দুর্নীতির আগুনে পোড়ে অগ্নিযোদ্ধারা

হারুন উর রশীদ স্বপন
বনানীর এফআর টায়ারে আগুনের ঘটনায় মানুষের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেই জীবন দিয়েছেন ফায়ারম্যান সোহেল রানা৷ এই সোহেল রানা বাংলাদেশে পরিচিতি পেয়েছেন একজন বীর যোদ্ধা হিসেবে, একজন অগ্নিযোদ্ধা হিসেবে৷
কিন্তু হয়ত তাঁকে জীবন দিতে হতো না, যদি দুর্নীতি না থাকত ভবন নির্মাণে৷ যদি রাজউক তার দায়িত্ব পালন করতো৷ এই দুর্নীতি বা অসততা শুধু যে আর্থিক, তা নয়৷ মানসিকতায় দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে৷ আর তাই যদি না হবে, তাহলে পুরান ঢাকার চকবাজারের বাড়িওয়ালারা কেন বেশি ভাড়ার লোভে কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের কাছে বাসা ভাড়া দেন৷ যাঁরা বসবাসের জন্য ভাড়া নেন, তাঁরা তো অত ভাড়া দিতে পারবেন না৷ তাই তাঁরা সেখানে সহজে বাসা ভাড়া পান না৷ আর ধরুন বনানীর এফআর টাওয়ারের কথা৷ একটি বহুতল ভবন৷ কিন্তু মালিকপক্ষ কোনো ফায়ার সিস্টেমই গড়ে তোলেননি৷ অথচ ভাড়া দিয়েছেন৷ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে ফ্লোর ভাড়াও দিয়েছেন৷ যাঁরা সেখানে থাকবেন, তাঁদের জীবনের কথা চিন্তা করেননি৷ ব্যবসাটাকেই বড় করে দেখেছেন৷
এ তো গেল অসৎ মানসিকতার কথা৷ প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির কথায় পরে আসছি৷ তার আগে আবার ফিরে যাই অগ্নিযোদ্ধা সোহেল রানার কথায়৷ ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীতে এফআর টাওয়ারের আগুনে আটকেপড়াদের উদ্ধার করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী সোহেল রানা৷ ভবনে আটকেপড়া মানুষদের জীবন বাঁচানো এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার অভিযানে তৎপর ছিলেন অগ্নিযোদ্ধা সোহেল রানা৷ ফায়ার সার্ভিসের উঁচু ল্যাডারে (মই) উঠে উদ্ধারকাজ করার এক পর্যায়ে তাঁর শরীরে লাগানো নিরাপত্তা হুকটি মইয়ের সঙ্গে আটকে যায়৷ এরপর মই থেকে পিছলে পড়ে যান তিনি৷ ঝুলতে থাকেন বিপজ্জনকভাবে৷ তাঁর একটি পা ভেঙে যায়, গুরুতর আঘাত পান বুকে৷ ঢাকায় চিকিৎসার পর তাঁকে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরও পাঠানো হয়েছিল৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে আর বাঁচিয়ে রাখা যায়নি৷ ৮ এপ্রিল তিনি সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মারা যান৷
সরকার বছরে মাথাপিছু মাত্র ত্রিশ টাকা ব্যয় করছে অগ্নিনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনা মোকাবেলায়৷ মাত্র ১১ হাজারের জনবল নিয়ে লড়ছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স৷ চাহিদা অনুযায়ী সক্ষমতা বাড়াতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি৷
সোহেল রানারা পোড়ে, কিন্তু...
সোহেল রানা ছিলেন একজন ফায়ারম্যান৷ পড়াশোনাও বেশি করেননি৷ তাঁর বেতন স্কেল ছিল ৮ হাজার টাকা৷ সবমিলিয়ে ১৬ হাজার টাকা বেতন পেতেন৷ যখন কোথাও আগুন লাগে, তখন এই স্বল্প বেতনের ফায়ারম্যানরাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগুনের বিরুদ্ধে লড়াই করেন৷ আগুন থেকে মানুষের জীবন আর সম্পদ বাঁচাতে এগিয়ে যান৷ তাঁরা জীবন দেন৷ দায়িত্ববোধই তাঁদের কাছে বড়৷ কত বেতন পান, সংসার চলে কিনা – তা তাঁদের বিবেচনায় থাকে না৷ তাঁদের বিবেচনায় থাকে মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য৷ কিন্তু যাঁরা উচ্চ বেতনে চাকরি করেন, অনেক পড়াশুনা করেছেন, রাষ্ট্র অনেক সুযোগ-সুবিধা দেয়, তাঁরা কি তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন?
এফআর টওয়ারে আগুন লাগার পর আমরা যেসব তথ্য জানতে পেরেছি তার অন্যতম হলো –
১. ভবনটিতে কোনো ফায়ার সিস্টেম ছিল না
২. কোনো ফায়ার অ্যালার্ম বাজেনি
৩. নিজস্ব কোনো ফায়ার টিম নেই
৪. ২৩ তলা ভনটির পাঁচটি ফ্লোর অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে
এই তথ্যগুলো কিন্তু আমাদের রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে৷ আমরা সাধারণ মানুষ এগুলো আগে জানতে পারি না, বুঝতেও পারি না৷ কারণ, আমরা তো আর ভবন ও অগ্নি নিরপত্তাবিশেষজ্ঞ নই৷ কিন্তু প্রশ্ন হলো, ভবনে আগুন লাগার পর অনেক জীবন আগুনে দগ্ধ হওয়ার পর আমাদের কেন এসব তথ্য জানানো হয়? যাঁদের জানার, তাঁরা কি আগে জানতেন না?
ড্রোনের সুবিধা হলো এটি নীচে দাঁড়িয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়৷ কয়েকটি কোম্পানি এরই মধ্যে ফায়ারফাইটিং ড্রোন বাজারে ছেড়েছে৷ যেখানে এখন পর্যন্ত ক্রেন দিয়ে সর্বোচ্চ ১০০ মিটারের কিছু বেশি উচ্চতায় পৌঁছানো যায়, সেখানে অ্যারোনেস কোম্পানির ড্রোনগুলো ৩শ’ থেকে ৪শ’ মিটার উচ্চতায় যেতে পারে এবং এগুলো মিনিটে ১০০ লিটার গতিতে পানি ছিটাতে পারে৷ শুধু তাই নয় ১৪৫ কিলোগ্রাম পর্যন্ত ওজনের কোনো ব্যক্তিকেও এটি তুলে আনতে পারে৷
আগে না জানার কোনো কারণ নেই৷ এটা দেখার রাজউকের যেমন দায়িত্ব, তেমনি দায়িত্ব ফায়ার সার্ভিসের৷ কিন্তু প্রশ্ন হলো, রাজউক যখন বলে, পাঁচটি ফ্লোর অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, তখন রাজউকের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন ওঠে৷ এটা কী করে সম্ভব যে, রাজউক থাকতে তাদের অগোচরে বনানীর মতো একটি জনবহুল জায়গায় একটি বহুতল ভবনের পাঁচটি ফ্লোর নির্মাণ করা হলো! এটা কি বস্তবে সম্ভব? এটা কেউ বিশ্বাস করবেন? অন্তত আমি বিশ্বাস করি না৷ আমি মনে করি, রাজউক-এর অনুমতি নিয়েই এটা করা হয়েছে৷ আর এই অনুমতির মধ্যেই আছে আসল ব্যবসা, আসল দুর্নীতি৷ তার বড় প্রমাণ ওই বাড়তি পাঁচ তলার কোনো ধরনের নথি প্রথমে খুঁজে না পাওয়ার কথা বলা হলেও, এখন ফটোকপি পাওয়ার কথা বলছে রাজউক৷ আমি মনে করি, এই ফটোকপি রাজউককে ভবন মালিক দিয়েছেন৷ রাজউকের কাছে ছিল না৷ কিন্তু মূল কপি পাওয়া না গেলে এর সত্যতা নির্ধারণ কঠিন হবে৷ আমার মনে হয়, রাজউক-এ যদি তল্লাশি চালানো হয় তাহলে দেখা যাবে যে, এ রকম আরো অনেক ভবনের নথি নেই৷ নথি গায়েব করে ফেলা হয়েছে৷ আর এর অনেক কারণও আছে –
