thereport24.com
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬,  ১৭ জিলহজ ১৪৪০

মালিবাগ কাঁচাবাজারে আগুনে ক্ষতি ৫ কোটি

২০১৯ এপ্রিল ১৮ ০৯:৪৯:৪৬
মালিবাগ কাঁচাবাজারে আগুনে ক্ষতি ৫ কোটি

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : রাজধানীর মালিবাগ কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুড়ে গেছে বাজারের প্রায় ২৫০ দোকান।

বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে ওই বাজারে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে ভোর ৬টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে সকালে দোকান খুলতে এসেই ব্যবসায়ীদের কাঁচাবাজারে নিজের দোকান পুড়তে দেখেন। স্থানীয় লোকজন, ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও দোকানের মালামাল সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে সর্বস্বান্ত হওয়ার উদ্বিগ্নতা। মলিন চেহারায় তাকিয়ে আছেন পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর দিকে। তাদের মধ্যে বাজারের সামনে বসে বিলাপ করতে দেখা যায় অনেককে।

আগুনে পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে বাজার কমিটি।

আগুনে বাজারের প্রায় সব দোকান পুড়ে যায়। বেশিরভাগ দোকানের মজুদকৃত আলু, চালসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

মাছ, সবজি ও ডিমের প্রত্যেকটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ছাগল পুড়েছে প্রায় ৩০টি। পুড়েছে দুটি গরু, মাছ ও মুরগি। তবে দারোয়ানের বুদ্ধিমত্তার কারণে একটি মেসের সবাই প্রাণে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন।

মালিবাগবাজার বণিক সমবায় সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. নুরুল হক নুরু বলেন, ২৬০টির দোকান কোনটির অবশিষ্ট নেই, নগদ টাকাও পুড়েছে। এতে প্রায় ৫ কোটি টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।

কাঁচাবাজারে এসে দেখা যায়, মাছ ও সবজি, ডিমের প্রত্যেকটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ছাগল পুড়েছে প্রায় ৩০টির মতো। দুটি গরু পুড়েছে। মাছ ও মুরগির দোকানের ওপরেই ছিল একটি মেস। সেই মেসে দারোয়ানের বুদ্ধিমত্তার কারণে সবার জীবন রক্ষা পেয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক দিলীপ কুমার ঘোষ বলেন, ২০-২৫ জনকে নিরাপদ স্থানে বের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২০টির মতো ছাগল পুড়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তদন্ত কমিটি গঠন করে এর কারণ বের করা হবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিস প্রথমে পানি ছাড়া এসেছে। তারা দ্রুত আগুন নির্বাপণের কাজ শুরু করলে কিছুটা দোকান রক্ষা করা যেত।

ব্যবসায়ী সাইফুল ও রুবেল বলেন, আমার দুটি গরু ও ৪০টির মতো ছাগল পুড়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জোন-৬ এর পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান বলেন, খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে আসি। পানির কানেকশন দিতে ২ মিনিটের মতো সময় প্রয়োজন হয়। তাই অনেকেই মনে করতে পারেন পানি দিতে দেরি হয়েছে। আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না।

(দ্য রিপোর্ট/এনটি/এপ্রিল ১৮, ২০১৯)

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

SMS Alert

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর