গিয়েছিল সেখান দিয়েও এখন অবাধে চলে আসছে অন্য দেশের, অন্য ভাষার, অন্য জাতির সংস্কৃতি। দরিদ্র দেশ অভাব মেটাতে উন্নত দেশ থেকে যে পণ্য আনে সেখানে শুধু পণ্যই আসে না, তার সঙ্গে আসে সে দেশের সংস্কৃতি ও ভাষার নানা উপাদান। আমরা উন্নত বিশ্ব থেকে মোবাইল প্রযুক্তি এনেছি, একই সঙ্গে এসে গেছে রোমান হরফের এসএমএস আর মোবাইল সংশ্লিষ্ট ডিজ্যুস সংস্কৃতি। আরও উদাহরণ দেওয়া যায়- আমরা এফএম ব্যান্ড রেডিও স্টেশন ধারণা ও ব্যবসা আমদানী করেছি, এর সঙ্গে চলে এসেছে ইংরেজি ভঙ্গিতে বাংলা উচ্চারণ আর সুপ্রভাতের পরিবর্তে গুডমনিং, গান না শুনিয়ে ‘মিউজিক প্লে’ করা কথায় কথায় সো, থ্যাঙ্কস, লিসেনার জাতীয় এক সময়ের ঔপনিবেশিক এবং একালের বহুজাতিক কোম্পানির বোতলজাত সংস্কৃতি। এই বিশ্বায়ন আর বিদেশী সংস্কৃতির প্রতাপে আজ বাঙালীর সংস্কৃতি-ভাষা ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা ভেবে দেখা অবশ্যই জরুরী। এ সব কিছু অনেকের মতোই খুব ভালোভাবেই সমঝেছেন এসময়ের একজন চিন্তানায়ক প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনিও একইভাবে সৃষ্টিশীলতাকে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। সে কারণে তিনি বলেন,‘খুব একটা বড় ব্যাপার হচ্ছে সৃষ্টিশীলতা। দেশে সৃষ্টিশীলতা যে নেই তা নয়, আছে। ব্যক্তিগতভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা, উদ্ভাবন, সৃষ্টি এসব অনেকেই করছেন। কিন্তু কোনো সৃষ্টিই ব্যক্তি একা করে না, করে অনেকের সাহায্য, সহযোগিতা ও সমর্থন নিয়ে। মাতৃভাষা ওই সমষ্টিগত হওয়ার ব্যাপারটাকে নিশ্চিত করে। মাতৃভাষার মাধ্যমে সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে অন্য ভাষার ভেতর দিয়ে সৃষ্টিশীলতার চর্চার ব্যবধানটাকে টবের গাছের সঙ্গে মাটির গাছের পার্থক্যের তুলনা করাটা কৃত্রিম হবে না। বিশ্বায়ন আজ পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলছে, এটা হচ্ছে পুঁজির আগ্রাসন বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে; এ আগ্রাসন স্থানীয় সংস্কৃতি ও উৎপাদনকে পারলে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে বিশ্বব্যাপী একটি জঙ্গল ও জংলিপনার সৃষ্টি করতে চায়, তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হলে মাতৃভাষার সাহায্যে দাঁড়াতে হবে। বিশ্বকে আমরা উদ্যান হিসেবে দেখতে চাই, জঙ্গল হিসেবে নয়।
আজকের দিনে বাংলাদেশের বাংলার যে হীনদশা তার তাৎপর্যগুলো খুবই স্বচ্ছ। প্রথম কথা, যতই আমরা বাগাড়ম্বর করি, দেশে এখন দেশপ্রেমের ভীষণ অভাব। মাতৃভাষার প্রতি অবজ্ঞা ও অবিচার সে কথাটাই নীরবে বলে যাচ্ছে, আমরা শুনছি না। বলছে এই কথাও যে, এই রাষ্ট্রে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়নি বাংলা যাদের মাতৃভাষা। বাংলা চালু আছে শুধু সমাজের অপেক্ষাকৃত নিম্নস্তরে। সর্বোপরি বলছে এটাও যে, এ দেশ মোটেই স্বাধীন নয়, রয়েছে সে সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের অধীনে, যার ভাষা বাংলা নয়, ইরেজি বটে।'
গরীবানায় ধাতস্ত হয়ে আমরা এমন হীনম্মন্যতাকে পুঁজি করে বসে আছি যে, জেতার মানসিকতার চেয়ে হারের মানসিকতাকে আগেই মেনে নিয়েছি। ভিখিরীরও স্বজাত্যবোধ আছে কিন্তু আমাদের নেই। বলা হচ্ছে যে, বাংলা ভাষার চর্চা করতে গেলে আমাদের পক্ষে বিপদ আছে কুয়োর ব্যাঙ হয়ে পড়ার। এত বড় অসত্য ভাষণ, নিমতিতা কথা আর দ্বিতীয়টি হয় না। বাংলা ভাষার চর্চা করলে আমরা মোটেই কূপমণ্ডক হবো না, বরঞ্চ হব আন্তর্জাতিক। জ্ঞানে-বিজ্ঞানে সারা বিশ্বের যত অর্জন সবটা অনুধাবন, অনুবাদ ও রচনার মধ্য দিয়ে আত্মস্থ করে নেবো এবং সেই আহরণটা একদিকে যেমন হবে গভীর ও সৃজনশীল, তেমনি আবার হবে সর্বজনীন। জ্ঞান ব্যক্তিগত সম্পত্তি থাকবে না, পরিণত হবে সমষ্টিগত সম্পদে। আমরা খাড়াখাড়ি ওপরের দিকে উঠে যাব না; অন্যকে খাটো করে নিজে বড় হব না, আমরা ছড়িয়ে যাব আড়াআড়ি, উন্নত হব সবাইকে সঙ্গে নিয়ে, একের উন্নতি পুষ্ট হবে বহুর উন্নতির দ্বারা। বহুর উন্নতি বৃদ্ধি পাবে একের পর একের সংযোজনে। বিশ্বকে আমরা গ্রহণ করব কী করে যদি গ্রহণ করার ক্ষমতাই না থাকে? যে ব্যক্তি কেবল তরল খাদ্যের ওপর বেঁচে থাকে, শক্ত খাবার দেখলে ভয় পায়, তাকে আর যাই হোক সুস্থ বলা যাবে না। হীনম্মন্যেরা সৃষ্টি করবে কী করে, তারা তো সর্বদাই অবনত।
এখন তাই সবথেকে বড় প্রয়োজন অতীব দেশপ্রেমের জিয়নকাঠি। যেটার অভাবহেতু আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছি না, কেবলই পিছিয়ে যাচ্ছি। আর এই কাজটি ব্যক্তিগতভাবে হবে না, সমষ্টিগতভাবে করতে হবে। বিশেষ করে দরকার যে মাতৃভাষার চর্চা তার জন্য সামাজিক উদ্যোগ চাই; কিন্তু সে উদ্যোগ মোটেই রাজনীতি-নিরপেক্ষ হবে না, তাকে হতে হবে রাজনীতি-সমর্থিত।
রাজনৈতিক অঙ্গীকারের আবশ্যকতার কথা প্রায়ই শোনা যায়। সে অঙ্গীকারের অত্যাবশ্যকীয় বটে। কেননা রাষ্ট্রের হাতেই রয়েছে ক্ষমতার মূল চাবিকাঠি এবং রাষ্ট্রই হচ্ছে পথপ্রদর্শক ও নিয়ন্ত্রক। তারুণ্যকে উজ্জীবিত করে সৃজনশীলতার উত্থান পর্বকে এগিয়ে নিতে রাষ্ট্রকে সবার আগে সজাগ হতে হবে। বায়ান্নর একুশের চেতনা এটাই। মাতৃভাষার প্রতি অবহেলা তথা দেশপ্রেমের ক্রমাবনতির জন্য দেশের শাসকশ্রেণী যতটা দায়ী, ততটা আর কেউ নয়।
লেখক : কবি ও সাংবাদিক
পাঠকের মতামত:

- "বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের প্রমাণ মিলেছে"
- ভারতের লক্ষ্য নিয়ে পাকিস্তান গেল বাংলাদেশ
- ভারতকে হারাতে না পারলেও ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের
- পরাজিত শক্তি নিউ ইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছে: রিজভী
- বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ৩
- ভারত থেকে এল ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন চাল
- বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা আমাদের : ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের
- গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে আগুন: আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
- ‘মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন’ চুক্তি স্বাক্ষর
- যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের শুল্ক পর্যালোচনা করছে সরকার : প্রেস সচিব
- বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
- গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১৮
- চার অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, পঞ্চগড়ে এখনও শীতের কুয়াশা
- প্রকাশ্যে বিএনপি নেতাকে কোপালেন যুবলীগের নেতাকর্মীরা
- অর্ধেক সময় পেরোলেও নিবন্ধন পেতে সাড়া নেই দলগুলোর
- কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
- লন্ডনে মাকে নিয়ে পার্কে ঘুরলেন তারেক রহমান
- লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ১০
- মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহত ২ হাজার ছাড়াল
- ঈদেও ছুটি নেই, যা বললেন বাংলাদেশ অধিনায়ক
- ঈদের দিতীয় দিনেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৩৪ ফিলিস্তিনি
- ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
- মঙ্গলবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে বিভিন্ন এলাকায়
- সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খালেদা জিয়া
- ঈদের ছুটিতে জনশূন্য ঢাকার রাজপথ
- প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদির চিঠি
- মেট্রোরেল-আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু
- ঈদের পরদিনও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে
- সারা দেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর
- বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচ জামাত অনুষ্ঠিত
- "ঈদের ছুটিকে কাজে লাগিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে"
- বায়তুল মোকাররমে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া
- সুলতানি-মুঘল আমলের ঐতিহ্যে ঢাকায় ঈদের আনন্দ মিছিল
- জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
- যত বাধাই আসুক, নতুন বাংলাদেশ গড়বই: প্রধান উপদেষ্টা
- দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান
- ঢাকার ঈদের জামাতের নিরাপত্তায় থাকবে ১৫ হাজার পুলিশ
- ঢাকায় কখন কোথায় ঈদের জামাত
- গত দুই দিনে ঢাকা ছেড়েছেন ৪১ লাখ মানুষ
- ভালো আছেন খালেদা জিয়া, লন্ডনে পরিবারের সাথে ঈদ করছেন
- জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা
- শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, সোমবার ঈদ
- চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের আহ্বান
- ভিড় থাকলেও নেই ভোগান্তি, ট্রেন ছাড়ছে সময় মতো