১. রাউজকের এক শ্রেণির কর্মকর্তা অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের অনুমতি করিয়ে দেয়
২. এর পিছনে আছে বড় অংকের অর্থের লেনদেন
৩. এসব নথি থাকলে ভবিষ্যতে যারা এই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত, তাদের বিপদ হতে পারে৷
৪. নথি গায়েব করে ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখার চেষ্টা করা হয়
৫. মূল নথি না থাকলে, পরে কোনো সমস্যা হলে ভবনটাকে অবৈধ বলে কর্মকর্তারা নিজেদের রক্ষা করতে পরেন
লক্ষ্য করবেন – এফ আর টাওয়ারের আগুনের ঘটনায় জমি ও ভবন মালিক এবং ডেভেলপারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে৷ তাঁদের মধ্যে দু'জন গ্রেপ্তারও হয়েছেন৷ কিন্তু রাজউক-এর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি আর তাঁদের কেউই গ্রেপ্তারও হননি৷ এটাই রাজউক থেকে ভবন নির্মাণের নথি গায়েবের আসল রহস্য৷ আর এখানেই দুর্নীতির গ্রন্থি৷
দুর্নীতি দেখা যায়, বোঝাও যায়
ফায়ার সার্ভিসের আইনে ঢাকা শহরে ছয় তলার বেশি ভবন নির্মাণ করতে হলেই ফায়ার ক্লিয়ারেন্স লাগবে৷ আর রাজউকের আইনে এটা আট তলার বেশি৷ একই দেশে দুই আইন৷ আর রাজউক তাদের আইনকেই প্রাধান্য দেয়৷ তারা ফায়ার সার্ভিসকে পাত্তা দেয় না৷ আর ফায়ার সার্ভিসের কোনো ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার নেই, তবে মামলা করতে পারে৷ কিন্তু মামলা করলেও সেই মামলার বিরুদ্ধে স্টে অর্ডার আনা কোনো কঠিন কাজ নয়৷ তাই ফায়ার সার্ভিসকে আমরা বলতে পারি, ‘ঢাল নাই তলোয়ার নাই, নিধিরাম সর্দার'৷ গত এক বছরে তারা পাঁচ হাজারেরও বেশি ভবনকে নোটিস দিয়েছে৷ আগুন ঝুঁকির কথা জানিয়েছে৷ ঝুঁকিমুক্ত থাকতে হলে ঐসব ভবনের ফায়ার ‘সিস্টেম' কেমন হতে হবে, তা-ও জানাতে হবে৷ তবে তাতে শতকরা ৪-৫ জনের বেশি ভবন মালিক সাড়া দেননি৷ তাঁরা অর্থ খরচের কথা চিন্তা করে মানুষের জীবনকে আগুনের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন৷ কিন্তু আমি এ-ও মনে করি, ফায়ার সার্ভিস তার ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নেই বলে শুধু নোটিস দিয়েই বসে থাকতে পারে না৷ তারা অনেক উদ্যোগ নিতে পারে৷ তারা যা করতে পারে, তা হলো –
১. ভবনটি যে আগুন ঝুঁকিতে আছে, তা ভবনে বড় সাইনবোর্ড লাগিয়ে জানিয়ে দিতে পারে৷
২. এ ধরনের ভবনের তালিকা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারে৷
৩. রাজউক ও সিটি কর্পোরেশনকে জানিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করতে পারে৷
৪. তারা ফায়ার নিরাপত্তা নিয়ে দৃশ্যমান অভিযান পরিচালনা করতে পারে৷
এসব করলে এক ধরনের সামাজিক চাপ সৃষ্টি হয়, যা রাজউক এবং সিটি কর্পোরেশনকে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করবে৷ কিন্তু ফায়ার সার্ভিস এসব কাজ করে বলে আমার জানা নেই৷
মূল চক্র রাজউকে
ভবন নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় রাজউক৷ আর এই অনুমোদনে তারা আইনের অনৈতিক সুযোগ নেয়৷ ফায়ার সার্ভিস যখন অনুমোদন দেয় না, তখন আট তলার আইন দেখিয়ে অনুমোদন দেয়ার এই যে হিড়িক, এর মধ্যে আছে দুর্নীতি৷ আর ভবনটি নির্মাণের পর দেখতে হবে যে, অনুমোদনের শর্ত পালিত হচ্ছে কিনা৷ ২০০৮ সালের ইমারত নির্মাণ আইন পরিবর্তন করে অকুপেন্সি সার্টিফিকেটের বিধান করা হয়৷ এই বিধান অনুযায়ী, ভবন নির্মাণের পর রাজউক এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি ভবনটির অনুমোদিত নকশা এবং সব নিয়ম মেনে তৈরি হচ্ছে কিনা, তা দেখে ব্যবহারের ছাড়পত্র দেবে৷ তারপর গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন দেয়া হবে৷ অর্থাৎ, ভবনটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হবে অকুপেন্সি সার্টিফিকেটের পর৷ কিন্তু রাজউক এই দায়িত্ব পালন করছে না৷ ২০০৮ সালের পর থেকে ঢাকা শহরে ৪০ হাজার ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, কিন্তু অকুপেন্সি সার্টিফিকেট নিয়েছে মাত্র ১৬১টি ভবন৷ তাহলে প্রশ্ন – অকুপেন্সি সার্টিফিকেট ছাড়া এত ভবন কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে? এটাকে আমি শুধু রাজউকের অবহেলা বলতে নারাজ৷ আমি মনে করি, এখানে অর্থের মচ্ছব হয়েছে৷
রাজউক নিজেই গত বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকার দুই লাখ ৪ হাজার ভবনের ওপর জরিপ চালায়৷ এই ভবনগুলো তিন তলা বা তার বেশি উচ্চতার – তারা ওই জরিপে দেখতে পায়, প্রতি ১০টি ভবনের ৯টিই অনুমোদন ও নকশার বাইরে গিয়ে তৈরি করা হয়েছে৷ ২ লাখ ৪ হাজার ১০৬টি ভবনের মধ্যে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৫টি ভবন নিয়ম ভঙ্গ করে নির্মাণ করা হয়েছে৷ শতকরা হিসেবে এটা ৬৬ দশমিক ১১ ভাগ৷
তাহলে রাজউক কী করছে? এ নিয়ে আমি নিজেই কথা বলেছিলাম রাজউক চেয়ারম্যানের সঙ্গে৷ জানতে চেয়েছিলাম, জরিপের পর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা৷ তাছাড়া নকশার বাইরে গিয়ে কিভাবে এসব ভবন তৈরি হলো? রাজউকের চোখে পড়েনি? তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি৷ শুধু বলেছেন, ‘‘ব্যবস্থা নেয়া শুরু করব৷'' আসলে এসব কিছুই রাজউকের ইন্সপেক্টর ও সংশ্লিষ্টরা জানেন৷ এভাবে যদি অবৈধ কাজ না হয়, তাহলে পয়সা আসে কীভাবে? সবাই যদি নিয়ম মানে, তাহলে রাজউকের দুর্নীতিবাজরা বাণিজ্য করবেন কীভাবে? রাজউকের সাবেক এক চেয়ারম্যান আমাকে একবার বলেছিলেন, ‘‘যেভাবে চোর বেড়েছে, তাতে তো আমাকেই সব কিছু সরেজমিন গিয়ে দেখতে হবে৷ সেটা একজন মানুষের পক্ষে কীভাবে সম্ভব? আমি তো চক্রবন্দি হয়ে পড়েছি৷'' তিনি এ কথা তখন বললেও, তাকেও দেখিনি কোনো দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে৷
আওয়াজ নেই কেন?