- বেইজিং থেকে ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা
- ড. ইউনূসকে ৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী চাই : সারজিস
- জনগণ এবার স্বস্তিতে-নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা করতে পারছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবেন খালেদা জিয়া
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
- শিক্ষকদের বেতন দিতে আজও খোলা রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক
- সিদ্ধান্ত বদলে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা জনপ্রতি ১২ ডলারে রইল
- ঢাকাকে গুরুত্ব দিয়ে ঈদ-নিরাপত্তায় বিশেষ তৎপরতা
- ঈদে ফিরতি যাত্রার ৭ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি শুরু
- আজ জুমাতুল বিদা
- স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ, নেই যানজট
- বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও ড. ইউনূসের বৈঠক
- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্বীকৃতি এখন আমার দখলে: আসিফ
- বাংলাদেশ ছাড়ার আগে হামজা: ইনশা আল্লাহ, আবারও আসব
- হাসপাতাল থেকে দুদিন পর বাসায় যেতে পারবেন তামিম
- নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না পেয়েও ‘হতাশ’ নন জেলেনস্কি
- পুঁজিবাজার সংস্কারে টাস্ক ফোর্সের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা
- ৬৬৮১ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ
- ৬৬৮১ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ
- প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান
- দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন: ফখরুল
- "প্রথম বা দ্বিতীয় স্বাধীনতা নয়, তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ লুটপাটের স্বাধীনতা"
- গ্যাসপ্রমকে বাংলাদেশে আরো অনুসন্ধান চালানোর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
- রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, ২৬ দিনে এলো ২৯৪ কোটি ডলার
- রেমিট্যান্সে নয়া রেকর্ড, ২৪ দিনে এলো ২৭৫ কোটি ডলার
- ইউক্রেনে পাকিস্তানের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান রুশ রাষ্ট্রদূতের
- হামজার অভিষেক ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ড্র
- মেসিকে ছাড়াই ব্রাজিলের জালে এক হালি গোল দিল আর্জেন্টিনা
- "জনগণের আস্থা আনতে ঐকমত্যে না পৌঁছানোর উপায় নেই"
- স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ, নেই যানজট
- বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও ড. ইউনূসের বৈঠক
- ঢাকাকে গুরুত্ব দিয়ে ঈদ-নিরাপত্তায় বিশেষ তৎপরতা
- নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না পেয়েও ‘হতাশ’ নন জেলেনস্কি
- হাসপাতাল থেকে দুদিন পর বাসায় যেতে পারবেন তামিম
- সিদ্ধান্ত বদলে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা জনপ্রতি ১২ ডলারে রইল
- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্বীকৃতি এখন আমার দখলে: আসিফ
- শিক্ষকদের বেতন দিতে আজও খোলা রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক
- ড. ইউনূসকে ৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী চাই : সারজিস
- চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের আহ্বান
- পুঁজিবাজার সংস্কারে টাস্ক ফোর্সের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবেন খালেদা জিয়া
- ঈদের ছুটিতে জনশূন্য ঢাকার রাজপথ
- শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
- বাংলাদেশ ছাড়ার আগে হামজা: ইনশা আল্লাহ, আবারও আসব
- ভিড় থাকলেও নেই ভোগান্তি, ট্রেন ছাড়ছে সময় মতো
- ঈদে ফিরতি যাত্রার ৭ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি শুরু
- বেইজিং থেকে ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা
- আজ জুমাতুল বিদা
- জনগণ এবার স্বস্তিতে-নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা করতে পারছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
- শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, সোমবার ঈদ
- ঢাকায় কখন কোথায় ঈদের জামাত
- বায়তুল মোকাররমে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া
সাহিত্য এর সর্বশেষ খবর
সাহিত্য - এর সব খবর