এফআর টাওয়ারের আগুনের পর রাজউক ২৪টি টিম করে ঢাকা শহরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে৷ আর এবার আগুনের ঝুঁকির বিষয়টি নাকি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে৷ ১ এপ্রিল থেকে এই অভিযান শুরু হয়েছে৷ ১৫ দিনের মধ্যে এই কাজটি শেষ হওয়ার কথা৷ ১৫ দিন শেষ হয়েছে, কিন্তু কোনো আওয়াজ পাচ্ছি না৷ আওয়াজ কি হবে? না এবারও চাপ পড়ে যাবে?
সূত্র: ডয়চে ভেলে
(দ্য রিপোর্ট/একেএমএম/এপ্রিল ২২,২০১৯)
পাঠকের মতামত:

- গুজরাটে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১৮
- চার অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, পঞ্চগড়ে এখনও শীতের কুয়াশা
- প্রকাশ্যে বিএনপি নেতাকে কোপালেন যুবলীগের নেতাকর্মীরা
- অর্ধেক সময় পেরোলেও নিবন্ধন পেতে সাড়া নেই দলগুলোর
- কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
- লন্ডনে মাকে নিয়ে পার্কে ঘুরলেন তারেক রহমান
- লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ১০
- মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহত ২ হাজার ছাড়াল
- ঈদেও ছুটি নেই, যা বললেন বাংলাদেশ অধিনায়ক
- ঈদের দিতীয় দিনেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৩৪ ফিলিস্তিনি
- ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
- মঙ্গলবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে বিভিন্ন এলাকায়
- সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খালেদা জিয়া
- ঈদের ছুটিতে জনশূন্য ঢাকার রাজপথ
- প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদির চিঠি
- মেট্রোরেল-আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু
- ঈদের পরদিনও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে
- সারা দেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর
- বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচ জামাত অনুষ্ঠিত
- "ঈদের ছুটিকে কাজে লাগিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে"
- বায়তুল মোকাররমে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া
- সুলতানি-মুঘল আমলের ঐতিহ্যে ঢাকায় ঈদের আনন্দ মিছিল
- জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
- যত বাধাই আসুক, নতুন বাংলাদেশ গড়বই: প্রধান উপদেষ্টা
- দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান
- ঢাকার ঈদের জামাতের নিরাপত্তায় থাকবে ১৫ হাজার পুলিশ
- ঢাকায় কখন কোথায় ঈদের জামাত
- গত দুই দিনে ঢাকা ছেড়েছেন ৪১ লাখ মানুষ
- ভালো আছেন খালেদা জিয়া, লন্ডনে পরিবারের সাথে ঈদ করছেন
- জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা
- শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, সোমবার ঈদ
- চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের আহ্বান
- ভিড় থাকলেও নেই ভোগান্তি, ট্রেন ছাড়ছে সময় মতো
- বেইজিং থেকে ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা
- ড. ইউনূসকে ৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী চাই : সারজিস
- জনগণ এবার স্বস্তিতে-নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা করতে পারছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবেন খালেদা জিয়া
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
- শিক্ষকদের বেতন দিতে আজও খোলা রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক
- সিদ্ধান্ত বদলে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা জনপ্রতি ১২ ডলারে রইল
- ঢাকাকে গুরুত্ব দিয়ে ঈদ-নিরাপত্তায় বিশেষ তৎপরতা
- ঈদে ফিরতি যাত্রার ৭ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি শুরু
- আজ জুমাতুল বিদা
- স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ, নেই যানজট
- বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও ড. ইউনূসের বৈঠক
- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্বীকৃতি এখন আমার দখলে: আসিফ
- বাংলাদেশ ছাড়ার আগে হামজা: ইনশা আল্লাহ, আবারও আসব
- হাসপাতাল থেকে দুদিন পর বাসায় যেতে পারবেন তামিম
- নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না পেয়েও ‘হতাশ’ নন জেলেনস্কি
- পুঁজিবাজার সংস্কারে টাস্ক ফোর্সের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা
- ৬৬৮১ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ
- ৬৬৮১ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ
- প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান
- দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন: ফখরুল
- "প্রথম বা দ্বিতীয় স্বাধীনতা নয়, তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ লুটপাটের স্বাধীনতা"
- গ্যাসপ্রমকে বাংলাদেশে আরো অনুসন্ধান চালানোর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
- রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, ২৬ দিনে এলো ২৯৪ কোটি ডলার
- রেমিট্যান্সে নয়া রেকর্ড, ২৪ দিনে এলো ২৭৫ কোটি ডলার
- ইউক্রেনে পাকিস্তানের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান রুশ রাষ্ট্রদূতের
- হামজার অভিষেক ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ড্র
- মেসিকে ছাড়াই ব্রাজিলের জালে এক হালি গোল দিল আর্জেন্টিনা
- "জনগণের আস্থা আনতে ঐকমত্যে না পৌঁছানোর উপায় নেই"
- ‘৭১ ও ২৪ এর উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের জীবিকা সুষ্ঠু করা’
- রেলওয়ের লোকসানের বড় কারণ দুর্নীতি ও অপচয় : রেলপথ উপদেষ্টা
- "স্বাধীন ভূখণ্ডে এ দেশের মানুষ আর পরাধীন বোধ করবে না"
- একাত্তর আর চব্বিশ আলাদা কিছু নয়: নাহিদ ইসলাম
- "বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজন হলে সবাই আবার এক হয়ে যাবে"
- ‘জনগণের ভোটাধিকার আদায়ে নির্বাচনের কথা বলে বিএনপি’
- স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা
- আইপিওর খসড়া সুপারিশ জমা দিয়েছে পুঁজিবাজার টাস্কফোর্সের
- রিং পরানোর পর তামিমের অবস্থা অনুকূলে
- উত্তাল তুরস্কে পাঁচ দিনে ১১৩৩ মানুষ আটক
- ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২৭ জুন
- ব্যান্ডপার্টিসহ শতাধিক গাড়িবহর নিয়ে নিজ জেলায় সারজিস
- স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ, নেই যানজট
- প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান
- ঢাকাকে গুরুত্ব দিয়ে ঈদ-নিরাপত্তায় বিশেষ তৎপরতা
- বেইজিংয়ে শি জিনপিং ও ড. ইউনূসের বৈঠক
- দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুন: ফখরুল
- নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না পেয়েও ‘হতাশ’ নন জেলেনস্কি
- শিক্ষকদের বেতন দিতে আজও খোলা রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক
- সিদ্ধান্ত বদলে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা জনপ্রতি ১২ ডলারে রইল
- হাসপাতাল থেকে দুদিন পর বাসায় যেতে পারবেন তামিম
- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্বীকৃতি এখন আমার দখলে: আসিফ
- গ্যাসপ্রমকে বাংলাদেশে আরো অনুসন্ধান চালানোর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
- পুঁজিবাজার সংস্কারে টাস্ক ফোর্সের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা
- বাংলাদেশ ছাড়ার আগে হামজা: ইনশা আল্লাহ, আবারও আসব
- লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবেন খালেদা জিয়া
- ঈদে ফিরতি যাত্রার ৭ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি শুরু
- আজ জুমাতুল বিদা
- ড. ইউনূসকে ৫ বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী চাই : সারজিস
- চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের আহ্বান
- ঈদের ছুটিতে জনশূন্য ঢাকার রাজপথ
- ভিড় থাকলেও নেই ভোগান্তি, ট্রেন ছাড়ছে সময় মতো
- "প্রথম বা দ্বিতীয় স্বাধীনতা নয়, তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ লুটপাটের স্বাধীনতা"
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
- বেইজিং থেকে ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা
- জনগণ এবার স্বস্তিতে-নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা করতে পারছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বিশেষ সংবাদ এর সর্বশেষ খবর
বিশেষ সংবাদ - এর সব খবর
